ঢাবি ভিসি বাসভবনে হামলায় ষড়যন্ত্র দেখছে আওয়ামী লীগ

ঢাবি ভিসি বাসভবনে হামলায় ষড়যন্ত্র দেখছে আওয়ামী লীগ

আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, উপাচার্যের কার্যালয়ে কারা হামলা চালিয়েছে? মুখোশ পরে, হ্যালমেট পরে কারা হামলা চালিয়েছে? এটি সম্পূর্ণ পূর্বপরিকল্পিতভাবে করা। তা না হলে সিসি টিভি ক্যামেরা প্রথমে ভেঙেছে। পড়ে তারা ডিভাইস খুলে নিয়েছে। যেন কারা এই হামলার সাথে জড়িত তা শনাক্ত করতে না পারা যায়। এমনকি হামলাকারীরা পয়লা বৈশাখ ঘিরে চারুকলার সব প্রস্তুতি ভাঙচুর করেছে। সোমবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, গোয়েন্দা তদন্ত চলছে। বেরিয়ে আসবে কারা এই হামলা চালিয়েছে। আমি বিশ্বাস করি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কিংবা কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এই হামলা চালায়নি। একটি চক্র এ হামলা চালিয়েছে। তিনি বলেন, আমি গিয়ে দেখেছি তারা সব পুড়িয়ে দিয়েছে। গান পাওডার দিয়ে সব পুড়িয়ে দিয়েছে। এমনভাবে ভেঙেছে কোনও কিছু নেই। ভিসি ও তার স্ত্রী-সন্তানরা কোনও রকম পালিয়ে গেছে। এই কাজ কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী করতে পারে না। নানক বলেন, যেভাবে হামলা চালানো হয়েছে তা ’৭১-এর তাণ্ডবকেও হার মানায়। আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হবে। বিষয়টি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর হলে তিনি মাননীয় মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে দায়িত্ব দেন। সেই আনুসারে তার নির্দেশে আমি মধ্যরাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েছি। আলোচনার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা তাদের দুটি প্রস্তাব দিয়েছি। একটি হচ্ছে সচিবালয়ে মাননীয় সেতুমন্ত্রীর সভাকক্ষে অথবা ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে আলোচনা সভায় বসার জন্য। কিন্তু তারা কেউ আসেনি। আমরা সকাল ১০টা থেকে অপেক্ষায় করছি। কিন্তু কোন সাড়া পায়নি। জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, সরকারের সাথে বসে এই সমস্যা সমাধান করতে হবে। আমরা আশা করি তারা আলোচনায় বসবে। ছাত্ররা ফিরে যাবে। শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরে আসবে। ক্ষমতাসীন দলের এই নেতা বলেন, কোনও কোটা পদ্ধতিই স্থায়ী নয়। মুক্তিযুদ্ধা কোটা যদি পূরণ না হয় তাহলে তা সাধারণ কোটা থেকে পূরণ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, এনামুল হক শামীম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, আফজাল হোসেন, অসীম কুমার উকিল, বিপ্লব বড়ুয়া।