পরমাণু অস্ত্র বিশেষজ্ঞ কমিটির সঙ্গে বৈঠকে বসছেন ইমরান

পরমাণু অস্ত্র বিশেষজ্ঞ কমিটির সঙ্গে বৈঠকে বসছেন ইমরান

পাকিস্তান সীমান্তে জঙ্গিগোষ্ঠী জইশ-ই-মহম্মদের (জেইএম) প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে ভারতীয় বিমানবাহিনীর হামলার পর উদ্ভুত পরিস্থিতে দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান পারমাণবিক অস্ত্র সংক্রান্ত সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক ন্যাশনাল কমান্ড অথরিটির (এনসিএ) একটি বিশেষ বৈঠক ডেকেছেন। 

বুধবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সংসদ অধিবেশনের পরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে। এ বৈঠক ডাকার ফলে পাক-ভারত যুদ্ধ কি আসন্ন? সে প্রশ্ন ঘোরপাক খাচ্ছে।

পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল আসিফ গফুর সংবাদমাধ্যমকে বলেন, বুধবার পাকিস্তানের পার্লামেন্টের যৌথ অধিবেশন। এরপরই এনসিএ’র সঙ্গে বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী। 

২০০০ সালে পাকিস্তানে গণতান্ত্রিক সরকার সরে যাওয়ার পর এ কমিটি তৈরি করেছিলেন তৎকালীন সেনাপ্রধান পারভেজ মোশাররফ। এনসিএ তৈরির সময় পাকিস্তানের সংবাদপত্র ডন লিখেছিল, ‘পাকিস্তানের সমস্ত পরমাণু অস্ত্রের দেখভাল, অস্ত্র নীতি তৈরি করা এবং ব্যবহারের সর্বোচ্চ ক্ষমতা এ কমিটির হাতে থাকবে।’ 

এর আগে সোমবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে পাকিস্তানের বেলাকোট শহরে জঙ্গি ক্যাম্পে হামলা চালায় ভারত। এরপর সকালে দু’দেশের পক্ষ থেকে পাল্টাপাল্টি দাবি করা হয়। দিল্লি থেকে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিজয় কেশব গোখলে বলেন, হামলায় বহু সংখ্যক জঙ্গি নিহত হয়েছে। তবে সাধারণ নাগরিকের কোনো ক্ষতি হয়নি।

আর পাকিস্তান দাবি করছে, ভারতীয় বিমানবাহিনী আকাশসীমা লঙ্ঘন করেছে। তাছাড়া হামলাতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। এমনকি কোনো ক্ষতিও হয়নি।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকেলে ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলায় হামলায় দেশটির বিশেষায়িত নিরাপত্তা বাহিনী সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্সের (সিআরপিএফ) ৪৪ সদস্য নিহত হন। এরপরই হামলার দায় স্বীকার করে পাকিস্তানি জঙ্গিগোষ্ঠী জইশ-ই-মহম্মদ। এ নিয়ে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে চলছে উত্তেজনা।