ঠাকুরগাঁওয়ে পুলিশ-ছাত্রদল ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, আটক ৬

ঠাকুরগাঁওয়ে পুলিশ-ছাত্রদল ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, আটক ৬

ঠাকুরগাঁওয়ে ছাত্রদলের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে শহরের মোহাম্মদ আলী সড়কে বিএনপির কার্যালয়ে সামনে এ ঘটনা ঘটে বলে ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসি আব্দুল লতিফ মিঞা জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফয়সাল, মোতালেব, সাজু হক, নয়ন হক, জীবন ও আরিফ নামে ছয়জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানান তিনি। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, সোমবার দুপুরে ছাত্রদলের ৩৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দলীয় কার্যালয়ের সামনে আলোচনা সভা করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। এ সময় সভামঞ্চে ঠাকুরগাঁও জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে অসংখ্য ছাত্রদলের নেতাকর্মী এসে ভিড় জমায়।

নেতা-কর্মীদের মঞ্চের দিকে আসতে বাধা দিলে পুলিশ ও ছাত্রদলের নেতাক-র্মীদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে বলে জানান তারা।   ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার ফারহাদ আহমেদ  বলেন, ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে পুলিশ নেতা-তাদের দলীয় কার্যালয়ে ভেতরে সভার করার অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু অনুমতি না নিয়েই তারা র‌্যালি বের করার চেষ্টা করেলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়।
তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁও একটি শান্তিপূর্ণ জায়গা। ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা শান্তিপ্রিয় জায়গাকে অস্থিতিশীল করার পায়তারা করছিল; এমন তথ্য আমাদের কাছে ছিল।~জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা শহরে এসে ভিড় করছিল। এজন্য আমরা তাদের বলেছি চলে যেতে। তারপর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা চলে যায়।"

জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. কায়েস বলেন, পুলিশ আমাদের শোভাযাত্রা করার অনুমতি দেয়নি; এজন্য আমরা র‌্যালি বের করিনি। তবে আলোচনা সভা করার জন্য অনুমতি দিয়েছিল। তাই দলীয় কার্যালয়ের সামনে আমরা আলোচনা সভার মঞ্চ তৈরি করেছিলাম।

কায়েসের অভিযোগ, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সভা মঞ্চে উপস্থিত হলে পুলিশ এসে হামলা চালিয়ে দলীয় নেতা-কর্মীদের মারধর করে ও প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর জন্য করা সভামঞ্চ ভাংচুর করে।

এ ঘটনায় ছাত্রদলের কমপক্ষে ৫০ জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন তিনি।

সভামঞ্চ ভাংচুরের বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ সুপার বলেন, “ছাত্রদল থেকে যে বক্তব্য দেয়া হয়েছে সেটি সম্পূর্ণ ভুল। ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মারপিট বা সভামঞ্চ ভাংচুর কোনকিছুই পুলিশ করেনি। ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা নিজেরাই সভামঞ্চ ও চেয়ার ভাংচুর করেছে। আমাদের কাছে তার প্রমাণ রয়েছে।”