প্রকাশক বাচ্চু হত্যার দুই সন্দেহভাজন ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

প্রকাশক বাচ্চু হত্যার দুই সন্দেহভাজন ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি : মুন্সিগঞ্জে প্রকাশক শাহজাহান বাচ্চুকে হত্যার ঘটনার দুই সন্দেহভাজন পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ২টার দিকে শ্রীনগর উপজেলার হাষাড়া কেসি রোডে পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলির ওই ঘটনা ঘটে বলে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী মাকসুদা লিমার ভাষ্য। মুন্সীগঞ্জ পুলিশের জেলা ইন্টেলিজেন্স অফিসার (ডিআইও-১) মো. নজরুল ইসলাম বলছেন, নিহত কাকা ওরফে বোমা শামিম এবং এখলাস নিষিদ্ধ জঙ্গি দল জেএমবির সদস্য। ‘তারা দুজনেই সিরাজদিখানের ব্লগার বাচ্চু হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিল বলে আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে।’ শাহজাহান বাচ্চু হত্যার ঘটনার প্রধান সন্দেহভাজন আবদুর রহমানও গত জুন মাসের শেষ দিকে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন। গত ১১ জুন বিকালে সিরাজদিখান উপজেলারর কাকালদী মোড়ে দুটি মোটরসাইকেলে করে আসা চারজন বিশাখা প্রকাশনীর মালিক শাহজাহান বাচ্চুকে (৫৫) গুলি করে হত্যা করে। বাচ্চু ছিলেন মুন্সীগঞ্জ জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক। ‘আমাদের বিক্রমপুর’ নামের একটি অনিয়মিত সাপ্তাহিক পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
ওই ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় চারজনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছিল। তবে আবদুর রহমান নিহত হওয়ার পর পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও দুইজনের জড়িত থাকার তথ্য পুলিশ পেয়েছে। মুন্সিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লিমা বলেন, বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ২টার দিকে ঢাকার দিক থেকে মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তিকে শ্রীনগরে মহাসড়কে থামার সংকেত দেয় পুলিশ। কিন্তু তারা সংকেত উপেক্ষা করে মহাসড়কের পাশে হাষাড়া কেসি রোডে ঢুকে পড়ে। পুলিশ ধাওয়া করলে তারা মোটরসাইকেল থেকে গুলি ছুড়তে শুরু করে। পুলিশও তখন পাল্টা গুলি করে। এক পর্যায়ে দুজনেই গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলছেন, এ ঘটনায় পুলিশের দুই এসআই এবং একজন কনস্টেবলও আহত হয়েছেন। নিহত দুই জঙ্গির কাছ থেকে ১১টি ককটেল, একটি পিস্তল, দুটি চাপাতি উদ্ধার করা হয়েছে।