নির্মাণাধীন ভবনের প্রজননস্থল ধ্বংসে ৪০ শতাংশ ডেঙ্গু ঠেকানো সম্ভব

নির্মাণাধীন ভবনের প্রজননস্থল ধ্বংসে ৪০ শতাংশ ডেঙ্গু ঠেকানো সম্ভব

নির্মাণাধীন ভবনে ডেঙ্গুবাহী এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করে ৪০ শতাংশ ডেঙ্গু রোগের প্রাদুর্ভাব ঠেকানো সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের প্রধান কিট তত্ত্ববিদ ডা. ভূপেনন্দার নাগপাল। তিনি বলেন, ডেঙ্গু রোগের প্রতিরোধ ও প্রতিকারে অবশ্যই করণীয় হলো বাহক এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ ও প্রজননস্থল ধ্বংস করা, যার জন্য জনসাধারণের অংশগ্রহণ সর্বাগ্রে প্রয়োজন।

সোমবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর মহাখালীতে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এমআইএস অডিটোরিয়ামে ডেঙ্গু রোগের প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিষয়ে সাধারণ জনগণকে সঠিক তথ্য প্রদানের মাধ্যমে উৎসাহিত করতে গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য এক ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে তিনি এসব কথা বলেন।


ডা. নাগপাল জানান, এডিস মশা ঘরের কোনায়, অন্ধকার আদ্রতাপূর্ণ জায়গায়, যেমন- পর্দার পেছনে, খাট ও টেবিল চেয়ারের নিচে থাকতে তারা পছন্দ করে। এডিস মশা খুব অল্প পানিতে ডিম পাড়ে, যা পানি ছাড়া প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকতে পারে। এডিস মশার লার্ভা ধ্বংসে ১০ লিটার পানিতে ১ গ্রাম টেমিফস নামক ওষুধ ছিটাতে হবে।

ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. আবুল কালাম আজাদ, সাংবাদিক ও কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ, স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. সানিয়া তাহমিনা, প্রোগ্রাম ম্যানেজার ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গু ডা. এম এম আক্তারুজ্জামান এবং স্বাস্থ্য অধিদফতর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।