দুর্ঘটনার পর বাসে আগুন, গোপালগঞ্জে বাস চলাচল বন্ধ

দুর্ঘটনার পর বাসে আগুন, গোপালগঞ্জে বাস চলাচল বন্ধ

 দুর্ঘটনায় ছাত্রসহ দু’জন নিহত ও ১৫ জন আহত হওয়ার ঘটনার প্রতিবাদে বাস পোড়ানোয় গোপালগঞ্জের সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে জেলা বাস মালিক সমিতি।

রোববার (৮ এপ্রিল) দুপুর ১টার দিকে বাস মালিক সমিতির জরুরি সভায় বাস বন্ধের সিদ্ধান্ত হয় বলে জানিয়েছেন সংগঠনের সভাপতি আবুল হোসেন। সিদ্ধান্ত মোতাবেক দুপুর থেকে গোপালগঞ্জের সব রুটে বন্ধ রয়েছে বাস চলাচল।  

এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এরপর থেকে মহাসড়ক অবরোধ করে রেখেছে চন্দ্রদিঘলিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা।

নিহতরা হলেন গোপালগঞ্জ চন্দ্রদিঘলিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ফুড টেকনোলজি বিভাগের দ্বিতীয় সেমিস্টারের ছাত্র কাশিয়ানী উপজেলার তিলছড়া গ্রামের আশিক (২২) ও গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য রুকু মোল্লা (৬৫)।


গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম জানান, সকালে একটি বাস কাশিয়ানীর ব্যাসপুর থেকে গোপালগঞ্জ যাচ্ছিল। পথে গোপীনাথপুর শরীফপাড়ায় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই আশিক নিহত হন। এ সময় আহত হন বাসের আরো অন্তত ১৬ যাত্রী। খবর পেয়ে পুলিশ ও গোপালগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়ার কিছুক্ষণ পর আরো একজনের মৃত্যু হয়।

তিনি আরো জানান, দুর্ঘটনার প্রতিবাদে মহাসড়কের চন্দ্রদিঘলিয়া থেকে গোপিনাথপুর পর্যন্ত তিন কিলোমিটার অবরোধ করে শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা কয়েকটি যানবাহন ভাংচুর এবং ঘাতক বাসটি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়।
এতে রাস্তার দুইপাশে শতাধিক যানবাহন আটকা পড়ে। পরে পুলিশ উত্তেজিত ছাত্রদের বুঝিয়ে দুপুর সোয়া ১টার দিকে অবরোধ তুলে দেয়।