বাঁধন খুলে দাও

বাঁধন খুলে দাও

আতাউর রহমান মিটন :ঢাকায় সকলের মধ্যে চাপা উত্তেজনা ও আতঙ্ক। কি ঘটতে যাচ্ছে বোঝা যাচ্ছে না। এই উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত মেট্রিক পরীক্ষার্থীরা। তাদের পরীক্ষা পেছাবে, এই আশঙ্কায় ছেলেময়েরা উদ্বিগ্ন। কথায় আছে ‘রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয়, উলু খাগড়ার প্রাণ যায়’ - আমাদের দশাও তাই। অথচ দেশের ভেতরে আর কত বিষয়, আরও কত কিছু নিয়ে আমাদের ভাববার আছে। নির্বাচনের সময় যতই ঘনিয়ে আসে আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গন ততই উত্তপ্ত হতে থাকে। আতঙ্ক এমনভাবে ছড়ায় যে মনটা তখন বিদ্রোহী হয়ে ওঠে। মনে হয় নির্বাচন দরকার নাই, শুধু শান্তি চাই। কিন্তু সেটাই বা আমরা বলি কি করে? নির্বাচন হলো গণতন্ত্রের ভিত্তি। নির্বাচন তো কেবল একদিনের ব্যাপার নয়, এটা এমন একটা সিদ্ধান্ত যা পুরো জাতির ভবিষ্যতের পথনির্দেশ তৈরি করে। আমরা আগামীতে কোন ধরনের বাংলাদেশ গড়ব, তা নির্ভর করছে আমরা এখন কি ধরনের রাজনৈতিক দলকে ভোট দিয়ে সংসদে পাঠাচ্ছি তার উপর। সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচিত না হলে আমাদের ভবিষ্যত চুরি হয়ে যাবে। সে কারণেই আমরা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনকে এত গুরুত্ব দিয়ে থাকি। আমাদের দুর্ভাগ্য যে, কাঙ্খিত সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যাপারে আমরা বেশিরভাগ সময়ই দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থা রাখতে পারিনি। ক্ষমতায় থেকে নির্বাচন কমিশনকে এমনভাবে ছাঁচে সাজিয়েছি যে ক্ষমতার বাইরে এসে এখন আমরাই সেই ছাঁচে ফেলা কমিশন এর উপর আস্থা রাখতে পারছি না। নিজেরাই খোড়া গর্তে যেন আমরা নিজেরাই বারবার ডুবছি। সব সরকারের আমলেই এই একই চিত্র দেখছি।

বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ঘোলাটে হলেও বাংলাদেশে স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধি বজায় রয়েছে। অর্থনীতি মজুবত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। জাতীয়ভাবে বছর বছর প্রবৃদ্ধি হচ্ছে কিন্তু প্রশ্ন হলো সেটার সুফল যাচ্ছে কোথায়? শহরগুলোতে বিশালাকায় অট্টালিকা যেমন বাড়ছে তেমনি বাড়ছে বস্তিবাসী মানুষের সংখ্যা। জিডিপি প্রবৃদ্ধির হাত ধরে বাড়ছে ধনী-দরিদ্র বৈষম্য। ধনীদের সম্পদের পরিমাণ দ্রুত বাড়ছে। দেশের মোট সম্পদের বেশিরভাগই এখনও গুটিকয়েক মানুষের হাতে। একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী ৮২ শতাংশ সম্পদই এখন ১ শতাংশ ধনীর হাতে। ঐ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ‘বাংলাদেশে একজন গার্মেন্টকর্মি পুরো জীবনে যা রোজগার করে, তা আয় করতে বিশ্বের শীর্ষ পাঁচ ফ্যাশন ব্র্যান্ডের একজন সিইওর সময় লাগে মাত্র চার দিন। বৈষম্যমূলক এই ব্যবস্থার বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী সংগ্রাম অব্যাহত রয়েছে। সমতা ও ন্যায়ভিত্তিক একটি কার্যকর অর্থব্যবস্থা কায়েমের মত রাজনৈতিক শক্তি ক্ষমতায় না থাকলে বৈষম্যহীন সমাজ গড়ে তোলা কঠিন। ধনীরা দান-খয়রাত করতে পারে কিন্তু নিজেদের ধনী হওয়ার পথ রুদ্ধ হয় এমন কোন কিছুতেই তারা সহযোগিতা করে না। আধিপত্য বিস্তারের এই সমীকরণে সকল ধনী মুহূর্তেই পরস্পরের সঙ্গী হয়ে যায়।  

