দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স

দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুর্নীতির বিরুদ্ধে বরাবরই জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন এবং এই নীতিতে অবিচল রয়েছেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার প্রতি দলের অনেকেই অবজ্ঞা প্রদর্শন করে আখের গোছানোতেই ব্যস্ত ছিলেন বেশি। ক্ষমতাসীন দলের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, মাদক বিরোধী সহ অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ার গোয়েন্দা প্রতিবেদন হাতে পেয়ে প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা এসব দুর্নীতিবাজ নেতাদের বিরুদ্ধে শুদ্ধি অভিযানের নির্দেশ দেন। ফলে রাজধানীতে শুরু হয় জুয়ার খেলার ক্যাসিনো বিরোধী অভিযান। বিভিন্ন ক্লাবে প্রতিষ্ঠিত অবৈধ ক্যাসিনোতে অভিযান চালিয়ে র‌্যাব কোটি কোটি টাকার জুয়া খেলার সাজ সরঞ্জাম জব্দ করে। গ্রেফতার করে ক্যাসিনোর মালিকদের। এসব মালিক, সবাই ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের শীর্ষনেতা। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল বলেছেন, ক্যাসিনোর মাধ্যমে অবৈধ লেনদেনের বিষয়ে প্রশাসনের অবশ্যই জানা উচিত ছিল। প্রশাসন জানে না এমন কিছু নেই। প্রশাসনের কেউ না কেউ এর সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। তারা তাদের দায় এড়াতে পারে না। ক্ষমতাসীন দলের অঙ্গ সংগঠন সমূহের কিছু বিপথগামী নেতার কারণে সরকার? ক্ষমতাসীন দলের সব অর্জন যখন নি®প্রভ হয়ে পড়েছে, তখন প্রধানমন্ত্রীর কড়া পদক্ষেপ জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনবে আমরা এমনটিই প্রত্যাশা করি। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে চাপ না এলে ক্যাসিনোগুলোর টিকি ছোঁয়া হতো কিনা সন্দেহ। আমাদের বিশ্বাস, দুর্বিনীতদের বিরুদ্ধে অভিযান দু-একটি ঘটনাতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, ‘মাফিয়া চক্র’কে ধরতে হবে।