প্রান্তজনের চোখ দিয়ে দেখুন

প্রান্তজনের চোখ দিয়ে দেখুন

আতাউর রহমান মিটন: প্রান্তজনের কথা কি কেউ শোনে? দেশের বেশিরভাগ মানুষ অর্থনীতির বিবেচনায় প্রান্তিক সীমায় বাস করেন, অর্থাৎ নি¤œবিত্ত বা দরিদ্র জনগোষ্ঠী। দেশের ৫% কোটিপতি বা সম্পদশালী মানুষদের কথা বাদ দিলে বেশিরভাগ মানুষই কোনরকমে দিনাতিপাত করেন। তারা বাজেটকে দেখেন ‘গজব’ হিসেবে। কারণ, বাজেট হলেই তাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিষপত্রের দাম বেড়ে যায়। এবারও তাই হয়েছে। সরকার বারবার করে বলা সত্বেও বাজেট পরবর্তি বাজার সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেই। আর এ দেশে জিনিষপত্রের দাম একবার বাড়লে তা কমার কোন দৃষ্টান্ত নেই। ব্যতিক্রম শুধু কৃষিপণ্যে!
আগামী ৩০ জুন পরবর্তি এক বছরের জাতীয় বাজেট পাশ হবে। বাজেট উত্থাপিত হওয়ার পরে বিভিন্ন গোষ্ঠী বাজেটকে ঘিরে তাদের মতামত তুলে ধরেছেন এবং সরকারের কাছে নিজেদের শ্রেণী ও পেশার স্বার্থে দাবি জানিয়েছেন। সরকার তাদের কথায় কতখানি কর্ণপাত করেছে তা বোঝা যাবে ৩০ জুন। তবে অতীতের অভিজ্ঞতা বলে, সরকার তাই করবে যা তাদের মনে আছে। আমরা অতীতেও দেখেছি সরকারের আচরণ হচ্ছে, ‘আমার কথা আমি কই, তোদের শুধু জিগায়া লই’। একটা প্রভুসুলভ, কর্তৃত্ববাদী মনোভাব নিয়েই সরকারগুলি পরিচালিত হয়। তারা জনগণের বিভিন্ন অংশের কথা কেবল তখনই শোনেন যখন সেটা একটা আন্দোলনের রূপ নেয়। আন্দোলন ছাড়া সরকারের কাছে কিছু পাবার কোন নিদর্শন সাধারণতঃ দেখা যায় না।
যদিও সরকারের যাঁরা থাকেন তাঁদের বক্তব্য-বিবৃতি একেবারেই অন্য কথা বলে! যেমন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘রাষ্ট্রের প্রতিটি অর্থ জনগণের অর্থ, সেটা মনে রাখতে হবে। আজকে আমরা বেতন-ভাতা যা কিছুই পাচ্ছি, তা আমাদের দেশের কৃষক-শ্রমিক মেহনতি জনতার ঘামে উপার্জিত অর্থ। কাজেই তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন করা, তাদের উন্নতি করাটাই আমাদের লক্ষ্য।’ গত ২৩ জুন রাজধানীর শাহবাগে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমিতে ১১০, ১১১ এবং ১১২তম আইন ও প্রশাসন কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে সনদপ্রাপ্তনবীন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি একথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের নবীন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেছেন, ‘আপনাদের কাজটাকে শুধু চাকরি হিসেবে নিলে হবে না। দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য, দেশপ্রেম ও কর্তব্যনিষ্ঠা নিয়ে কাজ করতে হবে।’অন্য একটি অনুষ্ঠানে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘আমাদের মনে রাখতে হবে, উন্নয়ন মানে পকেটভর্তি টাকা নয়। উন্নয়ন হলো জীবনযাত্রার উন্নয়ন, আইন মানার সংস্কৃতি তৈরি করা।’