বৈষম্যময় সমাজে আমাদের জন্ম। শৈশব থেকে স্বপ্ন দেখছি একটি বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার। আজও স্বপ্নটা বুকের ভেতরে জেগে আছে। এই স্বপ্ন সকলের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চেষ্টা করে যাচ্ছি। বিশেষ করে তরুণ সমাজ, যারা এখনও জাগতিক লোভ-লালসার অন্ধকারে হারিয়ে যায়নি, যারা এখনও সংক্রমণের উর্দ্ধে আছে, সন্তানের মত প্রিয় এই মুখগুলোকে সামনে রেখে প্রণোদনার বাতিটা জ্বালিয়ে রেখেছি। তরুণরাই আমাদের ভরসা। ওদের মনে বিশ্বাস সৃষ্টি করতে পারলে, ওদেরকে জাগিয়ে তুলতে পারলে আমাদের স্বপ্নের সুদিন একদিন বাস্তব হয়ে ধরা দিবে। আমাদের তরুণদের মধ্যে সেই সক্ষমতা রয়েছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশের এক তরুণ পরিবেশ কর্মি রিসালাত খান বিশ্ব সভায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হয়েছে। গত ২৩ থেকে ২৬ জানুয়ারি সুইজারল্যান্ডের দাভোসে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের এক উচ্চ পর্যায়ের আলোচনায় সে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছিল। পরিবেশ সংক্রান্ত এই আলোচনা সভায় রিসালাত এর সাথে আরও ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট আল গোর, ভারতের মহিন্দ্রা গ্রুপের চেয়ারম্যান আনন্দ মহিন্দ্রা, গ্রিনপিস ইন্টারন্যাশনালের নির্বাহী পরিচালক জেনিফার মর্গান এবং আক্সা ইনস্যুরেন্সের প্রধান নির্বাহী থমাস ব্যুবার্ল। এতবড় এক বিশ্ব সভায় বাংলাদেশের এক তরুণের অংশগ্রহণ আমাদেরকে নিঃসন্দেহে আশাবাদী করে তোলে। আমাদের মধ্যে এই বিশ্বাস দৃঢ় হয়, যে আমরাও পারব। রিসালাত খান আমার খুবই পরিচিত এবং ওর পরিবারের সাথে আমার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বিদ্যমান। ওর সাফল্যে আমিও গর্বিত।

দাভোসের আলোচনায় রিসালাত বাংলাদেশের পরিবেশ সংকটের কথা বলতে গিয়ে রামপাল কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সম্ভাব্য পরিবেশ ঝুঁকি সম্পর্কে বলেছে। সে আরও বলেছে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশের সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পেলে দেশের ২০ থেকে ৩৩ শতাংশ তলিয়ে যেতে পারে এ শতাব্দীতেই। জনসংখ্যার আধিক্যপূর্ণ এই দেশটির এত মানুষ তখন যাবে কোথায়? ভারতীয় এনডি টিভিতে সরাসরি প্রচারিত এই আলোচনা অনুষ্ঠানটি ভারতের বহু মানুষ দেখেছে। সেখানে রিসালাত স্পষ্ট করেই বলেছে যে, ‘রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ভারতের ভূমিকা আমাদের জন্য কোন কল্যাণ বয়ে আনবে না।
 
বিষয়টা সবাই জানেন এবং বোঝেন কিন্তু ভারতের স্বার্থের বিরুদ্ধে গিয়ে কথা বলার মত শক্ত রাজনৈতিক অবস্থান আমাদের দেশে এই মুহূর্তে দুর্বল। প্যারিস জলবায়ু চুক্তিটি ২০২০ সাল থেকে কার্যকর হবে। বিশ্ববাসীকে এখনই কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে আনার লক্ষ্যে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বাধ্য করতে হবে। বিশেষ করে ধনীদেশগুলোকে পরিবেশ সুরক্ষায় নিজেদের প্রতিশ্রুতি বাড়াতে বাধ্য করতে হবে। বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার সহনীয় পর্যায়ে রাখতে ব্যর্থ  হলে আমাদের ভবিষ্যত বিপন্ন হয়ে যাবে। বিশেষ করে বাংলাদেশের প্রান্তিক মানুষ যারা উপকূলীয় অঞ্চল এবং নি¤œ জলাভূমি অঞ্চলে বাস করেন তাদের জীবন সংকটাপূর্ণ হয়ে উঠবে। পরিবেশ সুরক্ষায় কোন অজুহাত থাকতে পারে না। সবাইকে নিজ নিজ ক্ষেত্র থেকেই কার্বন নিঃসরণ কমানোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। আজ যদি আমরা সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণে ব্যর্থ হই তাহলে আমাদের আগামী প্রজন্ম সংকটের মধ্যে হাবুডুবু খাবে। সে কারণেই প্রতিরোধ চাই এখনই।  

