দিন বদলাবে

দিন বদলাবে

আতাউর রহমান মিটন:মহান ভাষা শহীদদের স্মরণে আয়োজিত আলোচনা সভায় যোগ দিতে মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলায় গিয়েছিলাম। হারুকান্দি ইউনিয়ন নামের পদ্মার পাড়ের প্রত্যন্ত এই জনপদে স্থানীয় উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছে তিনদিনব্যাপী বইমেলা, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বাংলাদেশের আর কোন প্রত্যন্ত অঞ্চলে, শহর থেকে বহুদূরে, এত বর্ণাঢ্যভাবে শহীদ দিবস পালন করা হয় কিনা তা আমার জানা নাই। অনুষ্ঠানে যোগ দিতে অন্যান্যের মধ্যে ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ রফিক এর বোন সামসুন্নাহার খান এসেছিলেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে যোগ দিয়েছিলেন স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী রিজওয়ান আহমেদ।

দক্ষিণ চাঁদপুর হাইস্কুল প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই বইমেলা ও আলোচনা সভায় যোগ দিতে পেরে আমি অত্যন্ত সম্মানিত ও গৌরবান্বিত বোধ করেছি। মায়ের ভাষার জন্য সাধারণ মানুষের এই যে আকৃতি, এই যে নিঃস্বার্থ ভালবাসা এটাই আমাদের সংস্কৃতিকে মহিমান্বিত করেছে। ভাষা বদলায়, বিকশিত হয়। আবার ভাষার বিকৃতিও ঘটে। বাংলা ভাষা নিঃসন্দেহে বিকৃতির কবলে পতিত হয়েছে। আর সেটা ঘটছে শহুরে মানুষদের মুখে। বিকৃত বাংলার চর্চা করছে এক শ্রেণীর গণমাধ্যম, আর তথাকথিত শিক্ষিত মানুষেরা। ওরা না শিখছে ইংরেজি, না শিখছে বাংলা। একটা জগাখিচুড়ি মার্কা ভাষায় আমাদের শহুরে প্রজন্মরা অভ্যস্থ হয়ে উঠছে। অথচ গ্রামে গিয়ে দেখুন, কি চমৎকার আর কি মিষ্টি ভাষায় ওরা কথা বলে। সে ভাষা হয়তো অঞ্চল ভেদে আলাদা, কিন্তু ওর শেকড় মানুষের হৃদয়ে। ওটাই ওদের মায়ের মুখের ভাষা, ওটাই সত্যিকারের মাতৃভাষা। ঐ ভাষা কেউ কেড়ে নিতে পারবে না! কোনদিনও না!

ফেব্রুয়ারি মাস জুড়ে আমরা প্রায় সকলেই বাংলার জন্য দরদি হয়ে উঠি। কিন্তু এটা কেবল এক মাসের ব্যাপার নয়। ভুলে গেলে চলবে না যে ভাষার জন্য সংগ্রাম কেবল ভাষার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এই সংগ্রামই আমাদেরকে মুক্তিযুদ্ধের পথে পরিচালিত করেছে। ভাষা সংগ্রামের পথ ধরেই বিকশিত হয়েছে আমাদের গণমানুষের সংস্কৃতি। আমাদের এই ভাষা সংগ্রামই ইউনেস্কোকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে বিশ্বময় পালনের প্রণোদনা যুগিয়েছে। প্রতিবছর ২১ ফেব্রুয়ারিতে বিশ্বের যেখানেই ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ পালিত হবে সেখানেই উচ্চারিত হবে রফিক, সালাম, বরকত, জব্বারের নাম। গান বেজে উঠবে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি ..’।

