‘পরিকল্পনা অনুযায়ী খেললে পাকিস্তানকে হারানো সম্ভব’

‘পরিকল্পনা অনুযায়ী খেললে পাকিস্তানকে হারানো সম্ভব’

সদ্য শেষ হওয়া বঙ্গবন্ধু বিপিএলে নাজমুল হোসেন শান্ত নিজেকে প্রমাণ করতে পারেননি শুরুর দিকে। যদিও শেষ দিকে এসে জ্বলে উঠেছিল তার উইলো। ১১৫ রান আর ৭৮ রানের দুটি অপরাজিত ইনিংস খেলে আবারও সামনে এসেছে শান্তর নাম।
১১ ম্যাচে একটি শতক আর একটি অর্ধশতকে মোট রান করেছেন ৩০৮। গড় ছিল ৩৪.২২ আর স্ট্রাইক রেট ছিল ১৪৩.৯২।
শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানে তিনটি টি-টোয়েন্টি সিরিজের দলেও জায়গা হয়েছে এই ওপেনারের। গতকাল রোববার থেকে শুরু হয়েছে এই সফরের জন্য অনুশীলন ক্যাম্প। ব্যাটে-বলে নিজেকে ঝালিয়ে নেয়া হচ্ছে শের ই বাংলা স্টেডিয়ামের বাইশ গজে।
আজ সোমবার দলের সঙ্গে অনুশীলনের এক ফাঁকে শান্ত কথা বলেন গণমাধ্যমের সঙ্গে। জানান, এই সিরিজে নিজের পরিকল্পনা।
পাকিস্তান বর্তমান সময়ে টি-টোয়েন্টির এক নম্বর দল। যদিও ঘরের মাঠে সবশেষ সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল শ্রীলঙ্কার কাছে। এক নম্বর দলের সঙ্গে খেলাটা বাংলাদেশ দলের জন্য কতটা এমন প্রশ্নে শান্ত বলেন, এগুলো নিয়ে খুব বেশি চিন্তা করছি না। আমার নিজের যে প্ল্যান আছে ওই অনুযায়ী খেলতে চেষ্টা করব। নিজের যে শক্তি আছে ওই অনুযায়ী যদি খেলতে পারি ওখানেও ভালো করা সম্ভব।
নিজেদের মাঠে পাকিস্তান দুর্দান্ত। এর প্রমাণ দেয়ার সুযোগ কম পেলেও বাংলাদেশকে হারিয়ে সেটার জানান দিতে চায় পাকিস্তান। দলে সুযোগ পাওয়া পাকিস্তানের তরুণরা মুখিয়ে আছে বাংলাদেশকে হারানোর জন্য। এই ব্যfপারটাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিচ্ছেন এই তরুণ টাইগার ওপেনার।
‘অবশ্যই চ্যালেঞ্জিং কিন্তু আমরা একটা দল হিসেবে যদি খেলতে পারি ইনশাআল্লাহ ওখানেও ভালো রেজাল্ট করা সম্ভব। যদিও আমরা খুব বেশি ওদের টিম নিয়ে চিন্তা করতেছি না। আমাদের নিজেদের যে প্ল্যান আছে ওই জায়গাটা আমরা যদি ঠিক রাখতে পারি এখানে ভালো করা সম্ভব বলে আমি মনে করি।’
শান্তর অপেক্ষা একাদশে সুযোগ পাওয়া। টপ-অর্ডারে ব্যাটিং করে থাকলেও দলের প্রয়োজনে যেকোনো পজিশনেই খেলতে চান তিনি।
‘সাধারণত টপ অর্ডারে ব্যাটিং করি। পছন্দের জায়গায় ব্যাটিং করলে তো অবশ্যই ভালো লাগবে। তবে প্রফেশনাল প্লেয়ারের যেখানেই ব্যাটিংয়ের সুযোগ আসবে ওখানেই রান করতে হবে। দেখেন, বড় বড় প্লেয়াররা যেকোনো জায়গায় যেকোনো সিচুয়েশনে ব্যাটিং করে ভালো করার ক্ষমতা রাখে। ওইভাবে আমি চিন্তা করতেছি যে যেখানেই ব্যাটিংয়ের সুযোগ আসবে ওখানেই পারফর্ম করার চেষ্টা করব।’সদ্য শেষ হওয়া বঙ্গবন্ধু বিপিএলে নাজমুল হোসেন শান্ত নিজেকে প্রমাণ করতে পারেননি শুরুর দিকে। যদিও শেষ দিকে এসে জ্বলে উঠেছিল তার উইলো। ১১৫ রান আর ৭৮ রানের দুটি অপরাজিত ইনিংস খেলে আবারও সামনে এসেছে শান্তর নাম।
