পুলিশ হোক আরও জনবান্ধব

পুলিশ হোক আরও জনবান্ধব

পুলিশ সদস্যদের আরও জনবান্ধব তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মনে রাখবেন জনগণের টাকায় বেতন-ভাতা থেকে শুরু করে সবকিছু হয়। জনগণের আস্থা বিশ্বাস অর্জনই পুলিশের সবচেয়ে প্রধান দায়িত্ব। আপনারা জনগণের সেবক, জনগণের সেবা করতে এসেছেন। পুলিশ সপ্তাহের উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া এ বক্তব্য খুবই প্রাসঙ্গিক ও তাৎপর্যের দাবিদার। এতে নাগরিকদের প্রত্যাশাই প্রতিফলিত হয়েছে। সাধারণ মানুষ পুলিশকে ‘জনবান্ধব’ হিসেবেই পেতে চায়। মূলত পুলিশ বাহিনীর ওপর দেশের আইন-শৃঙ্খলা এবং জনগণের নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব অর্পিত। তাই বলা হয়, পুলিশ জনগণের বন্ধু, সেবক অথচ বাস্তবতা এর বিপরীত। এটা বাস্তব যে, বাহিনীটির কিছু অসাধু সদস্যের বিরুদ্ধে ঘুষ-দুর্নীতি ও নাগরিক হয়রানির অভিযোগ এবং প্রমাণ সত্ত্বেও আমরা অপরাধের শিকার হলে পুলিশের দ্বারস্থ হই।

কিন্তু নাগরিকদের ভরসার সেই স্থানেও মাঝে মধ্যে আঘাত আসে। দেশের পুলিশ বাহিনীকে জনবান্ধব করতে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় ব্যাপক চেষ্টা চালানো হয়েছে। পুলিশের সঙ্গে যেসব কারণে মানুষকে বিড়ম্বনায় পড়তে হয় তা নিরসনের উদ্যোগ নিতে হবে। অস্বীকার করা যাবে না, পুলিশের নানা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তবুও সব সংকট নিয়েই সততার সঙ্গে কাজ করে যেতে হবে। পুলিশ সদস্যের জন্য যানবাহন সুবিধা বা রেশনের আওতা বাড়ানোর যে দাবি উঠেছে, তা যৌক্তিক বলে আমরা মনে করি। অবাঞ্ছিত রাজনৈতিক চাপ ছাড়াই পুলিশ সদস্যরা যাতে কর্তব্য সম্পাদনের সুযোগ পায় সে বিষয়টিও নিশ্চিত হওয়া দরকার। আমরা চাই, পুলিশ যথার্থই জনগণের বন্ধু হয়ে উঠুক।