নিঃসন্দেহে একুশের ভোর আমাদের শিহরিত করে। খালি পায়ে, ফুল হাতে, বুকে কালো ব্যাজ ধারণ করে আমরা ধীরে ধীরে শহীদ মিনারে যাই, সেখানে গিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করি, শান্তি কামনা করি বিদেহী আত্মার, আর দৃপ্ত কন্ঠে শপথ নেই শোষণ ও বঞ্চনামুক্ত সুন্দর আগামী গড়ার। এভাবেই প্রতিবছর ভাষা শহীদ দিবস পালিত হচ্ছে। আমরাও এভাবেই পালন করেছি। বগুড়ার শহীদ খোকন পার্কের বেদীটা ছিল আমাদের জ্বলে ওঠার, আমাদের সংগ্রাম ও প্রেরণার সূতিকাগার। শ্রদ্ধেয় বড়ভাই প্রয়াত কারুশিল্পী আমিনুল করিম দুলাল এর ডিজাইন করা খোকন পার্কের সেই শহীদ মিনারটি পুনরায় প্রতিস্থাপন করতে হবে। ওটা গুড়িয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত সঠিক হয়নি। বগুড়াবাসীর প্রাণের এই আকুতি শোনার মত কেউ কি আছেন! বগুড়া-৬ আসনে আগামী নির্বাচনে যাঁরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তাঁরা কি এই শহীদ মিনারটি প্রতিস্থাপনের অঙ্গীকার করতে পারেন?

ভাষা আন্দোলনের মহান সংগ্রাম আমাদের জাতীয় জীবনে একটি অনন্য সাধারণ অর্জন। আমরা বগুড়াবাসী এই গৌরবের গর্বিত উত্তরাধিকার। আমরা গর্বিত মহান ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক শ্রদ্ধেয় গাজীউল হক এর অনন্য অবদানের জন্য। তিনি বগুড়ার সন্তান এবং বগুড়া আজিজুল হক কলেজ এর সাবেক শিক্ষার্থী। আমি গর্বিত বগুড়া আজিজুল হক কলেজ এর জন্য, যে কলেজের অধ্যক্ষ থাকাকালে ১৯৪৮ সালে জ্ঞানতাপস ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা ভাষার গুরুত্ব তুলে ধরে তৎকালের ‘সওগাত’ পত্রিকায় প্রবন্ধ লিখেছিলেন। স্যারের নেতৃত্বে ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ ‘রাষ্ট্র ভাষা বাংলা চাই’ শ্লোগানে কলেজ থেকে প্রতিবাদ মিছিল করা হয়েছিল। মিছিলটি শেষ হয়েছিল বগুড়া জিলা স্কুল মাঠে। সেখানে ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার জন্য যুক্তি দেখিয়ে বক্তব্য রেখেছিলেন। ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ অধ্যক্ষ হিসেবে বিদায় নেয়ার পর এই কলেজে অধ্যক্ষের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির আরেক প্রথিতযশা ব্যক্তিত্ব ডঃ সৈয়দ মুজতবা আলী। তাঁর ভাই সৈয়দ মুর্তাজা আলী ছিলেন বগুড়ার জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট। সৈয়দ মুজতবা আলীও ভাষা আন্দোলনে আজিজুল হক কলেজ এবং বগুড়া শহরের তৎকালীন ‘সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ এর কাজে সহযোগিতা করেছিলেন।

 বগুড়া একটি ছোট্ট মফস্বল শহর হলেও মহান ভাষা আন্দোলনে ১৯৪৮ সাল থেকেই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। বগুড়ার ভাষা আন্দোলনের এই গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস বর্তমান প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা দরকার। কেউ না কেউ হয়তো একাজে এগিয়ে আসবেন এই প্রত্যাশা করছি। অনেকেই মনে করেন, বর্তমান বগুড়া রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। এটা আমাদের ব্যথিত করে। বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান এর জন্মস্থান এটাকে অস্বীকার করার তো কোন উপায় নাই। তাহলে বঞ্চনা কেন? ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ সবখানেই বগুড়া গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। গাজীউল হক যেমন ভাষা আন্দোলনের প্রবাদ পুরুষ, তেমনি মুক্তিযুদ্ধের গৌরবগাঁথার সাথে জড়িয়ে থাকা আরেকটি নাম ‘এম আর আখতার মুকুল’ যাঁর লেখা ‘চরমপত্র’ রণাঙ্গনের যোদ্ধাদের প্রেরণার অন্যতম উৎস হয়েছিল। বগুড়া উত্তর জনপদের ঐতিহ্যবাহী শহর। প্রাচীন পুন্ড্রনগরের রাজধানী। এই শহরকে কেবল একজন রাজনৈতিক নেতার জন্মস্থান বলে অবজ্ঞা করাটা অনুচিত এবং তা বগুড়াবাসীকে ব্যথিত করে। সংশ্লিষ্ট মহল বিষয়টি ভেবে দেখবেন আশাকরি।