১১ ম্যাচে একটি শতক আর একটি অর্ধশতকে মোট রান করেছেন ৩০৮। গড় ছিল ৩৪.২২ আর স্ট্রাইক রেট ছিল ১৪৩.৯২।
শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানে তিনটি টি-টোয়েন্টি সিরিজের দলেও জায়গা হয়েছে এই ওপেনারের। গতকাল রোববার থেকে শুরু হয়েছে এই সফরের জন্য অনুশীলন ক্যাম্প। ব্যাটে-বলে নিজেকে ঝালিয়ে নেয়া হচ্ছে শের ই বাংলা স্টেডিয়ামের বাইশ গজে।
আজ সোমবার দলের সঙ্গে অনুশীলনের এক ফাঁকে শান্ত কথা বলেন গণমাধ্যমের সঙ্গে। জানান, এই সিরিজে নিজের পরিকল্পনা।
পাকিস্তান বর্তমান সময়ে টি-টোয়েন্টির এক নম্বর দল। যদিও ঘরের মাঠে সবশেষ সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল শ্রীলঙ্কার কাছে। এক নম্বর দলের সঙ্গে খেলাটা বাংলাদেশ দলের জন্য কতটা এমন প্রশ্নে শান্ত বলেন, এগুলো নিয়ে খুব বেশি চিন্তা করছি না। আমার নিজের যে প্ল্যান আছে ওই অনুযায়ী খেলতে চেষ্টা করব। নিজের যে শক্তি আছে ওই অনুযায়ী যদি খেলতে পারি ওখানেও ভালো করা সম্ভব।
নিজেদের মাঠে পাকিস্তান দুর্দান্ত। এর প্রমাণ দেয়ার সুযোগ কম পেলেও বাংলাদেশকে হারিয়ে সেটার জানান দিতে চায় পাকিস্তান। দলে সুযোগ পাওয়া পাকিস্তানের তরুণরা মুখিয়ে আছে বাংলাদেশকে হারানোর জন্য। এই ব্যfপারটাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিচ্ছেন এই তরুণ টাইগার ওপেনার।
‘অবশ্যই চ্যালেঞ্জিং কিন্তু আমরা একটা দল হিসেবে যদি খেলতে পারি ইনশাআল্লাহ ওখানেও ভালো রেজাল্ট করা সম্ভব। যদিও আমরা খুব বেশি ওদের টিম নিয়ে চিন্তা করতেছি না। আমাদের নিজেদের যে প্ল্যান আছে ওই জায়গাটা আমরা যদি ঠিক রাখতে পারি এখানে ভালো করা সম্ভব বলে আমি মনে করি।’
শান্তর অপেক্ষা একাদশে সুযোগ পাওয়া। টপ-অর্ডারে ব্যাটিং করে থাকলেও দলের প্রয়োজনে যেকোনো পজিশনেই খেলতে চান তিনি।
‘সাধারণত টপ অর্ডারে ব্যাটিং করি। পছন্দের জায়গায় ব্যাটিং করলে তো অবশ্যই ভালো লাগবে। তবে প্রফেশনাল প্লেয়ারের যেখানেই ব্যাটিংয়ের সুযোগ আসবে ওখানেই রান করতে হবে। দেখেন, বড় বড় প্লেয়াররা যেকোনো জায়গায় যেকোনো সিচুয়েশনে ব্যাটিং করে ভালো করার ক্ষমতা রাখে। ওইভাবে আমি চিন্তা করতেছি যে যেখানেই ব্যাটিংয়ের সুযোগ আসবে ওখানেই পারফর্ম করার চেষ্টা করব।’সদ্য শেষ হওয়া বঙ্গবন্ধু বিপিএলে নাজমুল হোসেন শান্ত নিজেকে প্রমাণ করতে পারেননি শুরুর দিকে। যদিও শেষ দিকে এসে জ্বলে উঠেছিল তার উইলো। ১১৫ রান আর ৭৮ রানের দুটি অপরাজিত ইনিংস খেলে আবারও সামনে এসেছে শান্তর নাম।
