বাংলাদেশ নিয়ে আশার কথা শোনালেন দুই কোচ

বাংলাদেশ নিয়ে আশার কথা শোনালেন দুই কোচ

বাংলাদেশ নিয়ে আশার কথা শুনালেন দুই কোচ। 

মিরপুরের কন্ডিশনিং ক্যাম্পের তৃতীয়দিন প্রথমবারের মতো  যোগ দিলেন বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গো। ক্রিকেটারদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক ভাবে পরিচয় পর্বটা তাই সেড়ে নিতে হলো এখানেই। তার হাত ধরেই বাংলাদেশের ক্রিকেট সামনের দিকে এগিয়ে যাবে আগামী দুই বছর। 


নিঃসন্দেহে অনেকটা চ্যালেঞ্জ নিতে হবে এই প্রোটিয়া কোচকে। অন্যদিকে দলের সাথে যুক্ত হয়েছেন নবনিযুক্ত পেস বোলিং কোচ আরেক প্রোটিয়া চার্ল ল্যাঙ্গাভেল্টও। বাংলাদেশের পেস আক্রমণ তার মাধ্যমেই পরিচালিত হবে নতুন করে।  

বুধবার (২১ আগস্ট) মিরপুরের হোম অব ক্রিকেটে বাংলাদেশের কন্ডিশনিং ক্যাম্প শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন প্রধান কোচ ও পেস বোলিং কোচ। সেখানে বাংলাদেশের ক্রিকেট নিয়ে নিজের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন নতুন দুই কোচ।

প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গো বলেন, ‘বাংলাদেশে কাজ করাটা বেশ চ্যালেঞ্জিং। কোচ হিসেবে যদি আপনি যদি জানেন আপনার দায়িত্ব কি তবে কাজটা অনেক সহজ হয়ে যায়। আমিও এটা উপভোগ করি। এদেশের ক্রিকেট নিয়ে সমর্থকদের প্রত্যাশা বেশি। আমার প্রধান কাজ এখন ক্রিকেটারদের সাথে ভালো সম্পর্ক গড়ে তোলা। বাংলাদেশ কিন্তু খারাপ দল না। বিশ্বকাপে ভালো করেছে। ফলাফল যাই হোক না কেন বাংলাদেশ কিন্তু ইতিবাচক ক্রিকেট খেলেছে। সবসময় ফলাফল দিয়ে সবকিছু বিচার করা যায় না।’ 

অন্যদিকে পেস বোলিং কোচ চার্ল ল্যাঙ্গাভেল্টও শুনিয়েছেন আশার কথা। ‘এই উপমহাদেশে উইকেট গুলো স্পিন সহায়ক হয়ে থাকে। সেই দিক দিয়ে এখানে কাজ করাটা বেশ চ্যালেঞ্জিং। নতুন বলে বল করাটাও কঠিন। বোলিংয়ের টেকনিক্যাল দিক গুলো জানতে হয়। ৫০ ওভারের ক্রিকেট বলুন আর টেস্ট ক্রিকেট বলুন নতুন বলে বল করাটা গুরুত্বপূ। পেস বোলিংয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো লাইন-লেন্থ ঠিক রেখে বল করা। এগুলো নিয়েই আগে কাজ করবো।’ 

আগামী ৫-৯ সেপ্টেম্বর আফগানিস্তানের বিপক্ষে হবে একমাত্র টেস্ট। আর জিম্বাবুয়েকে সঙ্গে নিয়ে ১৩-২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হবে ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজ। আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট ও ত্রিদেশীয় সিরিজ দিয়ে শুরু হবে নতুন দুই কোচের বাংলাদেশ যাত্রা।