পরকীয়ায় লিপ্ত হয়ে মেয়েকে হত্যা, বাবার যাবজ্জীবন

পরকীয়ায় লিপ্ত হয়ে মেয়েকে হত্যা, বাবার যাবজ্জীবন

দিনাজপুরে পরকীয়া প্রেমের কারণে ১১ বছর বয়সী প্রতিবন্ধী মেয়েকে হত্যার দায়ে বাবাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার দুপুর ৩টায় দিনাজপুরের অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত (৩) এর বিচারক মো. আনোয়ারুল হক এ রায় প্রদান করেন।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বাবার নাম নুর ইসলাম। তিনি দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার দিওড় গ্রামের ফজর আলীর ছেলে।


মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১০ সালে নুর ইসলাম পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে নিজ প্রতিবন্ধী মেয়ে নুর জাহানকে (১৭) গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করে। এঘটনায় নুর ইসলামের শ্বশুর সমসের আলী নাতনিকে হত্যার ঘটনায় জামাই নুর ইসলাম, নাতি জুয়েল বাবু এবং জামাইয়ের কথিত প্রেমিকা আরেফা বানু কৈতরির বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মামলার তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে চার্জশিট প্রদান করেন। পরে আদালতে ১৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। সাক্ষ্য শেষে দোষী প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক ঘাতক বাবা নুর ইসলামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করে রায় প্রদান করেন।

অন্যদিকে দোষ প্রমাণিত না হওয়ায় কথিত প্রেমিকা আরেফা বানু কৈতরি এবং নুর ইসলামের ছেলে জুয়েল বাবুকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন বিচারক।

মামলাটি সরকার পক্ষে পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউট (এপিপি) আতাউর রহমান আতা এবং আসামি পক্ষে অ্যাডভোকেট শাহিনুর ইসলামসহ অন্যান্য আইনজীবীরা।