পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস

পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস

আবারও প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা ঘটল। এবার মাধ্যমিক ও সমমানের গত শনিবার পর্যন্ত দুটি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। দুটি পরীক্ষাতেই প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটেছে। শুধু প্রশ্নই নয়, ছিল সমাধানও। এসএসসি পরীক্ষার দ্বিতীয় দিনে গত শনিবার ফাঁস হওয়া প্রশ্ন দিয়েই বাংলা দ্বিতীয়পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবক ও পরীক্ষার্থীরা। এ দিকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় এসএসসির বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা বাতিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে কমিটি গঠন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শনিবারের পরীক্ষা শুরুর পৌনে এক ঘন্টা আগে প্রশ্ন ফাঁস হয়ে তা ফেসবুকে চলে আসে। এর আগে বাংলা দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্ন ও উত্তর পাওয়া যাবে তা বিভিন্ন গ্রুপ ও পেজে বিজ্ঞাপন আকারে দেয়া হয়েছিল। শনিবার সকালে পরীক্ষা শুরুর আগে বাংলা দ্বিতীয়পত্রের বহু নির্বাচনী অভীক্ষার ‘খ’ সেটের উত্তরসহ প্রশ্নপত্র পাওয়া যায় ফেসবুকে।

যার সঙ্গে অনুষ্ঠিত হওয়া প্রশ্নপত্রের হুবহু মিল পাওয়া গেছে বলে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে খবর প্রকাশিত হয়েছে। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সম্ভ্রমের ওপর আঘাত হানছে। পরীক্ষা ব্যবস্থার মাহাত্ম্যকেই গিলে ফেলছে একের পর এক পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা প্রশ্নপত্র প্রণয়ন থেকে শুরু করে বিতরণের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের মধ্য থেকেই কোন কোন মহল এই ফাঁসের সঙ্গে সব সময় জড়িত থাকছে। এসব ঘটনায় আমরা বিপন্ন বোধ না করে পারি না। কিন্তু বাস্তবতা যখন, তা আমাদের মোকাবেলা করতেই হবে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের ব্যাধিটি এখন মহামারীর আকার ধারণ করেছে। এই মহামারী রোধে কার্যকর ওষুধ প্রয়োগ না করলে পুরো শিক্ষা ব্যবস্থাই ভেঙে পড়ার আশংকা থেকে যাচ্ছে।