দৃশ্যমান হলো পদ্মা সেতুর ৩৩০০ মিটার

দৃশ্যমান হলো পদ্মা সেতুর ৩৩০০ মিটার

পদ্মাসেতুর ২২তম স্প্যান ‘ওয়ান-ই’ সেতুর ৫ ও ৬ নম্বর পিলারের ওপর বসানোর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হলো ৩ হাজার ৩০০ মিটার। 
আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় স্প্যান বসানো শেষ  হয়। 
এর আগে, সকাল পৌনে ৯টার দিকে ধূসর রঙের ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের তিন হাজার ১৪০ টন ওজনের স্প্যানটি মাওয়া কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে তিন হাজার ৬০০ টন ধারণক্ষমতার ‘তিয়ান ই’ ভাসমান ক্রেন বহন করে রওনা দেয়। সেতুর ৩২ ও ৩৩ নম্বর পিলারের কাছে পৌঁছায় সকাল সোয়া ৯টার দিকে। 
প্রকৌশলী সূত্রে জানা গেছে, পদ্মাসেতুর ৪২টি পিলারের মধ্যে কাজ বাকি আছে ৬টি পিলারের। এগুলো হলো- ৮, ১০, ১১, ২৬, ২৭, ২৯ নম্বর পিলার। এর মধ্যে সেতুর ৮, ২৯ নম্বর পিলারের কাজ প্রায় শেষের দিকে। এছাড়াও পিয়ার হেডের কাজ শুরুর প্রস্তুতি চলছে। ১১ নম্বর পিলারের পাইল ক্যাপ সম্পন্ন হয়েছে। ১০ নম্বর পিলারের প্রথম লেয়ারের পাইল ক্যাপ শেষ হয়েছে। সেতুর ২৬ ও ২৭ নম্বর পিলারের নিচের ধাপের কংক্রিটিং শেষ বাকি আছে উপরের ধাপের কংক্রিটিং। চলতি বছরের এপ্রিলের মধ্যে পদ্মাসেতুর সব পিলারের কাজ সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদী প্রকৌশলীদের। 
তথ্য মতে, পদ্মা সেতুতে ৪২টি পিলারের ওপর বসবে ৪১টি স্প্যান। পুরো সেতুতে ২ হাজার ৯৩১টি রোডওয়ে স্ল্যাব বসানো হবে। আর রেলওয়ে স্ল্যাব বসানো হবে ২ হাজার ৯৫৯টি। 
২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মাসেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। মূল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদীশাসনের কাজ করছে দেশটির আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন।
৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ বহুমুখী সেতুর মূল আকৃতি হবে দোতলা। কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে এ সেতুর কাঠামো।