শুনতে ভাল লাগলেও প্রশ্নটা থেকেই যায়। বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থায় আমরা কি আইন মানার সংস্কৃতি তৈরি করতে পারছি? আমাদের বর্তমানের রাজনীতি কি আইন মানার প্রতি শ্রদ্ধাশীল? আমাদের রাষ্ট্র এবং সরকারের সবচেয়ে বড় আইন হচ্ছে আমাদের সংবিধান। সেই সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৯ এ বলা হয়েছে, ‘(১) সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করিতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হইবেন। (২) মানুষে মানুষে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসাম্য বিলোপ করিবার জন্য, নাগরিকদের মধ্যে সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করিবার জন্য এবং প্রজাতন্ত্রের সর্বত্র অর্থনৈতিক উন্নয়নের সমান স্তর অর্জনের উদ্দেশ্যে সুষম সুযোগ-সুবিধাদান নিশ্চিত করিবার জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।’যদিও সংবিধানই সবচেয়ে বড় আইন এবং সেই আইনে রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করা এবং মানুষে মানুষে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসাম্য বিলোপ করা, নাগরিকদের মধ্যে সম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে, তবু বিগত ৪৮ বছরের শাসন ব্যবস্থায় আমরা সেটা নিশ্চিত করতে পারিনি। আমরা সংবিধানের এই ধারাটুকুকে যেন ‘বাক্সবন্দী’ করে রেখেছি।
আমাদের অর্থনীতি ও সমাজ এখনও প্রান্তজন বান্ধব নয়। এখানে অনেকের কাছেই উন্নয়নের অর্থ ‘নিজের পকেটভর্তি টাকা’, তার ছোট্ট একটা প্রমাণ রূপপুরের ‘বালিশ কাহিনী’। আরও প্রমাণ জাতীয় সংসদে গত শনিবারে মাননীয় অর্থমন্ত্রীর দেয়া ৩০০ জন ঋণ খেলাপীর তালিকা। দেশের মাত্র ৩০০ জন মানুষের কাছে সরকারের মোট পাওনা প্রায় ৫১ হাজার কোটি টাকা, যা আমাদের এ বছরের জাতীয় বাজেটের দশভাগের একভাগ। সংসদে উপস্থাপিত তথ্যানুযায়ী, ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাসের শেষে মোট ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের কাছে সরকারের মোট পাওনা রয়েছে এক লাখ দুই হাজার ৩১৫ কোটি টাকা। যদিও এই তালিকা নিয়েও প্রশ্ন আছে তারপরেও মোট খেলাপির প্রায় অর্ধেক টাকা পাওয়া যাবে মাত্র ৩০০ জনের কাছে। এর বাইরে যাঁরা ঋণ পুনঃ তফসিল করে খেলাপীর খাতা থেকে নিজেদের নাম কেটে ফেলতে সমর্থ হয়েছেন তাদের কাছে পাওনার পরিমাণ যোগ দিলে দেশের গুটিকয়েক মানুষের কাছে রাষ্ট্রের মোট পাওনার পরিমাণ আরও বেড়ে যাবে। এই টাকা কার টাকা? মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী এই টাকা জনগণের। এই টাকা আপনার, আমার, সবার। অর্থাৎ দেশের জনগণের টাকা মুষ্টিমেয় মানুষ ঋণ নিয়েছেন কিন্তু পরিশোধ করেন নি।
নিন্দুকেরা বলেন, ঋণ নিয়ে শোধ না দেয়া এই টাকাগুলো যতটা না দেশের উৎপাদনশীলতায় ব্যবহৃত হয়েছে তার চেয়ে ঢের বেশি ব্যবহৃত হয়েছে দেশে-বিদেশে শতকোটি টাকার বাড়ি, আয়েশি জীবন ও বিদেশের ব্যাংকে পাচার এর কাজে। জনগণের এই টাকা নিয়ে দেশে বিনিয়োগ করা হলে বাংলাদেশের মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও বেড়ে যেত, মানুষের জীবনযাত্রার মান আরও উন্নত হতো। বর্তমান সরকার জাতীয় সংসদে ঋণ খেলাপিদের তালিকা প্রকাশ করে নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করেছেন কিন্তু রাজনৈতিক বিবেচনায় এই ঋণখেলাপীদের প্রতি শিথীলতা দেখানো হলে তা হবে সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্তদের শপথ ভঙ্গের সামিল। আমরা সেটা চাই না। আমরা চাই সরকার সুশাসনের স্বার্থে স্বচ্ছ অবস্থান নিবেন এবং প্রকৃত