ঢাকার মশা তাড়াতে নেই শক্তিশালী উদ্যোগ

ঢাকার মশা তাড়াতে নেই শক্তিশালী উদ্যোগ

স্টাফ রিপোর্টার : মশা মারতে কামান না লাগলেও তাগাদা লাগে হাইকোর্টের। ডেঙ্গু জ্বরের ভয়াবহতা বিবেচনায় নিয়ে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে প্রতিটি ওয়ার্ডে যথাযথভাবে ওষুধ স্প্রে করার পর দুই সপ্তাহের মধ্যে তা জানাতে হবে। দুই সিটি করপোরেশনের মেয়র ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে সম্প্রতি এমন নির্দেশ দিয়েছে উচ্চ আদালত। মশা নিধন কার্যক্রমে শক্তিশালী বা গ্রহণযোগ্য উদ্যোগ নেয়া হয়নি বলেই রাজধানীজুড়ে এডিস মশার বিস্তার ঘটেছে। যার পরিণতিতে ডেঙ্গু জ্বর ভয়াবহভাবে ছড়াচ্ছে। এমন অভিযোগ বিশেষজ্ঞদের। যদিও, বিষয়টি নিয়ে এতো আতংকিত হওয়ার কিছু নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণের মেয়র সাঈদ খোকন। তবে তিনি ডেঙ্গু প্রতিরোধ না হওয়ায় উল্টো দায় চাপালেন শহরবাসীর ওপর।

উত্তর সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ তাদের জনসম্পৃক্ততার ঘাটতির কথা স্বীকার করে শিগগিরই ‘ডোর টু ডোর’ প্রচার চালানোর কথা জানালেন। প্রতি বছরই ডেঙ্গু মওসুম শুরুর আগে মশা মারার হাঁক-ডাক শুরু করে দুই সিটি করপোরেশন। তবে এ বছর আগেই এর প্রকোপ শুরু হওয়ায় সংস্থা দুটির ঘুমও ভাঙে দেরিতে। সিটি করপোরেশন কর্মকর্তাদের এমন খামখেয়ালিতে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন নগরবিদ ইকবাল হাবিব। তিনি বলেন, সিটি করোপরেশনের মশা নিধন কর্মসূচির যে বাজেট আছে আজও পর্যন্ত তা অর্জন করতে সক্ষম হয়নি। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ইকবাল হাবিবের অভিযোগ মাথা পেতে নিলেও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন তা মানতে রাজি না। তবে এখনই ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধে ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে- এমন আশংকার কথা জানিয়ে মশা নিধনে দুই সিটি করপোরেশনকে সারা বছর সক্রিয় থাকার পরামর্শ দিলেন বিশেষজ্ঞরা।