প্রত্যাশা ছাড়িয়েছে প্রবৃদ্ধি

প্রত্যাশা ছাড়িয়েছে প্রবৃদ্ধি

চলতি ২০১৭-১৮ অর্থ বছর শেষে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি বেড়ে হবে ৭ দশমিক ৬৫ শতাংশ। যা বাজেট ঘোষণার প্রবৃদ্ধির চেয়েও বেশি। কারণ সরকার চলতি বাজেটে ৭ দশমিক ৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা প্রাক্কলন করেছে। গত অর্থ বছর প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৭ দশমিক ২৮ শতাংশ। চলতি অর্থ বছরের প্রথম নয় মাসের অর্থনীতির প্রকৃত বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ এবং তিন মাসের অনুমান করে বিবিএস জিডিপির প্রবৃদ্ধি ও মাথা পিছু আয়ের এ পরিসংখ্যান করেছে। টানা ছয় বছর বাংলাদেশের জিডিপি বেড়েছে ৬ শতাংশেরও বেশি হারে। দেশি-বিশ্লেষকদের মতে, অর্থনীতির এ গতি অব্যাহত থাকবে। এর আগে ঋণ মান সংস্থা মুডিসও বলছে, বাংলাদেশের অর্থনীতি এমন শক্তিশালীই থাকবে। তাদের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচনে তৈরি পোশাক খাত ও এনজিগুলোকে কৃতিত্ব দেওয়া হয়েছে। দারিদ্র্য বিমোচনে তৈরি পোশাক খাত অবদান রাখলেও সামগ্রিকভাবে কৃতিত্ব বাংলাদেশের পরিশ্রমী মানুষের। বিশেষত কৃষকের। যারা ক্ষুদ্র আয়তনের এই দেশের সীমিত জমিতে ফসল ফলিয়ে দেশকে খাদ্যে প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে নিয়ে গেছেন। জাতিসংঘও গত ১৭ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার স্বীকৃতিপত্র প্রদান করেছে। গত সেপ্টেম্বরে যুক্তরাজ্যের প্রভাবশালী সংবাদ মাধ্যম দি ইকোনমিস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে মাথা পিছু জিডিপিতে পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ। তা প্রতিবেদনে আরো বলা হয় অর্থনৈতিক অগ্রগতি উদযাপনের একটি ভালো সময় এখন পার করছে বাংলাদেশ। এখনো অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে এগোচ্ছে বাংলাদেশ। এই অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে হলে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সবাইকে ভূমিকা রাখতে হবে।