নীরবতা ভেঙে প্রিন্স হ্যারি বললেন, উপায় ছিল না

নীরবতা ভেঙে প্রিন্স হ্যারি বললেন, উপায় ছিল না

করতোয়া ডেস্ক: রাজকীয় উপাধি ও রাজপরিবারের সদস্য হিসেবে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের প্রতিনিধিত্ব ত্যাগের ঘোষণা দেয়ার পর নীরবতা ভাঙলেন ডিউক অব সাসেক্স ব্রিটিশ প্রিন্স হ্যারি। রোববার সন্ধ্যায় প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে রাজপরিবারের ভূমিকা ছাড়ার বিষয়ে কথা বলেন তিনি।লন্ডনে এক অনুষ্ঠানে ব্রিটিশ এই প্রিন্স গভীর দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, যুক্তরাজ্য আমার বাড়ি। এটা আমার ভালোবাসার জায়গা। যা কখনই পাল্টাবে না।তিনি বলেন, আমার স্ত্রী মেগান মার্কেল এবং আমি রাজপরিবারের দায়িত্ব ত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আর এই সিদ্ধান্ত ভেবে-চিন্তে নেয়া হয়েছে। প্রিন্স হ্যারি বলেন, গত কয়েক বছরের চ্যালেঞ্জের পরও এটি নিয়ে অনেক মাস ধরে আলোচনা হয়েছে। আমি জানি, সব সময় আমি সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারিনি।

 যেহেতু এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, সেহেতু এটি ছাড়া আসলেও আর কোনও উপায় ছিল না।হ্যারি বলেন, রানি, কমনওয়েলথ এবং সামরিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে সরকারি তহবিল ছাড়াই আমাদের কাজ অব্যাহত রাখার আশা ছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সেটি সম্ভব হয়নি।চলতি মাসের শুরুর দিকে ডিউক অব সাসেক্স প্রিন্স হ্যারি ও তার স্ত্রী ডাচেস অব সাসেক্স মেগান মার্কেলরাজপরিবারের জ্যেষ্ঠ সদস্যের ভূমিকা পালন সীমিত করার ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে তারা যুক্তরাজ্য এবং উত্তর আমেরিকায় তাদের সময় ভাগাভাগি এবং আর্থিকভাবেও স্বাধীন হতে চান।

 তাদের এই ঘোষণার পর থেকে ব্রিটিশ রাজপরিবারে নজিরবিহীন সঙ্কট তৈরি হয়। পরে রাজপরিবারের জ্যেষ্ঠ সদস্যদের সঙ্গে এক বৈঠকে প্রিন্স হ্যারি এবং মেগান মার্কেলের সিদ্ধান্তে সমর্থন জানান ব্রিটিশ রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। তাদের নতুন এই সিদ্ধান্তের পর অনেকেই রাজপরিবারের এই দম্পতির ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা ধরনের প্রশ্ন তুলছেন। বিশেষজ্ঞদের অনেকেই বলছেন, তারা ইনস্টাগ্রাম চুক্তির মাধ্যমে মিলিয়ন ডলার অর্থ আয় করতে পারেন।