আমরা জানি, গৌরব অর্জনের সাথে সাথে তা ধরে রাখার সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হয়। সরকার সবকিছু করে দিবে না। দাতা-ভিক্ষুকের সম্পর্ক যতই মধুর হোক, শেষ অবধি তাতে মর্যাদা থাকে না। কারণ দাতার সহায়তাই ভিক্ষুকের টিকে থাকার অবলম্বন হয়ে যায়। আত্মনির্ভরশীলতা বা আত্মমর্যাদার সেখানে কোন অস্তিত্ব থাকে না। আমাদের ভাষা আন্দোলনের লড়াইয়ের যে চেতনা তা বস্তুত আত্মনির্ভরশীলতা থেকে উৎসারিত। আমরা কোনভাবেই রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা অবজ্ঞার শিকার হয়ে বাঁচতে চাই না। আমাদের সামর্থ্য দিয়েই আমরা বিকশিত হতে চাই। ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি এপিজে আবুল কালাম বলেছেন, ‘তুমি তোমার ভবিষ্যত পরিবর্তন করতে পারবে না কিন্তু তোমার অভ্যাস অবশ্যই পরিবর্তন করতে পারবে। আর অভ্যাস পরিবর্তন করলেই তোমার ভবিষ্যতও পাল্টে যাবে’। আর অভ্যাস পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজন চেতনাকে শাণিত করা।

শহীদ দিবসসহ অন্যান্য দিবসগুলো আমরা পালন করি চেতনাকে শাণিত করার জন্য। এটা কোনভাবেই একটি আনন্দ উৎসব নয়। আবার শোকে মুহ্যমান হয়ে মন খারাপ করে বসে থাকার মত কোন দিবসও এটা নয়। একুশ আমাদের শেখায় মাথা নত না করতে। আমরা যেন একটি শোষণমুক্ত সমাজ গড়ে তোলার জন্য প্রণোদিত হই। অন্তর্ভূক্তিমূলক সমাজ গঠন, যেখান বাদ যাবে না একটি শিশু - সেইরকম সুন্দর একটি সমাজ গড়ে তোলার প্রেরণার জন্য আমাদের বারেবারে শেকড়ের কাছে ফিরে আসতে হবে, ¯œাত হতে হবে একুশের চেতনায়। রবীন্দ্রনাথ একদা লিখেছিলেন, ‘স্বায়ত্তশাসনের অধিকার আমাদের ঘরের কাছে পড়িয়া আছে— কেহ তাহা কাড়ে নাই এবং কোনোদিন কাড়িতে পারেও না। আমাদের গ্রামের, আমাদের পল্লীর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পথঘাটের উন্নতি, সমস্তই আমরা নিজে করিতে পারি— যদি ইচ্ছা করি, যদি এক হই।’ নিজেদের ভাগ্য, নিজেদের অবস্থা পরিবর্তনের জন্য আমরা যদি দায়িত্ব না নেই, আমরা যদি জেগে না উঠি তাহলে দড়ি ও কলসীর চেয়ে আমাদের আর কোন বড় বন্ধু নেই। আত্মমর্যাদার কথা তাহলে চুলায় যাক।

গত সপ্তাহে ফেসবুকে একটা ভিডিও দেখছিলাম। ‘হিউম্যান কাইন্ড’ নামের একটি গ্রুপের পক্ষ থেকে ভিডিওটি আপলোড করা হয়েছে। ফেসবুক এর তথ্যানুযায়ী প্রায় কোটিরও বেশি দর্শক এই ভিডিও দেখেছেন। ছোট্ট একটি মানবিক কাহিনী। লাদিয়া নামের ১৯ বছর বয়সী এক কিশোরী দুরারোগ্য ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত। হাসপাতালের বিছানায় সে শায়িত, প্রহর গুণছে চিরবিদায়ের। মেয়েটির খুব ইচ্ছা মরার আগে ভালবাসা পাওয়ার। সে বিয়ে করতে চায়। এগিয়ে আসে তার বন্ধু। হাসপাতালের একটি কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে পরিবার ও বন্ধুদের উপস্থিতিতে দু’জনের বিয়ে হয়। আর বিয়ের দু’দিন পরে মেয়েটি মারা যায়। মেয়েটি মারা যায় এক ধরনের পূর্ণতা নিয়ে, ভালাবাসায়। হাসপাতালে সে নিঃসঙ্গ থাকেনি। ভালাবাসার মানুষগুলো তাকে আগলে রেখেছিল। নববিবাহিত স্বামীর কোলে মাথা রেখে, তারই বাহুডোরে সে চিরবিদায় নিয়েছে, ভালবাসার পূর্ণতায়। আহা! কি দারুণ এই চলে যাওয়া! ভালবাসার কি অপরূপ সৌন্দর্য। এভাবে মৃত্যুকে নিশ্চিত জেনেও নিঃস্বার্থভাবে ভালবাসতে পারে ক’জনা!

