পোশাক কারখানার সংস্কার

পোশাক কারখানার সংস্কার

পোশাক কারখানার সংস্কারে ধীর গতিতে উদ্বেগ জানিয়েছে পোশাক খাতের সংস্কার বিষয়ক ক্রেতা জোট ইউরোপের অ্যাকর্ড অনফায়ার এন্ড বিল্ডিং সেফটি ইন বাংলাদেশ। জোটের উপদেষ্টা কমিটির সভায় বলা হয় ত্রুটি চিহ্নিত কারখানার একটা বড় অংশ এখনও সংশোধনের নির্ধারিত সময়সীমার অনেক পেছনে রয়েছে। ত্রুটি সংশোধনের চলমান এ ধীরগতি উদ্বেগজনক। এ জন্য সংস্কারে যথেষ্ট অগ্রগতি দেখাতে ব্যর্থ এমন ৬০৮ কারখানাকে সতর্কতা নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের পোশাক কারখানার সংস্কার তদারকির দায়িত্বে থাকা ইউরোপীয় ক্রেতাদের জোট অ্যাকর্ড প্রায় সোয়া চার বছরের কার্যক্রম শেষে গত নভেম্বর মাসে একটি অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। তাতে তারা বলে প্রায় দেড় হাজার কারখানার মধ্যে ৯৪৬টি কারখানার আগুন সনাক্তের ব্যবস্থা নাই।

মাত্র ৩১ শতাংশ কারখানায় আগুন চিহ্নিত করা ও ফায়ার অ্যালার্মের যন্ত্রপাতিসহ পর্যাপ্ত ব্যবস্থা থাকলেও বাকি ৬৯ শতাংশ কারখানার ক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত প্রস্তুতির অভাব রয়েছে। কিন্তু সেসব ত্রুটির সংশোধন কাজ যথেষ্ট এগিয়ে পোশাক কারখানার মালিকগণ বলছেন নব্বই শতাংশ কারখানায় আগুন চিহ্নিত করার যন্ত্রপাতি বসানো হয়েছে। কাজের অগ্রগতিতে এখন অ্যাকর্ড সন্তুষ্ট। তারা বলছে প্রাথমিক পরিদর্শনে চিহ্নিত ত্রুটির ৮৪ শতাংশ এরই মধ্যে সংশোধন হয়েছে। এ পর্যন্ত সংশোধন হয়েছে ৭২ হাজার ৮৫২ টি ত্রুটি। প্রাথমিক পর্যায়ে অ্যাকর্ডভূক্ত কারখানার ৮৬ হাজার ৭৮৯টি ত্রুটি ধরা পড়ে। মোট এক হাজার ৬১৯টি কারখানার সংস্কার উন্নয়ন নিয়ে কাজ শুরু করে অ্যাকর্ড। আমাদের ঝুঁকিপূর্ণ কারখানাগুলি যথাসময়ে মেরামত ও সংস্কার করতে হবে। এভাবে একদিকে পোশাক কারখানার নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে। অন্যদিকে পোশাকের ন্যায্য মূল্য পাওয়ার ব্যাপারেও দরকষাকষি অব্যাহত রাখতে হবে।