আগামীর বাংলাদেশ কেমন হবে তা বহুলাংশে নির্ভর করছে আমাদের তরুণেরা আজ কি স্বপ্ন নিয়ে বড় হচ্ছে তার উপরে। এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, তরুণদের সামনে অনুসরণ করার মত ব্যক্তিত্বের অভাব দেখা দিয়েছে। সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে অনিয়ম। বরং নিয়ম মানাটাই এখানে যেন অনিয়মের সামিল। একটা সময় ছিল যখন মানুষ ‘ঘুষঘোর’দের পছন্দ করত না। আর এখন বেতেেনর চাইতে ‘উপরি কামাই’ বা ঘুষ কত পায় সেটাই সবাই দেখছে। সাফল্যের মাপকাঠিতে স্থান পেয়েছে অর্জিত টাকার পরিমাণ। সেই টাকার উৎস বৈধ না অবৈধ সেই প্রশ্নটা এখন অবান্তর। অবস্থার ভয়াবহতা ফুটে ওঠে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম এর কথাতেও। গত রোববারে নতুন প্রধান বিচারপতির সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, ‘আদালতের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের একটি বিরাট অংশ ইতোমধ্যে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে এবং যাঁরা এখনও সৎ আছেন, এভাবে চলতে থাকলে তাঁদের পক্ষেও সততা বজায় রাখা কঠিন হবে।’ আমরা কোন পথে চলেছি তা বোঝার জন্য সম্ভবতঃ এই মন্তব্যের পরে আর কোন বিশ্লেষণের প্রয়োজন নেই।

আমাদের দেশে মূল্যবোধের সংকট ধীরে ধীরে তীব্র হচ্ছে। বিশেষ করে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থেকে ‘যা খুশী’ করা এবং বুক উঁচিয়ে কথা বলার সাহস দিনে দিনে বাড়ছে। প্রায় ৫ লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা সত্বেও চলমান মেট্রিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার কথা পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। এতদিন ফাঁস হতো গোপনে আর এখন দুর্বত্তরা বলছে, তারা কোন কিছুতেই ভয় পায় না। প্রশ্নপত্র ফাঁস এর মত অনৈতিক একটি কাজ প্রকাশ্য ঘোষণা দিয়ে করার সাহস পাচ্ছে আর সেটাও আমাদের দেখতে হচ্ছে! ‘আমার কিচ্ছু হবে না’- একথা বলার সাহস কোথা থেকে দৃর্বৃত্তরা পারছে? এই শক্তির উৎস কোথায়? আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যত নিয়ে এমন ছিনিমিনি খেলা বন্ধ করতে না পারলে আমরা জনগণ আস্থা রাখব কিভাবে? সমাজে অসুস্থতা ভাইরাসের মত দ্রুত ছড়াচ্ছে।  

ক্যান্সারেরও এখন চিকিৎসা হয়। সময়মত যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারলে ক্যান্সার রোগীও অনেকদিন বেঁচে থাকার আনন্দ লাভ করতে পারে। বিজ্ঞানের এই উৎকর্ষতার মতই সমাজের বিরাজমান ক্যান্সারও নিরাময়যোগ্য। দুর্বৃত্তদের দমনের রাজনৈতিক অঙ্গীকার কেবল কাগজে বা ঘোষণায় সীমাবদ্ধ না রেখে নিজের দলের দুষিত কোষগুলোকে কেটে বাদ দিতে পারলে আমাদের সমাজও সুস্থতায় টিকে থাকতে পারবে। আমরা নেতৃবৃন্দের কাছে সেই দৃঢ়তা প্রত্যাশা করি। বিরোধিদলকে ঘায়েল করার পেছনে মেধা খরচ না করে বরং জনগণের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন এবং রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় যারা অপকর্ম চালাচ্ছে তাদের দমনে মেধা খাটালে জনগণ স্বস্তি পাবে। ‘জনগণ সকল ক্ষমতার উৎস’ এই কথাটা বিশ্বাস করলে জনগণের কাছে যাবার পথ তৈরী করতে হবে, জনগণকে পাশ কাটিয়ে যাবার সুড়ঙ্গ নয়।  

