নিরাপদ সড়ক বাস্তবায়ন হোক

নিরাপদ সড়ক বাস্তবায়ন হোক

এম.এ. বাসেত:দেশে জনসংখ্যা প্রায় ১৬ কোটি। তন্মধ্যে প্রায় ৪ কোটি যুবক। জাতীয় যুব উন্নয়নের সংখ্যানুযায়ী যাদের বয়স ১৮-৩৫ বছর তারা যুব এবং এই বয়সের নীচে যারা তারা কিশোর। কর্মের অভাবে দেশের বেশির ভাগ শিক্ষিত যুবক বেকার। এই বিপুল সংখ্যক যুবক কর্মক্ষম ভবঘুরে হতাশায় ভুগছেন। উদীয়মান যুব সমাজ বেকারত্ব ও হতাশাগ্রস্ত হয়ে মাদকাসক্ত মরণ নেশা ফেন্সিডিল, হেরোয়িন, প্যাথিডিন, ইয়াবা, জুয়া খেলা, চুরি, ছিনতাই ও ইভটিজিং ইত্যাদি অপকর্মে জড়িয়ে পড়ছে। বর্তমানে দেশের আনাচে কানাচে দেখা যায় স্বল্প পূঁিজ দিয়ে হালকা যানবাহন কিনে একজন বেকারের কর্মসংস্থান সুযোগ সৃষ্টি করে। অতিসম্প্রতি দেশের জাতীয় মহাসড়ক সহ গ্রামে-গঞ্জে ইজিবাইক, অটোবাইক, অটোরিক্সা ও বেটারী চালিত লাইসেন্সবিহীন যানবাহনের সংখ্যা মাত্রাতিরিক্ত বেড়েছে। যানবাহনগুলো মহাসড়ক ও জাতীয় সড়কসমূহে চলাচল করে। কিন্তু বাংলাদেশ রুট ট্রান্সপোর্ট অথোরীটি (বিআরটিএ) ও হাইওয়ে পুলিশের আইনে এসব যানবাহনের কোন নীতিমালা নাই। গ্রামের অশিক্ষিত, অর্ধশিক্ষিত, ডিগ্রিধারী কিছু সংখ্যক যুব ও কিশোরকে চালাতে দেখা যাচ্ছে। এসব যানবাহন চালানোর ক্ষেত্রে সাধারণত অশিক্ষিত যুব কিশোরের সংখ্যাই বেশি। কিন্তু হালকা যানবাহন চালানো চালকদের কোন প্রশিক্ষণ নাই। সরকারিভাবে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

দেশে জাতীয় মহাসড়ক ৩৪৭৮ কিলোমিটার, আঞ্চলিক মহাসড়ক ৪২২২ কিলোমিটার ও জেলা সড়ক ১৩২৪৮ কিলোমিটার সমন্বয়ে সর্বমোট সড়ক ২০৯৪৮ কিলোমিটার। এই বিশাল সড়কে দুর্ঘটনার প্রবণতা খুব বেড়েছে। প্রতিদিন ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার খবর, ফেসবুক, সংবাদপত্র হাতে নিলে সংঘটিত অনাকাঙ্খিত সড়ক দুর্ঘটনা রীতিমত ভাবিয়ে তুলছে। সড়ক দুর্ঘটনায় জনসাধারণ, ছাত্র-ছাত্রী, শিশু-কিশোর ও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নির্মমভাবে প্রাণ হারাচ্ছে। সড়ক দূর্ঘটনায় আহত হয়ে অনেকে সারা জীবনের পঙ্গু হয়েছে। প্রতিদিন কর্মস্থলে নিরাপদে যাতায়াত করতে পারবো কী না; মনে আশংকা থেকেই যাচ্ছে। সড়ক দূর্ঘটনা ছাড়াও কিছু অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা দেশে মৃত্যুর মিছিলে পরিণত হয়েছে। জীবন-মরণ যদিও সৃষ্টিকর্তার হাতে তবুও অস্বাভাবিক মৃত্যু কারো কাম্য নয়। সাধারণ মানুষও সন্ধ্যার পর ঘরের বাইরে যেতে ভয় করছে।

নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে জানান, ২০১৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট দুর্ঘটনার সংখ্যা ২ হাজার ৩১৬টি। ২০১৫ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা ছিল ৫ হাজার ৩ জন। অপরদিকে ২০১৬ সালে চার হাজার ১৪৪ জন নিহত হয়েছে। বাংলাদেশ যাত্রীকল্যাণ সমিতির এক হিসাব অনুসারে ২০১৬ সালে ৪ হাজার ৩১২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ হাজার ৫৫ জন নিহত হয়েছে। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে ১৫ হাজার ৯১৪ জন। প্রতিদিন ১৬ জনের মৃত্যু হয়।

অবশ্য ১৯৯৮ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে পুলিশের দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সড়ক দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউট (এআরআই) বলেছে, সড়ক দুর্ঘটনার ৪৩ শতাংশ ঘটে মহাসড়কে। ১৯৯৮ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত গবেষণা তথ্যানুযায়ী দেশে ৫৩ শতাংশ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানোর জন্য। আর চালকদের বেপরোয়া মনোভাবের কারণে দুর্ঘটনা ঘটে ৩৭ শতাংশ। পরিবেশ-পরিস্থিতিসহ অন্য কারণে দুর্ঘটনায় ‘বাংলাদেশ হেলথ ইনজুরি সার্ভে-২০১৬ (বিএইচআইএস)’ শিরোনামে প্রকল্পের পরিচালক ফারুক আহমেদ ভুইয়া ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘আমরা দুর্ঘটনায় এবং আঘাতে মৃত্যু নিয়ে এই জরিপ চালিয়েছি, প্রতি বছর বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ২৩ হাজার ১৬৬ জন নিহত হন, আর তাতে প্রতিদিন গড়ে নিহতের সংখ্যা ৬৪ জন’’ প্রতিদিন ১৪টি শিশু সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেও প্রাপ্ত বয়স্ক নিহত হন ৫০ জন, নিহতের হিসেবে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাপ্ত বয়স্ক নিহতের সংখ্যা সর্বোচ্চ পরিমাণ ১০ শতাংশ। ‘‘স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নন-কমিউনিক্যাবল ডিজিজ (এনসিডি)’’ তথ্য মতে, সারা বিশ্বে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত হচ্ছেন প্রায় ১৩ লাখ লোক। তন্মধ্যে প্রায় ৫ কোটি লোক সড়ক দূর্ঘটনার শিকার হন। যা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রতি ঘন্টায় ৪০ জন সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন। এর মধ্যে ৪৬ শতাংশ পথচারী, সাইকেল ও মোটর সাইকেল আরোহী, ৪৮ শতাংশ মোটর সাইকেল আরোহী এবং ৪৬ শতাংশ অন্যান্য যানবাহন ব্যবহারকারী।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সড়ক দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউট (এআরআই) জাতিসংঘ ২০১১ হতে ২০২০ সালের মধ্যে এক দশকে সারা বিশ্বে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেক কমানোর ঘোষণা দেয়। বাংলাদেশ এই ঘোষণাপত্রে সই করেছে। জাতিসংঘ সদস্য দেশগুলিকে ভবিষ্যত সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয়ের এক থেকে দশ শতাংশ সড়ক নিরাপত্তার কাজে ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে ছিল। কিন্তু বাংলাদেশ সড়ক নিরাপত্তার ব্যয় তেমন বৃদ্ধি করে নাই; প্রাণহানি অর্ধেক কমানোর ক্ষেত্রেও কোনো অগ্রগতি নাই।

