জোরালো কর্মসূচি আসছে: ফখরুল

জোরালো কর্মসূচি আসছে: ফখরুল

খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য প্রতিদিন কর্মসূচি চলছে দাবি করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জোরালো কর্মসূচি আসছে। সময়মতো সঠিকভাবে কর্মসূচি দেখতে পাবেন।

মঙ্গলবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে নয়াপল্টন কার্যালয়ে যৌথসভা শেষে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা স্পষ্ট করে বলেছি, খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে। এটা আমাদের প্রথম শর্ত।  তারপরে বলেছি, নির্বাচন করতে হলে পরিবেশ তৈরি করতে হবে, নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার থাকতে হবে, নির্বাচন কমিশন ভেঙে পুনর্গঠন করতে হবে ও সংসদ ভেঙে দিতে হবে। একইসঙ্গে সব দলকে সমান সুযোগ দিতে হবে, নির্বাচনের সময় সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে। এটা আমরা বার বার বলছি।

আওয়ামী লীগের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ জনগণ দাবি করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, জনগণ তাদের ভোট দেবে না। সেজন্য যত রকমের দুষ্টুমি আছে তা শুরু করেছে। ইলেকট্রিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) আনতে চাচ্ছে,  আমরা বলেছি ইভিএম চলবে না। আরও শুনতে পাচ্ছি পুলিশকে বলা হচ্ছে, সবাইকে গ্রেফতার করা হবে। ইলেকশন যদি করতে চান সবাইকে মুক্ত করেন। চ্যালেঞ্জটা তো তাদের। জনগণকে কেমন করে ঠেকাবে সেই চ্যালেঞ্জ তারা মোকাবিলা করুক।

তিনি বলেন, বলা হয় বিএনপি সংকটে আছে, বিএনপি ধ্বংস হয়ে যাবে। আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে পারি, বিএনপি এই দেশের জনগণের দল। বিএনপি এ দেশের মানুষের স্বপ্নের দল, হৃদয়ের দল। সাংবাদিক ভাইদের বলতে চাই, দয়া করে আমাদের কথাগুলো জনগণের কাছে পৌঁছে দেবেন।

তিনি বলেন, ১ সেপ্টেম্বর দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিন সমাবেশ করার জন্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও দলীয় কার্যালয়ের সামনে অনুমতি চাওয়া হয়েছে। যদি দয়া করা হয় তাহলে একটি স্থানে সমাবেশ হবে।
 
এর আগে যৌথসভায় উপস্থিত ছিলেন-সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, সহ-দফতর সম্পাদক বেলাল আহমেদ, সহ-প্রচার সম্পাদক আসাদুল করীম শাহিন, মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাসার, যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন, মৎস্যজীবী দলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম মাহতাব, শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নাসিম প্রমুখ।