নীলফামারীতে দাফনে অংশ নিতে গিয়ে সড়ক দূর্ঘটনায় ভাই-বোনের মৃত্যু

নীলফামারীতে দাফনে অংশ নিতে গিয়ে সড়ক দূর্ঘটনায় ভাই-বোনের মৃত্যু

নীলফামারী প্রতিনিধি: নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় সড়ক দূর্ঘটনায় মাইক্রোবাস আরোহী ভাই জহুরুল ইসলাম (৬৫) এবং বোন আনোয়ারা বেগম (৫৭) নিহত হয়েছেন। শুক্রবার সকাল নয়টার দিকে কিশোরগঞ্জ-রংপুর সড়কে উপজেলার রণচ-ী ইউনিয়নের অবিলের বাজারে ঘটনাটি ঘটে। এঘটনায় ১৪ জন আহত হলে ১২ জনকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। নিহতরা জেলার জলঢাকা উপজেলার গোলনা ইউনিয়নের নবাবগঞ্জ গ্রামের মৃত. মোবারক আলীর সন্তান। তারা নিকট আত্মীয়ের দাফনে অংশ নেওয়ার জন্য বগুড়ায় যাচ্ছিলেন বলে এলাকাবাসী জানান।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ঘটনার সময় নারায়নগঞ্জের কাঁচপুর থেকে ছেড়ে আসা পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার ভাউলাগঞ্জগামী আজিজ ট্রাভেলের একটি নৈশ কোচেরসাথে বিপরীত দিক থেকে আসা মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মাইক্রোবাসের দুই যাত্রি নিহত হন। আহতদের মধ্যে ১২ জনকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। নিহতরা ভাই-বোন বলে ওই মাইক্রোবাসের অন্য যাত্রিরা জানায়।প্রত্যক্ষদর্শী রণচ-ী ইউনিয়নের অবিলের বাজার এলাকার মো. আসাদুজ্জাম (৩৫) বলেন, সকালে হালকা বৃষ্টি হচ্ছিল। এসময় বাস এবং মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের বিকট শব্দে আমরা দৌঁড়ে এসে দুই জনকে মৃত অবস্থায় দেখতে পাই। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠাই। আহত এবং নিহতরা সকলেই মাইক্রো বাসের যাত্রি।
জলঢাকা উপজেলার গোলনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুল আলম জানান, বগুড়ার মোকামতলায় এক নিকটাত্মীয়ের দাফন কাজে অংশ নিতে মাইক্রোবাসে যাচ্ছিলেন তারা। এসময় কিশোরগঞ্জের ওই স্থানে যাত্রিবাহি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে দূর্ঘটনাটি ঘটার কথা শুনেছি।কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হারুর-অর রশীদ বলেন, ওই দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলে মাইক্রোবাসের দুইজন যাত্রি নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন ১৪জন। নিহত দুইজনের লাশ তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে ১২ জন রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। দুর্ঘটনা কবলিত মাইক্রোবাস ও যাত্রিবাহী বাসটি পুলিশ হেফাজতে নিয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।