বহিরাগতদের ডিএনসিসি ছাড়ার নির্দেশ ইসির

বহিরাগতদের ডিএনসিসি ছাড়ার নির্দেশ ইসির

আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) উপ-নির্বাচন উপলক্ষে মঙ্গলবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টার মধ্যে বহিরাগতদের ভোটের এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

সোমবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবুল কাসেম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ডিএনসিসিতে মেয়র পদে উপ-নির্বাচন হবে। নির্বাচনের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে বহিরাগতদের মঙ্গলবার রাত ১২টার মধ্যে ভোটের এলাকা ছাড়তে হবে।
 
ছাত্র-ছাত্রীদের ক্ষেত্রে করণীয় কী হবে এমন প্রশ্নের জবাবে রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাসেম বলেন, যাদের বাড়ি ঢাকার বাইরে কিন্তু পড়াশোনা করতে ডিএনসিসিতে থাকেন তাদের জন্য এই নির্দেশনা বলবৎ হবে না। তারা মেস বা হোস্টেলে থাকতে পারবেন। এ নির্দেশনা কেবল তাদের জন্য, যারা এখানে কোনো কাজ করছেন না অথবা যারা সন্ত্রাসী বা সন্ত্রাস করতে পারেন।
 
‘‌আমাদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও বোঝেন, কারা সন্ত্রাসী। তাই সেভাবেই তারা ব্যবস্থা নেবেন,’ যোগ করেন তিনি।
 
আবুল কাসেম বলেন, নির্বাচনের দিন ডিএনসিসিতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এদিন উত্তর সিটির কোনো অফিস খোলা থাকবে না। তবে কোনো পাবলিক পরীক্ষা থাকলে, সে পরীক্ষা যথা নিয়মেই চলবে।
 
ভোটের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। কোনো ধরনের অনিয়ম মেনে নেওয়া হবে না। কোথাও কোনো অনিয়ম হলে সঙ্গে সঙ্গে সেই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ বন্ধ করে দেওয়া হবে।
 
প্রতি সাধারণ কেন্দ্রে বিভিন্ন বাহিনীর ১৯ জন করে এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ২৩ জন করে ফোর্স মোতায়েন থাকবে।
 
এছাড়া নির্বাচনে পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) ও আনসার সমন্বয়ে মোট ২৭টি মোবাইল টিম এবং ১৮টি স্ট্রাইকিং ফোর্সসহ র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) ২৭টি টিম, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ২৫ প্লাটুন মোতায়েন থাকবে।

এদিকে নির্বাচনের আচরণবিধি প্রতিপালন ও অনিয়মের শাস্তি প্রদানে ৫৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং আরও ২৪ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত থাকবেন।
 
২৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) নতুন ১৮টি ওয়ার্ডেও ভোটগ্রহণ হবে। এ নির্বাচনেও একইহারে বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন থাকবে।
 
ডিএনসিসি নির্বাচনে মোট পাঁচজন প্রার্থী মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আর কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১২৪ জন প্রার্থী এবং ডিএসএসির কাউন্সিলর পদে ১২৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।