তৈরি পোশাক শিল্প খাতে সংস্কার

তৈরি পোশাক শিল্প খাতে সংস্কার

আমাদের পোশাক শিল্প কারখানাগুলোর সংস্কার কাজ বেশ দ্রুতই এগিয়েছে। এর স্বীকৃতিও পাওয়া গেছে ক্রেতাদের কাছ থেকে। ২০১৩ সালে রানা প্লাজা ধসের পর পোশাক খাতের নিরাপদ কর্ম পরিবেশ উন্নয়নে একই বছরের জুনে কয়েকটি শ্রমিক সংগঠন, খুচরা ক্রেতা ও ব্র্যান্ডের সমন্বয়ে অ্যালায়েন্স গঠিত হয়। অ্যালায়েন্স জোটের ক্রেতাদের পোশাক সরবরাহ করে এমন ৬০০ কারখানার প্রাথমিক পরিদর্শন চিহ্নিত ত্রুটি এখন সংশোধনের কাজ চলছে। তাদের রিপোর্ট অনুযায়ী ৩০১টি কারখানা অনুমোদিত সংস্কার পরিকল্পনা (ক্যাপ) অনুযায়ী শত ভাগ সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। গত সোমবার এলায়েন্সের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। একই উদ্দেশ্যে একই বছরে গঠিত হয় অপর ক্রেতা জোট ইউরোপের, অ্যাকর্ড অন ফায়ার অ্যান্ড বিল্ডিং সেফটি ইন বাংলাদেশ বা অ্যাকর্ড।

আগামী জুনে এই জোটের ৫ বছরের নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার পথে। আগামী জুনে এই জোটের ৫ বছরের নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার পথে। আগামী জুনে এই দুই জোটের পাঁচ বছরের নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। আমরা চাই, বিলম্বে হলেও তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়নকামী দেশ হিসেবে আমাদের দরিদ্র শ্রমিকদের শ্রমঘামে উৎপাদিত পোশাক বিক্রি করে যেসব বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠান বিশাল অংকের মুনাফা করছে, তারা মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় দেবে। বাংলাদেশের শ্রম আইন যুগোপযোগীসহ মালিক-শ্রমিকরাও একে অন্যের পরিপূরক হিসেবে সদিচ্ছার পরিচয় দিয়ে গার্মেন্ট শিল্প বাঁচাতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবেন। বিদেশিদের চাপে নয়, নিজ তাগিদেই কারখানা সংস্কার কাজকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। রাষ্ট্র সহ সংশ্লিষ্ট সবারই এ বিষয়ে সচেতন ভূমিকা প্রত্যাশা করি আমরা।