তথ্য জনগণকে জানার সুযোগ করে দেবেন। ঋণখেলাপীদের প্রতি কঠোর অবস্থান না নিলে ব্যাংকের টাকা নিয়ে শোধ না দেবার প্রবণতা রোধ করা যাবে না। অর্থনীতির গতিশীলতার স্বার্থেই হয়তো ঋণ পুনঃতফসিল করতে হয় বা করতে হবে কিন্তু সেখানে রাজনৈতিক পরিচয় মুখ্য হওয়াটা হবে আত্মঘাতি। ব্যাংকগুলোতে তারল্য সংকট বেড়ে গেলে দেশে সামগ্রিক বিনিয়োগ পরিস্থিতিতে স্থবিরতা দেখা দেয়, চঞ্চলতা তৈরি হয় পুঁজি বাজারে, ক্ষতিগ্রস্ত হয় সামষ্টিক অর্থনীতি।
বাংলাদেশের জনগণ দীর্ঘদিন থেকে সরকারের কাছে সুশাসনের নিশ্চয়তা চেয়ে দাবি জানিয়ে আসছে। ক্ষমতাসীন সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারেও সুশাসন প্রতিষ্ঠার ঘোষণা অগ্রাধিকার পেয়েছে। সরকার দুর্নীতিকে ‘জঙ্গিবাদ’ এর সাথে তুলনা করে দুর্নীতি নির্মূলে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণার কথা বলেছেন। আমরা সাধারণ মানুষ সরকারের শীর্ষ ব্যক্তিদের এই ঘোষণাগুলোর কথা জেনে আশাবাদী হই। আমরা সরকারের কথা ও কাজের মধ্যে সমন্বয় ও মিল দেখতে চাই। আমরা এগিয়ে যেতে উন্নত বাংলাদেশের পথে। বাংলাদেশ একদিন উন্নত হবেই, আমাদের কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না, এই স্বপ্নের রথে আমরাও আস্থা নিয়ে উঠে পড়তে চাই। সরকার আন্তরিক হোন, সহায়ক পরিবেশ গড়ে তুলুন এবং জনগণকে বলুন কি করতে হবে। জনগণের মাথায় কাঁঠাল ভেঙে খাওয়ার রাজনীতি বাদ দিয়ে তাঁদের এগিয়ে নিয়ে যাবার যে কোন কর্মসূচিতে দেশের জনগণ ঝাঁপিয়ে পড়তে প্রস্তুত তাতে কোন সন্দেহ নেই। বাংলাদেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় এগিয়ে যেতে চায়, তাদের সাথী করুন।
সিপিডিসহ দেশের অনেকগুলো সংগঠনই বলছে বর্তমান বাজেট প্রস্তাবনা দেশের নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের জীবনযাত্রার খরচ বাড়াবে। আমাদের সংবিধান যেখানে মানুষে মানুষে সুযোগের সমতা নিশ্চিত করার কথা বলছে সেখানে সরকারের বাজেটে ধনী-দরিদ্র বৈষম্য আরও বেড়ে যাওয়ার আশংকা করা হচ্ছে। এই বাজেট বড় ব্যবসায়ীদের সুবিধা দিলেও দেশের সাধারণ ব্যবসায়ীদের সুরক্ষা দিবে না।  এটা সত্য যে, বাংলাদেশের অর্থনীতি মজবুত হচ্ছে, দেশের মানুষের আয় বাড়ছে কিন্তু সামাজিক বিশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা সেই তুলনায় কমছে না। তৃণমূলে উন্নয়ন করতে চাইলে তৃণমূলের মানুষদের ক্ষমতায়ন ও সক্ষমতা বাড়াতে হবে। তাদের প্রশিক্ষণ ও রেয়াতী সুদে ঋণ প্রদান করতে হবে। এটা সত্য যে, প্রান্তজনের দৃষ্টিভঙ্গীর সাথে সরকারের নীতি নির্ধারকদের দৃষ্টিভঙ্গীর পার্থক্য রয়েছে। দেশের প্রান্তজনেরা হাটে, মাঠে-ঘাটে থাকেন, রোদে-বৃষ্টিতে ভিজে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখেন পক্ষান্তরে সমাজের সুবিধাভোগীরা দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা করেন শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত সুরম্য অট্টালিকায় বসে। উন্নয়ন পরিকল্পনা করার সময়ে তাদের সামনে আমেরিকান ধনকুবের বা মধ্যপ্রাচ্যের শেখদের বিলাসী জীবনের ছবি থাকে, সম্ভবতঃ প্রান্তজনের মুখ নয়। এই নীতি নির্ধারকেরা যদি খেটে-খাওয়া সাধারণ মানুষের চোখ দিয়ে দেখতেন, যদি হৃদয় দিয়ে তাদের অনুভব করতেন তাহলে দেশের প্রয়োজনে কোন কাজটা আগে করা দরকার সেটা হয়তো অনুধাবন করতেন। দৃষ্টিভঙ্গীর এই শ্রেণী বিভাজন পরিবর্তন করতে হবে। প্রান্তজনের মুখটা সামনে থাকলে তখন তাদের জন্য পরিকল্পনা করা সহজতর হবে।
