ড্রাফট শেষে কোন দলের খরচ হলো কত?

ড্রাফট শেষে কোন দলের খরচ হলো কত?

রোববার হয়ে গেলো আসন্ন বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের প্লেয়ার্স ড্রাফট। যেখানে অংশগ্রহণকারী দলগুলো লটারির মাধ্যমে বেছে নিয়েছে নিজেদের পছন্দের খেলোয়াড়দের। ড্রাফট শেষে কাগজে কলমে সবচেয়ে শক্তিশালী দল গড়েছে ঢাকা প্লাটুন। তাই স্বাভাবিকভাবেই তাদের খরচটাও হয়েছে সবচেয়ে বেশি।

এছাড়া ড্রাফটে পাওয়া ৮ সেটের সবকয়টিতে ডেকে সর্বোচ্চ ১৬ খেলোয়াড় নিয়েছে ঢাকা প্লাটুনই। যেখানে রয়েছে স্থানীয় ক্রিকেটারদের এ+ গ্রেডে থাকা দুই ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মর্তুজা ও তামিম ইকবাল এবং বিদেশিদের এ+ গ্রেডে থাকা শহীদ আফ্রিদিও।


 
যার ফলে তাদের খরচের অঙ্কটা ছাড়িয়েছে ৪ কোটির ঘর। সবমিলিয়ে সর্বোচ্চ ৪ কোটি ৪৮ লাখ টাকা খরচ হয়েছে তাদের। যার মধ্যে দেশি দুই এ+ গ্রেডের পেছনে ৫০ লাখ করে ১ কোটিসহ মোট ১০ ক্রিকেটারের জন্য খরচ হয়েছে ২ কোটি ২২ লাখ টাকা। আর বাকি ৬ বিদেশির জন্য তাদের গুনতে হয়েছে ২ কোটি ২৬ লাখ টাকা।

টাকার হিসেবে সবচেয়ে কম খরচ হয়েছে সিলেট থান্ডার্সের। তারা ড্রাফট শেষে দলে ভিড়িয়েছে ৯ দেশি ও ৫ বিদেশি ক্রিকেটারকে। যাতে নেই কোনো এ+ গ্রেডের ক্রিকেটার। দেশি ক্রিকেটারদের পেছনে তাদের খরচ হয়েছে ১ কোটি ৪৮ লাখ টাকা এবং বিদেশিদের পেছনে ১ কোটি ২৬ লাখ টাকা। সবমিলিয়ে ঢাকার প্রায় অর্ধেক তথা ড্রাফটে ২ কোটি ৭৪ লাখ টাকা খরচ করেছে সিলেট।


 
ঢাকা প্লাটুনের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খরচ গেছে খুলনা টাইগার্সের। তারাও ঢাকার মতো দলে নিয়েছে ১০ দেশি ও ৬ বিদেশি ক্রিকেটারকে। যেখানে রয়েছে দেশিদের এ+ গ্রেডে থাকা মুশফিকুর রহীম এবং বিদেশিদের এ+ গ্রেডে থাকা রিলে রুশো। দেশিদের এ গ্রেড থেকেও কোনো খেলোয়াড় নেয়নি খুলনা।

সবমিলিয়ে ১৬ জনের দল গড়তে খুলনার খরচ হয়েছে ৩ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে দেশি ১০ ক্রিকেটারের পেছনে তাদের খরচ ১ কোটি ৭১ লাখ টাকা এবং বিদেশি ৬ ক্রিকেটারের জন্য তাদের খরচ ঢাকার সময় ২ কোটি ২৬ লাখ টাকা।


এছাড়া বাকি চার দল রাজশাহী রয়্যালস, কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স, রংপুর রেঞ্জার্স ও চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স প্রায় কাছাকাছি অর্থ খরচ করেছে। ঢাকা ও খুলনার মতো ১০ দেশি, ৬ বিদেশি নিয়ে গড়া দলে চট্টগ্রামের খরচ হয়েছে ৩ কোটি ৭১ লাখ টাকা। এর বাইরে কুমিল্লার ৩ কোটি ৬৫ লাখ, রংপুরের ৩ কোটি ৬১ লাখ ও রাজশাহীর খরচ হয়েছে ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা।