ট্রায়ালেই ফেল মারলেন ভারতের ‘উসাইন বোল্ট’

ট্রায়ালেই ফেল মারলেন ভারতের ‘উসাইন বোল্ট’

খালি পায়ে ১১ সেকেন্ডে ১০০ মিটার দৌড়ে রীতিমত হইচই ফেলে দিয়েছিলেন মধ্যপ্রদেশের ১৯ বছর বয়সী যুবক রামেশ্বর গুরজার। তবে আসল মঞ্চে বাস্তবতা টের পেলেন ‘উসাইন বোল্ট’-এর রেকর্ড ভাঙার হুমকি দেয়া এই স্প্রিন্টার। স্পোর্টস অথরিটি অব ইন্ডিয়ার (সাই) ট্রায়ালে সাত জনের মধ্যে সবার শেষে থেকে দৌড় শেষ করেছেন তিনি।

খালি পায়ে রাস্তায় গুরজারের একশ মিটার দৌড়ানোর ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর আলোচনা শুরু হয় পুরো ভারত জুড়েই। তাকে ‘দেশের সম্পদ’ আখ্যা দিয়ে রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী জিতু পাওয়ারি বলেন, ‘সে জাতীয় সম্পদ হতে পারে যদি সঠিক পেশাদার সহায়তা পায়। সে এখন ভোপালে আছে। সামনের দিনগুলোতে স্থানীয় কোচরা তার প্রতিভার পরীক্ষা নেবেন। ভবিষ্যতে এই একাডেমিতে থেকে সেরা কোচদের অধীনেও কোচিং করার সুযোগ পেতে পারে সে।’


সেই মতো সুযোগও পান গুরজার। কিন্তু ভোপাল সাই সেন্টারে ট্রায়াল দিতে নেমে সাত জনের মধ্যে সাত নম্বরে অর্থাৎ সবার শেষে থেকে দৌড় শেষ করেন তিনি। তিনি সময় নেন ১২.৯০ সেকেন্ড। যা আন্তর্জাতিক মানের চেয়ে অনেক পিছিয়ে।

এমন ব্যর্থতার কারণ হিসেবে গুরজার বলেন, জুতো পরে সিন্থেটিক ট্র্যাকে দৌড়ানোর অভ্যাস না থাকায় ট্রায়ালে ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি আরও বলেছেন, কোমরে একটা সমস্যা রয়েছে, তাই পুরোদমে দৌড়াতে পারছেন না এখন। আগামী মাসে চেষ্টা করবেন আরও ভাল করার।

প্রথম পরীক্ষাতেই ফেল। গুরজারের উজ্জ্বল ভবিষ্যত কি শঙ্কায় পড়ে গেল? কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী রিজিজু অবশ্য আশা দিলেন। সোমবার গুরজারের ট্রায়ালে দৌড়ানোর ভিডিও পোস্ট করে তিনি টুইট করেছেন, ‘সাই ও রাজ্য সরকারের সিনিয়র কোচদের সামনে গুরজারের ট্রায়াল দৌড়ের ব্যবস্থা করা হয়েছিল টিটি নগর স্টেডিয়ামে। প্রচারের আলোয় ক্লান্ত হয়ে পড়ায় সে ভাল পারফর্ম করতে পারেনি। ওকে যথেষ্ট সময় এবং প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা করব।’