সরকারের সমালোচনাকে কেবল বিরোধিতা হিসেবে দেখা উচিত নয়। সরকারের সমালোচনাকারীদের অনেকেই সরকারের বন্ধু। দেশে বিনিয়োগ কাঙ্খিত মাত্রায় হচ্ছে না এটা তো মিথ্যা নয়! কেন হচ্ছে না? বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন দেশে যাচ্ছেন এবং বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানাচ্ছেন। ইপিজেড এর সংখ্যা বৃদ্ধির মাধ্যমে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির জন্য সরকারের পক্ষ থেকে উদ্যোগ রয়েছে। কিন্তু দেশের ভেতরে সুশাসনের ঘাটতি এবং অবকাঠামোর দুর্বলতা, বিশেষ করে সীমাহীন যানজট এবং নিরাপত্তাহীনতা বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতা সৃষ্টি করছে। বিনিয়োগ বাড়লে কর্মসংস্থান বাড়বে, দেশের মানুষের আয় বাড়বে এবং প্রবৃদ্ধি অর্জিত হবে। ত্ইা প্রান্তজনের স্বার্থেই বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিশেষ পরিকল্পনা নিতে হবে। বিশেষ করে গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে সহায়ক ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মত প্রকল্পগুলোতে সহায়তা বাড়াতে হবে।  গ্রামেও অনেক মেধাবী উদ্যোক্তা রয়েছেন। আমাদের তরুণদেরকে শুধুমাত্র চাকরির মানসিকতা থেকে বের করে এনে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার জন্য প্রশিক্ষণ দিতে হবে এবং তাদেরকে সহজ শর্তে রেয়াতি হারে ঋণ পাবার সুযোগ দিতে হবে।
বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এই গতিকে আরও বেগবান করতে প্রান্তজন সহায়ক বাজেট বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে। দেশের ইউনিয়ন পরিষদগুলোকে শক্তিশালী করার কোন বিকল্প নেই। প্রতিটি ইউনিয়নের উন্নয়ন সম্ভাবনাগুলো চিহ্নিত করে, সেই সম্ভাবনাগুলোকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের জীবনমান উন্নয়নে জনগণের মধ্যে স্বপ্ন তৈরি এবং জনঅংশগ্রহণে পুঁজি সন্নিবেশিত করে সরকার-বেসরকারি অংশীদারিত্বে টেকসই উন্নয়নের নতুন ধারা তৈরির জন্য সরকারের কাছে আমরা উদাত্ত আহ্বান জানাই। বাংলাদেশের প্রান্তজনের অবস্থা উন্নয়নে সমবায়ভিত্তিক উদ্যোগ গ্রহণকে উৎসাহিত করতে হবে।  বিরাট উন্নতির পরিকল্পনা যেন বিরাট ধ্বস এর কারণ না হয় সে ব্যাপারে সাবধানতা অবলম্বনের অনুরোধ জানাই।
হতাশা মাদককে হাতছানি দেয়। বেকারত্ব বাড়ায় হতাশা। সুশাসনের অভাবও মাদকের দুয়ার খুলে দেয়। টেকনাফের বড় হুজুরের কৃপায় সারাদেশ আজ ইয়াবার জমিনে পরিণত হয়েছে। ঠাকুরগাঁও-এ এক পুলিশ কর্মকর্তাকে ইয়াবা বিক্রির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। এমন রোমহর্ষক অনেক কাহিনী আমরা সকলেই জানি। আমরা হতাশা নির্মূলের মত বাস্তবসম্মত কর্মসূচি চাই। সরকারের কাছে কঠোরতা কামনা করি। উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার পথে বাধাসমূহ অপসারণে সরকারের আন্তরিকতা কামনা করি।
লেখক : সংগঠক-প্রাবন্ধিক
[email protected]
০১৭১১-৫২৬৯৭৯