ভালবাসার জন্য হাতের মুঠোয় প্রাণ নেয়ার কথা আমরা কবিতায় পড়েছি। কিন্তু মৃত্যু পথযাত্রীকে ভালবেসে সুখের পূর্ণতায় ভাসিয়ে দেয়ার গল্প আমার জানা নেই। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, এমন গল্প আছে। ভালবাসার মহান কাব্য গাঁথাগুলি আমাদের মনে ভরসা জাগিয়ে তোলে। আমরা নেতিয়ে পড়া থেকে আবার সতেজ হয়ে উঠে দাঁড়াই।  ভালবাসাটাই আসল। ঘৃণা দিয়ে অন্যকে পরাস্ত করা যায়, জেলে ঢোকানো যায় কিন্তু দেশের মানুষের মনে ভালাবাসার চাষ করা যায় না। বাংলাদেশটার সম্ভাবনা অমিত। কিন্তু তবুও মনে ভয় জাগে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, হানাহানি আর একচেটিয়া ক্ষমতা ধরে রাখবার বাসনা আমাদের ভবিষ্যতকে কালো মেঘের ন্যায় ঢেকে দিচ্ছে না তো? যদিও জানি, মেঘের আড়ালেই সূর্য হাসে। ইতিহাস বলে কেবল শুভশক্তি এবং শুভ কর্মই মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে থাকে। যুগে যুগে অশুভেরই চিরবিদায় হয়েছে। শুভ সংঘ টিকে থেকেছে নানা সংকটে, সীমাবদ্ধতা সত্বেও। ক্ষমতা নয়, পদবী নয়, উপাধি থাকুক মানুষের হৃদয়ে। হৃদয় এমন এক আসন যা কেউই টলাতে পারেন না। ভালবাসতে হবে, ভালাবাসতে শেখাতে হব্।ে রাজনীতিতে যে ঘৃণার কদর্য প্রকাশ আমরা দেখছি তা আমাদের কি শেখাচ্ছে? এর ফল কি ভাল হবে? প্রতিশোধের আগুন কি তবে জ্বলতেই থাকবে? আমরা সাধারণ মানুষেরা কি একবার জ্বলন্ত উনুন, আর একবার ফুটন্ত কড়াই-এ পতিত হতেই থাকব? আমরা কি তবে শান্তি পাব না? অনেক প্রশ্ন। কে দেবে উত্তর জানি না। তবে আমরা হাল ছেড়ে যেন না দেই।

নদীকে জল উপচে না ফেলার অনুরোধ করার চাইতে সবাই মিলে এর পাড় ঘেষে বাঁধ তৈরি করতে পারলে বন্যা থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। দেশের দুর্বৃত্তরা এখন কথা শুনছে না বটে, তবে জনতা এক হলে একদিন ওরা শুনতে বাধ্য হবে। তাই আজও স্বপ্ন দেখি, দিন বদলাবে! শুভশক্তির বিজয় হবে। গাছে গাছে ফুল ফুটবে, পাখিরা গাইবে কালজয়ী গান। প্রেম ভাসবে আকাশে-বাতাসে, পরম মমতায়! শহীদের চেতনা আমাদের শাণিত করবে দুঃসাহসী পথে। মুক্তির সংগ্রাম এগিয়ে যাবে শহীদের প্রেরণায়। মানুষের পরিচয় হবে মানবিক অনুভূতির বিবেচনায়। ঘৃণা পদদলিত হবে। অন্ধকারের অপশক্তি মিলিয়ে যাবে মোমবাতির ¯িœগ্ধ আলোয়! জয় হবে মেহনতি মানুষের! জয় হবে এই বাংলার!
লেখক : সংগঠক-প্রাবন্ধিক
[email protected]
০১৭১১৫২৬৯৭৯