প্রথম রাউন্ডে পিচ করলো দেশের ১৬টি দল

প্রথম রাউন্ডে পিচ করলো দেশের ১৬টি দল

চলমান এশিয়া প্যাসিফিক আইসিটি অ্যাওয়ার্ড- ২০১৯ (এপিকটা) এ অংশ নিয়েছে বাংলাদেশের ৩২টি দল। প্রতিযোগিতার জাজিং রাউন্ডের প্রথম দিনে নিজেদের প্রকল্প উপস্থাপনা করেছে ১৬টি দল।


এছাড়াও ভিয়েতনামসহ এপিকটা অন্তর্ভুক্ত অন্য ১৪টি রাষ্ট্রের আরও ১২১টি দেশ প্রথম রাউন্ডে নিজেদের প্রেজেন্টেশন বা পিচ উপস্থাপন করে। 

বুধবার (২০ নভেম্বর) সকালে থেকে শুরু হয় পিচিং সেশন। বাংলাদেশের দলগুলোর মধ্যে প্রথমেই পিচিং নির্ধারিত ছিল এইচএমটি সফটের প্রকল্প ‘এনএসইউয়ার’ এর জন্য। টেরিটরি স্টুডেন্ট বিজনেস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল ক্যাটাগরিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তারা। এ ক্যাটাগরিতে তাদের অপর তিন প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ছিল চীনের মাল্টি ফাংশনাল ইন্টেলিজেন্ট ডিটেকশন কার, হংকং এর টক ট্যাগ এবং ফাইন্ডিং মিনি।
 .বাংলাদেশের অন্যান্য টিমগুলোর মধ্যে কনজিউমার মিডিয়া অ্যান্ড ট্যুরিজম ক্যাটাগরিতে ডিজিটাল এন্টারটেইনমেন্ট ব্র্যান্ড র‌্যাবিট হোল, আইসিটি বিভাগের এক শপ, ইন্টেলিজেন্ট কম্পিউটার ভিশন টেকনোলজি ফর ভিডিও এনালিটিক্স, কনজিউমার ব্যাংকিং অ্যান্ড মার্কেটিং ক্যাটাগরিতে কমজেন, লংকা বাংলা ফাইন্যান্সিয়াল পোর্টাল, সিএমইডি ডিজিটাল প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিস মডেল,  ইনকলুশন এডুকেশন ক্যাটাগরিতে ইয়োডা, বিজনেস সার্ভিস আইসিটি অ্যান্ড সিকিউরিটি সল্যুষন ক্যাটাগরিতে হেলো টাস্ক লিমিটেড, বিজনেস সার্ভিস ফাইন্যান্স অ্যান্ড অ্যাকাউন্টিং সল্যুশন ক্যাটাগরিতে মাইক্রজেন, ফার্মা ক্যাশ, বিজনেস সার্ভিস মার্কেটিং এ লিসেঞ্জেন, পাবলিক সেক্টর ডিজিটাল গভর্নমেন্ট ক্যাটাগরিতে ই- নথি ফর এক্সেস টু ইনফরমেশন, ন্যাশনাল আইসিটি ইনফ্রা, ডি আরএমএস, পাওয়ার এনালিটিকস, স্টুডেন্ট (সিনিয়র) ক্যাটাগরিতে দ্য ফার্মার্স ফ্রেন্ডলি পোর্টেবল সয়েল টেস্টিং ডিভাইস, রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ক্যাটাগরিতে উই সার্চ এবং স্টার্টআপ ক্যাটাগরিতে ইজি জবস, ইন্টেলিজেন্ট কম্পিউটার ভিশন টেকনোলজি ফর ভিডিও এনালিটিক্স। 

জাজিং রাউন্ডের প্রথম পর্বে পিচ করা ফার্মা ক্যাশের নির্বাহী পরিচালক ইমরান ফাহাদ বলেন, এ ধরনের আয়োজনের মধ্যে দিয়ে আমরা গ্লোবাল কমিউনিটির সঙ্গে পরিচিত হতে পারি। তাদের সম্পর্কে জানতে পারি। পুরস্কার গুরুত্বপূর্ণ তবে সেটা না হলেও নেটওয়ার্কিং হচ্ছে, সেটাও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। আমরা আশা করছি এবারের আসরে আমরা ভালো কিছু করবো। 

প্রথম দিনে বাংলাদেশ দলগুলো ভালো করেছে বলে জানান বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এর পরিচালক দিদারুল আলম সানি। এবারের আসরে বিচারকের দায়িত্বও পালন করছেন তিনি। সেই অভিজ্ঞতা থেকে সানি  বলেন, আমাদের দলগুলো ভালো করছে। আমার গ্রুপে মাটির প্রাণের স্মার্ট সয়েল টেস্টিং ডিভাইস পিচ করেছে। তাদের বেশ আত্মবিশ্বাসী প্রেজেন্টেশন ছিল। তারা ছাড়াও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মতো কিছু প্রজেক্ট আমাদের রয়েছে। আর যারা অন্যদের তুলনায় কিছু দুর্বল অবস্থায় রয়েছে বা পুরস্কার পাবে না, তারা অন্যদের শক্তিমত্তা, সামর্থ্য সম্পর্কে জানতে পারবে। এটাও অনেক বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ একটি অর্জন হবে তাদের জন্য। পুরস্কারই তো বড় কথা না, তাদের সঙ্গে কানেকটেড হতে পারবে। 

বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) বাংলাদেশের বাকি ১৬টি দল নিজেদের উপস্থাপনা তুলে ধরবে। যথারীতি সকাল সাড়ে আটটা থেকে শুরু হবে পিচিং। 

প্রতিটি দল নিজেদের উপস্থাপনার জন্য ২৫ মিনিট করে সময় পাচ্ছে এ প্রতিযোগিতায়। এর মধ্যে প্রথম পাঁচ মিনিট ডিভাইস স্থাপনের জন্য, ১০ মিনিট উপস্থাপনা দেওয়া এবং পরবর্তী ১০ মিনিট বিচারকদের জিজ্ঞেস করা প্রশ্নোত্তর পর্বের জন্য নির্ধারিত।