এই উপাত্ত হতে সহজেই অনুমান করা সম্ভব যে, আমাদের সড়ক ব্যবস্থাপনায় মারাত্মক ত্রুটি আছে। বেশি ভাগ মহাসড়কে ডিভাইডার নাই। ধীরগতির যানবাহনকে ওভারটেক করে দ্রুতগতির যানবাহন। ফলে যানবাহনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ধারে মুখ থুবড়ে পড়ে মানুষ প্রাণ হারায়। এছাড়া বহু যানের ড্রাইভার অদক্ষ, লাইসেন্স ছাড়াই স্টিয়ারিং ধরেছে। ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড: হোসেন জিল্লুর রহমান একটি প্রতিবেদনে সড়ক দুর্ঘটনার সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে বিবিসিকে বলেন, কিছু ক্ষেত্রে উন্নতি হলেও বা মৃত্যুর সংখ্যা একটু কমলেও সড়ক দুর্ঘটনার সার্বিক অবস্থা অনেকটা মহামারীর মতো। আমাদের দেশে সড়ক দুর্ঘটনা এখন নিত্যদিনের রুটিনে পরিণত হয়েছে। যানবাহন চলাচল ও চালকদের জন্য প্রচলিত আইন খাতা কলমে সীমাবদ্ধ এবং আইন প্রয়োগকারী সংশ্লিষ্টদের অবহেলা ও দুর্নীতির কারণে সড়ক দুর্ঘটনা দিন দিন বাড়ছে। প্রতি নিয়ত জনসাধারণের জাতীয় সড়কসমূহে চলাচল  হচ্ছে ঝুঁকিপূর্ণ। সড়ক দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য ২০১০ সালে যোগাযোগ মন্ত্রণালয় ও বিআরটিএ-এর যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ উপদেষ্টা পরিষদের ৩৩তম আলোচনা সভার সিদ্ধান্তক্রমে অনুমোদিত ও গৃহিত হলে ওই বছর ১লা নভেম্বর থেকে অবৈধ যানবাহন ও আইন অমান্যকারী চালকদের বিরুদ্ধে ট্রাফিক পুলিশের প্রথম বারের মত বিশেষ অভিযান শুরু করেন।

সরকারি দপ্তর আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের যথেষ্ট স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা থাকা খুবই আবশ্যক। পুলিশ পারেন না; এরকম কাজের নজির খুব কমই আছে। যার প্রমাণ পেয়েছি চলতি বছরের প্রথম জুন মাসে বাংলাদেশ পুলিশের অধিদপ্তরের থেকে আইজি সারা দেশে রেজিস্ট্রেশনবিহীন যানবাহন ধরার নির্দেশ দেন। স্বল্প সময়ের ব্যবধানে দেশে লক্ষাধিক মোটরবাইক রেজিস্ট্রেশনের আওতাভুক্ত হয়েছে। সরকার এ খাত থেকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় করেছে। এটা পুলিশের কারণে সম্ভব হয়েছে। উক্ত অভিযান বন্ধের পর অবৈধ যানবাহন মহাসড়কে চলাচল বেড়েছে। অনেক সময় হাইওয়ে পুলিশ/থানা পুলিশের কর্মকান্ড দেখে ক্ষোভ হয় দুঃখ লাগে। যখন একজন লাইসেন্সধারী, গাড়ীর রেজিস্ট্রেশনের কাগজপত্র থাকা ব্যক্তিকেই চেকিং করেন আর যার কিছু নাই দেখে না দেখার ভান করে ছেড়ে দেন। একইভাবে মহাসড়কে রেজিস্ট্রেশনবিহীন অটোরিক্সা-ব্যাটারি চালিত রিক্সা, ট্রাক্টর ট্রলি দেদারছে দিনে এবং রাতে এলইডি লাইট জ্বালিয়ে চলাচল করলেও সেগুলোর ব্যাপারে পুলিশ কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না। রাতে এলইডি লাইট জ্বালিয়ে ছোট ছোট যানবাহন চলাচলের কারণে সাধারণ পথিক মহাসড়কে চলাচলে ভীষণ অসুবিধায় পড়েন। এমনকি অনেক বড় যানবাহনে এলইডি লাইট লাগানোর কারণে আপার-ডিপার না করেন না। ফলে সড়কে সাধারণ জনগণ আর হালকা যানবাহনের চলাচলে অনেক দুর্ঘটনা ঘটছে। দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য সব ধরনের যানবাহনে রাতে এলইডি বাতি/হেডলাইট বন্ধ করে পরিবেশ বান্ধব লাইট জ্বালিয়ে মহাসড়কে চলাচলের ব্যবস্থা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
যাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য যথাযথ পালনের অবহেলায় জাতীয় সড়ক সমূহে ফিটনেসবিহীন যানবাহন নিয়ে অদক্ষ চালকেরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়ে যারা প্রাণ দিচ্ছে এই দায়ভার কে নিবে? আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত ট্রাফিক পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, থানা পুলিশ আর বাংলাদেশ রুট ট্রান্সপোর্ট অথোরিটি (বিআরটিএ) কোনভাবেই এ দায়ভার এড়াতে পারেন না।

