বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক

বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বিশ্বের কাছে মডেল হবে বলে আশা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গত শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গের শান্তি নিকেতনের বিশ্ব ভারতীতে ‘বাংলাদেশ ভবন’- এর উদ্বোধনকালে দুই দেশের সম্পর্ককে আরো এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ঘোষণা করলেন দুই নেতা। এ সময় পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বাস্তবিকই শান্তি নিকেতনের বিশ্বভারতীতে বাংলাদেশের অর্থায়নে বাংলাদেশ ভবন ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কে যোগ করেছে নতুন মাত্রা। ভারত-বাংলাদেশ দ্বি-পক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে গত কয়েক বছর ধরে সোনালি অধ্যায় চলছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলে গঙ্গা চুক্তি হয়েছে।

অমিমাংসিত স্থল সীমান্ত ও ছিটমহল সমস্যার সমাধান হয়েছে। সমুদ্র সীমা নিয়ে বিরোধের অবসান হয়েছে। দুই দেশের বাণিজ্যে ভারসাম্য আসছে। বলতে গেলে বর্তমান সরকারের আমলে এই প্রাপ্তিটা অনেক বেশি। এরপরও কিছু সমস্যা অমিমাংসিত রয়ে গেছে। তিস্তার পানি বন্টন সহ অভিন্ন ৫৪টি নদী সমস্যার সমাধান, সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার বিষয়টি আজও অমিমাংসিত। ভাটির দেশ হিসেবে অভিন্ন নদ-নদীর পানিকে বাংলাদেশের ন্যায্য অধিকারের বিষয়টি অস্বীকারের কোনো সুযোগ নেই। রোহিঙ্গা শরণার্থী ও আসামে নাগরিকত্ব নির্ধারণের শুমারি (এনআরপি) ইস্যুর ক্ষেত্রে ভারতের সঠিক ভূমিকা প্রত্যাশা করে বাংলাদেশ। আমরা আশা করি বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা করে দ্বি-পক্ষীয় সম্পর্ক আরো উন্নত ও কার্যকর করার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর শান্তি নিকেতন সফর একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করছে।