চারিদিকে বহু সমস্যা। তবু আমরা আশাবাদী থাকতে চাই। বাংলাদেশের সামনে সুদিন অপেক্ষা করছে। আমাদের মেধাবী তরুণেরা ধীরে ধীরে দায়িত্ব নিতে শুরু করেছে। রাজনৈতিক নেতৃত্বের শীর্ষ পদ থেকে শুরু করে কোম্পানির সিইও হিসেবে এখন অনেক তরুণই তাদের মেধার শাণিত স্বাক্ষর রাখছেন। মেধাবী এই প্রজন্ম নতুনধারায় চলতে আগ্রহী। তরুণ নেতৃত্বকে আমাদের সহযোগিতা করা প্রয়োজন। ওদেরকে বিকশিত হওয়ার সুযোগ দিলে ওরা ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সক্ষম হবে।
ঘরের ভেতরে থেকে ফুটো দিয়ে বাইরে সামান্যই দেখা যায়। কিন্তু ঘরের বাইরে মাঠে এসে দাঁড়ালে দেখা যায় বিশাল আকাশ! দেখা যায় আরও অনেক কিছু। জীবনকে আকাশের মত করে দেখতে শিখতে হবে। আমরা যদি ঘরের ভেতরে বসে জানালা দিয়ে বিশ্বকে দেখার চেষ্টা করি তাহলে যা দেখা যায় তাতে আর যাই হোক আকাশের বিশালত্ব দেখা বা বোঝা হয় না। ওর জন্য উন্মুক্ত মাঠে এসে দাঁড়াতে হয়। আকাশের বিশালত্ব অনুভব করতে পারলেই নিজের ভেতরের ক্ষুদ্রতাকে পরাজিত করা যায়। মানুষের বিশালত্ব আসলে তার স্বপ্ন দেখার ক্ষেত্রের সমান। যে যত বড় স্বপ্ন দেখতে পারবে, সেই আসলে তত বড় মানুষ। ‘বড়লোক’ কথাটা ধনী অর্থে আমরা সাধারণতঃ ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু ‘বড়লোক’ বলতে আমি বুঝি বিশালাকায় স্বপ্ন দেখতে সক্ষম একজন মানুষ।

স্বপ্ন দিয়ে ভরিয়ে তোলা যায় হাজার তারায় ঘেরা পূর্ণিমার চাঁদ! নিঃসন্দেহে ক্ষুধা-দারিদ্র্য অমানবিক। এই কষ্ট সহ্য হয় না। কিন্তু তাই বলে অভাবের কাছে পরাজয় না মেনে বরং আমাদের ভাবতে হবে কিভাবে অভাবকে পরাজিত করা যায়। একটি দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্ন প্রতিটি ঘরে সৃষ্টি করা দরকার। ঐ স্বপ্নটাই আসল।   
আমাদের তরুণদের কাছে আহ্বান, তোমরা এমন একটা সমাজের স্বপ্ন দেখো যেখানে সকলের জন্য খাদ্য, শিক্ষা, কাজ, সুস্বাস্থ্য ইত্যাদি বিষয়গুলো নিশ্চিত করার জন্য সরকার সহায়ক আইন তৈরি করেছে। ক্ষুধা ও দারিদ্র্য পরাজিত হয়েছে। ছেলেমেয়েরা ডানামেলা প্রজাপতির মত ভেসে বেড়াচ্ছে দু’চোখ ভরা স্বপ্ন নিয়ে। এই দিনই তো শেষ নয়, আরও দিন আছে। চলো, আমরা সবাই সেই সুন্দর আগামী গড়ে তোলার জন্য দায়িত্ব নেয়ার প্র¯ুÍতি নেই।
লেখক : সংগঠক-প্রাবন্ধিক
[email protected]
০১৭১১-৫২৬৯৭৯