তিন জেলায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৪

তিন জেলায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৪

 দেশের তিন জেলায় বন্দুকযুদ্ধে চারজন নিহত হয়েছেন। এরমধ্যে যশোরে দুইদল সন্ত্রাসীর মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে দুইজন, খুলনায় র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ইমরান ওরফে রকি নামে এক মাদক ব্যবসায়ী এবং রাজশাহীতে র‍্যাবের সঙ্গে বন্দুক যুদ্ধে সাজ্জাদ নামের এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। তাৎক্ষণিকভাবে যশোরের নিহতদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।

যশোর-চুকনগর আঞ্চলিক সড়কের কানাইতলা যাত্রীছাউনি এলাকায় বুধবার (২৫ জুলাই) ভোরে, খুলনার দৌলতপুর থানার মহেশ্বরপাশা এলাকায় মঙ্গলবার (২৪ জুলাই) দিবাগত রাতে এবং বুধবার (২৫ জুলাই) ভোরে রাজশাহীর দামকুড়া থানার কসবা এলাকায় এসব বন্দুকযুদ্ধ ঘটে।

যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) নজরুল ইসলাম  বলেন, ভোরে এলাকাবাসীর গোপন সংবাদের ভিত্তিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে দুইটি মরদেহ উদ্ধার  করে মর্গে পাঠানো হয়।

এসআই নজরুল আরও বলেন, ঘটনাস্থল থেকে তিনটি ধারালো হাসুয়া ও একটি করাত জব্দ করা হয়েছে।

এদিকে খুলনার ঘটনায় ঘটনাস্থল থেকে একটি রিভলবর, তিন রাউন্ড গুলি ও ৩০৮ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।

র‌্যাব জানিয়েছে, নিহত ইমরানের বিরুদ্ধে হত্যা ও মাদক মামলাসহ ৬/৭টি মামলা রয়েছে। তিনি দৌলতপুর থানার দেয়ানা এলাকার তালিকাভুক্ত শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী শেখ মিজানুর রহমান ওরফে হাতকাটা মিজার ছেলে।

র‌্যাব-৬ এর এএসপি বজলুর রশিদ জানান, রাত দেড়টার দিকে নগরীর দৌলতপুর থানার মহেশ্বরপাশা এলাকায় টহলে বের হয় র‌্যাব-৬ এর একটি দল। এ সময় একটি মোটর সাইকেলে তিনজনকে দ্রুত ছুটতে দেখে তাদের দাঁড়ানোর জন্য সংকেত দেয় র‌্যাব। কিন্তু তারা না দাঁড়িয়ে মোটর সাইকেলের গতি বাড়িয়ে দেয়।

এএসপি বজলুর রশিদ আরো জানান, বিষয়টি র‌্যাবের কাছে সন্দেহজনক মনে হলে র‌্যাব তাদের পিছু নেয়। এ সময় তারা র‌্যাবের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে র‌্যাবও পাল্টা গুলি চালায়। গোলাগুলির একপর্যায়ে মো. ইমরান ওরফে রকি গুলিবিদ্ধ হয়। বাকি দুইজন পালিয়ে যায়।

গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ইমরানকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

রাজশাহীর র‍্যাব-৫ এর উপ অধিনায়ক মেজর আশরাফুল ইসলাম জানান, নিহত সাজ্জাদের বাবার নাম সইম উদ্দিন। তার বাড়ি হরিপুরের বনপাড়া এলাকায়। তার নামে মাদক ও ডাকাতিসহ ৭/৮টি মামলা ছিল।