প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের যে বিষয়টি অবাক করেছে রমিজ রাজাকে

প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের যে বিষয়টি অবাক করেছে রমিজ রাজাকে

রমিজ রাজা একটা সময় বাংলাদেশ দলের কট্টর সমালোচক ছিলেন। তবে দিন বদলেছে। গত কয়েক বছর ধরে টাইগারদের ক্রিকেটে উত্থান নিজের চোখেই দেখেছেন পাকিস্তানের এই সাবেক ক্রিকেটার ও জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার।

এখন মাঝেমধ্যেই বাংলাদেশের প্রশংসা করেন তিনি। প্রশংসা করলেন লাহোরে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে টাইগারদের হারের পরও। রমিজ রাজার মতে, এত কম পুঁজি নিয়েও বাংলাদেশ যে লড়াই করেছে, তাতে প্রশংসা করতেই হয়।

ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে হাতে পর্যাপ্ত উইকেট থাকার পরও ৫ উইকেটে ১৪১ রানের বেশি এগোতে পারেনি বাংলাদেশ। জবাবে পাকিস্তানও যে হেসেখেলে জিতেছে, এমন নয়। ১৪২ রান তাড়া করতে শেষ ওভার পর্যন্ত খেলতে হয়েছে স্বাগতিকদের। ইনিংসের ৩ বল বাকি থাকতে জয় পায় স্বাগতিকরা।

ম্যাচ শেষে বাংলাদেশি সমর্থকদের আফসোস লাগছে বৈ কি! ইশ, আরেকটু রান যদি বোর্ডে জমা করা যেতো! বোলাররা তো দলকে জেতাতে যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন। টাইগার বোলারদের লড়াকু মানসিকতার প্রশংসা করছেন রমিজ রাজাও।

পাকিস্তানের সাবেক এই ক্রিকেটার বলেন, ‘অবশ্যই বাংলাদেশের প্রশংসা করতেই হয়। ছোট একটি টার্গেটকে তারা শেষ পর্যন্ত নিয়ে যেতে পেরেছে। তাদের বোলারদের কৃতিত্ব দিতে হবে।’

একটা সময় একাদশে দুই থেকে তিনজন বাঁহাতি স্পিনার খেলানো যেন রীতি ছিল বাংলাদেশ দলের। তবে ইদানীং তেমনটা দেখা যাচ্ছে না। সাকিব আল হাসান থাকলে অলরাউন্ডার কোটায় খেলেন, তিনি বাঁহাতি স্পিনার।


এবার তো সাকিবও নেই। তার বিকল্প হিসেবে কোনো বাঁহাতি স্পিনার নিয়ে যায়নি বাংলাদেশ দল। স্বভাবতই পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ছিল না কোনো বাঁহাতি স্পিনার। এই বিষয়টি আলাদা করেই চোখে পড়েছে রমিজ রাজার।

তিনি বলেন, ‘আমাকে অবাক করেছে তাদের দলে একজন বাঁহাতি স্পিনারও ছিল না। সবমিলিয়ে বাবর আজমের জন্য এই জয় খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিলো। হারিস রউফও দারুণ খেলেছে, এহসান আলীও। জয় তো জয়ই হয়।’