১১ ম্যাচে একটি শতক আর একটি অর্ধশতকে মোট রান করেছেন ৩০৮। গড় ছিল ৩৪.২২ আর স্ট্রাইক রেট ছিল ১৪৩.৯২।
শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানে তিনটি টি-টোয়েন্টি সিরিজের দলেও জায়গা হয়েছে এই ওপেনারের। গতকাল রোববার থেকে শুরু হয়েছে এই সফরের জন্য অনুশীলন ক্যাম্প। ব্যাটে-বলে নিজেকে ঝালিয়ে নেয়া হচ্ছে শের ই বাংলা স্টেডিয়ামের বাইশ গজে।
আজ সোমবার দলের সঙ্গে অনুশীলনের এক ফাঁকে শান্ত কথা বলেন গণমাধ্যমের সঙ্গে। জানান, এই সিরিজে নিজের পরিকল্পনা।
পাকিস্তান বর্তমান সময়ে টি-টোয়েন্টির এক নম্বর দল। যদিও ঘরের মাঠে সবশেষ সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল শ্রীলঙ্কার কাছে। এক নম্বর দলের সঙ্গে খেলাটা বাংলাদেশ দলের জন্য কতটা এমন প্রশ্নে শান্ত বলেন, এগুলো নিয়ে খুব বেশি চিন্তা করছি না। আমার নিজের যে প্ল্যান আছে ওই অনুযায়ী খেলতে চেষ্টা করব। নিজের যে শক্তি আছে ওই অনুযায়ী যদি খেলতে পারি ওখানেও ভালো করা সম্ভব।
নিজেদের মাঠে পাকিস্তান দুর্দান্ত। এর প্রমাণ দেয়ার সুযোগ কম পেলেও বাংলাদেশকে হারিয়ে সেটার জানান দিতে চায় পাকিস্তান। দলে সুযোগ পাওয়া পাকিস্তানের তরুণরা মুখিয়ে আছে বাংলাদেশকে হারানোর জন্য। এই ব্যfপারটাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিচ্ছেন এই তরুণ টাইগার ওপেনার।
‘অবশ্যই চ্যালেঞ্জিং কিন্তু আমরা একটা দল হিসেবে যদি খেলতে পারি ইনশাআল্লাহ ওখানেও ভালো রেজাল্ট করা সম্ভব। যদিও আমরা খুব বেশি ওদের টিম নিয়ে চিন্তা করতেছি না। আমাদের নিজেদের যে প্ল্যান আছে ওই জায়গাটা আমরা যদি ঠিক রাখতে পারি এখানে ভালো করা সম্ভব বলে আমি মনে করি।’
শান্তর অপেক্ষা একাদশে সুযোগ পাওয়া। টপ-অর্ডারে ব্যাটিং করে থাকলেও দলের প্রয়োজনে যেকোনো পজিশনেই খেলতে চান তিনি।
‘সাধারণত টপ অর্ডারে ব্যাটিং করি। পছন্দের জায়গায় ব্যাটিং করলে তো অবশ্যই ভালো লাগবে। তবে প্রফেশনাল প্লেয়ারের যেখানেই ব্যাটিংয়ের সুযোগ আসবে ওখানেই রান করতে হবে। দেখেন, বড় বড় প্লেয়াররা যেকোনো জায়গায় যেকোনো সিচুয়েশনে ব্যাটিং করে ভালো করার ক্ষমতা রাখে। ওইভাবে আমি চিন্তা করতেছি যে যেখানেই ব্যাটিংয়ের সুযোগ আসবে ওখানেই পারফর্ম করার চেষ্টা করব।’