আর জনসাধারণের স্বার্থে সড়ক আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন হওয়া একান্ত আবশ্যক। এছাড়া প্রতিটি মহাসড়কে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে স্পিডগান ও লাইসেন্স পরীক্ষার যন্ত্র দিতে হবে। এক-দুই কিলোমিটার পরপর বিশেষ ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে। ক্যামেরার তথ্য বিশ্লেষণ করে যেনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যায়। এছাড়া রাস্তার বাঁকগুলি সোজা করতে হবে। সকল মহাসড়ককেই ডিভাইডারসহ ন্যুনতম চার লেনে উন্নীত করতে হবে। সিরাজগঞ্জ-বনপাড়া মহাসড়কে যেমন ধীরগতির ও ক্ষুদ্র যানবাহনের জন্য পৃথক লেন রয়েছে। সকল মহাসড়কেই এই ব্যবস্থা করতে হবে। ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রে যাবতীয় দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে। মেয়াদোত্তীর্ণ ও ফিটনেসবিহীন যানবাহন রাস্তা হতে তুলে নিতে হবে। এর সার্বক্ষণিক তদারকি পদ্ধতি দাঁড় করাতে হবে। এক্ষেত্রে পুলিশ বাহিনীকে যথেষ্ট স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সংগে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। পুলিশের কাজে কোন পক্ষ থেকে কোন রকম হস্তক্ষেপ না করে সড়ক আইন বাস্তবায়নের জন্য চালক, মালিক ও শ্রমিক সংগঠনগুলোকে সহযোগিতা করতে হবে।    

বর্তমান সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে নিরাপদ সড়ক বাস্তবায়নের জন্য নানামুখী পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। অত্যাধুনিক নতুন প্রকল্প হাতে নিচ্ছে যা নিঃসন্দেহ প্রশংনীয়। তবে আইন প্রয়োগকারী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় জনস্বার্থে অনিয়ম-দুর্নীতিগুলো দূর করে নিরাপদ সড়ক বাস্তবায়নে সচেষ্ট হতে হবে। শুধু ট্রাফিক পুলিশের বিশেষ অভিযান, অর্থদন্ড ও মামলা দিয়ে কমানো সম্ভব হবে না; বিদ্যমান আইনে অপরাধীর কঠিন শাস্তির বিধানেও কঠোর হতে হবে। সড়কে যানবাহন চলাচলের বিদ্যমান আইনসমূহ গাড়ির মালিক, শ্রমিক প্রত্যেককে মানতে হবে। আর সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে মোটর শ্রমিকদের জন্য সরকারিভাবে সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। সেই সংগে আমজনতাকে রাস্তায় চলাচলে সতর্ক ও সচেতন হতে হবে।
লেখক ঃ  কবি ও সাংবাদিক   
[email protected]
০১৭১৮-২৮১৩৬৭