বগুড়া-নওগাঁ-সান্তাহার মহাসড়কের ওপর বিভিন্ন স্থানে হাটবাজার

বগুড়া-নওগাঁ-সান্তাহার মহাসড়কের  ওপর বিভিন্ন স্থানে হাটবাজার

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়া-নওগাঁ ও সান্তাহার মহাসড়কের আদমদীঘি সদর মুরইল, সাহাপুকুর, চৌমুহনিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সড়কের উপড় হাটবাজার বসায় যানজটের সৃষ্টির পাশাপশি যাত্রী ও পথচারীদের চলাচলে মারাত্মক ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। পশ্চিম বগুড়ার মহাসড়কে প্রতিদিন কোন না কোন স্থানে হাট ও বাজার বসে থাকে। ভুক্তভোগীরা মহাসড়কের উপর থেকে হাটবাজার সরিয়ে প্রকৃত হাটের জায়গায় হাটবাজার বসানোর আহবান জানিয়েছেন।বগুড়া-নওগাঁ ও সান্তাহার মহাসড়কের বগুড়ার গোদারপাড়া থেকে শুরু করে কাহালুর মুরইল, দর্গাহাট, বিবির পুকুর, দুপচাঁচিয়ার বাজারদীঘি, চৌমুহনি, শাহারপুকুর, আদমদীঘি সদর, মুরইল, সান্তাহার রাধাকান্ত হাট বসে।

এই মহাসড়কের উপর প্রায় প্রতিদিন কোন না কোন স্থানে হাট ও বাজার বসানো হয়। শনিবার ও মঙ্গলবার আদমদীঘি সদর, সাহারপুকুর, শুক্রবার ও সোমবার চৌমুহনি, নসরতপুর ও অন্যান্য দিনে কোন না কোন স্থানে মহাসড়কের উপর আলু মরিচসহ কাঁচা মালের হাট ও বাজার বসানো হয়। আবার গোদারপাড়াসহ কয়েকটি স্থানে প্রতিদিন বাজার বসানো হয়ে থাকে। মহাসড়কের উপর প্রতিদিন হাটবাজার বসানোর ফলে এক দিকে যেমন যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে, অন্যদিকে স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রী ও পথচারীসহ সাধারণ মানুষদের চলাচলে সড়ক দুর্ঘটনাসহ মারাত্মক ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। বিশেষ করে দূরপাল্লার বাস যাত্রীদের সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এই জনগুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক দিয়ে প্রতিদিন ঢাকা, চট্টগ্রাম সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শত শত বাস ট্রাক তেলের লরিসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করে থাকে। কিন্তু মহাসড়কের উপর প্রায় প্রতিদিন হাটবাজার বসায় যানবাহন সঠিক সময়ে নির্বিঘেœ চলাচল করতে পারে না।

বাস যাত্রী জিল্লুর রহমান, ফরিদুল, আব্দুর মোমিন, সাহিদা বেগমসহ অনেকের অভিযোগ স্থানীয় প্রশাসনের নজরদারিসহ মহাসড়কে দুর্ঘটনা এড়াতে ও সময়ের মূল্য দিতে রাস্তার উপড় হাটবাজার বসানো বন্ধ করা দরকার। মিজানুর রহমান, ভুট্টু মিয়া, আব্দুর রহমানসহ অনেক হাটুরিয়া জানায়, সংশ্লিষ্ট হাট ইজারাদার হাটের প্রকৃত জায়গায় হাটবাজার না বসিয়ে মহাসড়কের উপর বসিয়ে টোল আদায় করেন। রাস্তার উপর থেকে হাটবাজার স্থানান্তর করে প্রকৃত স্থানে বসিয়ে মালামাল বেচাকেনার ব্যবস্থা করতে পারেন। মহসড়কের উপর থেকে হাট ও বাজার সরানোর জন্য ভুক্তভোগীরা আহবান জানান।