পেঁয়াজের দামে ঝাঁজ

পেঁয়াজের দামে ঝাঁজ

৪৫-৫০ টাকা থেকে এক লাফে ৭০ এরপর ৭০ থেকে ৮০-৯০, এখন বাজারে ১১০-১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। এভাবে লাফিয়ে লাফিয়ে পেঁয়াজের দাম বাড়ছে। দিন দশেক আগেও ৫০ টাকা কেজি ছিল পেঁয়াজ। গতকাল স্থানীয় বিভিন্ন বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১১০-১২০ টাকা দরে। দাম বাড়ার এই প্রক্রিয়া কোথায় গিয়ে শেষ হবে কেউ জানে না। পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ রেখেছে প্রতিবেশি দেশ ভারত। এতে করে দেশের বাজারে গত চব্বিশ ঘন্টায় অতি প্রয়োজনীয় এ পণ্যটির দাম ১০০ টাকা ছাড়িয়ে গেছে। রাজধানীর পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা বলছেন, চলতি মাসের ১৩ সেপ্টেম্বর ভারত পেঁয়াজের রফতানি মূল্য তিনগুণ বাড়িয়ে দেয়। পরে ১৬ সেপ্টেম্বর কেজি প্রতি দাম বেড়ে ৬০ টাকা থেকে ৬৫ টাকায় ওঠে। এতদিন এ দরেই পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছিল। গত রোববারেও ওই দামে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে। কিন্তু বিকেলে যখন বিভিন্ন মিডিয়ায় খবর আসলো ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করেছে। তারপর থেকেই দাম বাড়তে থাকে। গতকাল সোমবার আমদানি করা পেঁয়াজ (ভারত) রাজধানীতে পাইকাড়ি দরে বিক্রি হচ্ছে ৭৭ থেকে ৮২ টাকা। বার্মা পেঁয়াজ ৭৫ থেকে ৭৭ টাকা। আর দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৮৫ টাকা। তবে ব্যবসায়ীরা জানান, সরকার মিয়ানমার-তুরস্কসহ কয়েকটি দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। এসব পেঁয়াজ বাজারে আসলে দাম কমে যাবে। দাম বাড়লেও বাজারে পেঁয়াজের কিন্তু কোন ঘাটতি নেই, কোন ক্রেতা বেশি দাম দিয়েও পেঁয়াজ কিনতে পারেননি, তেমন ঘটনা কোথাও ঘটেছে বলে আমাদের জানা নেই। টিসিবি রাজধানীতে ৪৫ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করেছে, কিন্তু তা অপ্রতুল। বাজারে তার কোন প্রভাব নেই। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বা সরকারকেই বাজার মূল্য যৌক্তিক পর্যায়ে রাখার জন্য যা যা করা দরকার করতে হবে। দেশের সিংহভাগ স্থির আয়ের মানুষ কতটা বিপদের মুখে পড়ছে, তা উপলব্ধি করে দ্রুত ব্যবস্থা নিন এবং সিন্ডিকেটের কারসাজি বন্ধ করুন।