জীবননগরে বিএনপির নির্বাচনী অফিসে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

জীবননগরে বিএনপির নির্বাচনী অফিসে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি : চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে (জীবননগর, দামুড়হুদা উপজেলা ও চুয়াডাঙ্গা সদর আংশিক) আসনে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদ হাসান খাঁন বাবুর প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়সহ পাঁচটি অফিসে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা। এতে দু’টি মোটরসাইকেলসহ বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচনী জরুরি কাগজপত্র পুড়ে গেছে।বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত জীবননগর উপজেলার পাঁচটি স্থানে হামলা চালিয়ে এ ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাহমুদ হাসান খাঁন বাবুর জীবননগর উপজেলা শহরের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে ১০ থেকে ১৫ জনের অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা হামলা চালায়। এসময় তারা অফিসে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে অফিসের ভেতরে থাকা দু’টি মোটরসাইকেল, দু’টি টিভি, প্রায় দুই শতাধিক চেয়ার ও নির্বাচনী জরুরি কাগজপত্র পুড়ে যায়।

জীবননগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আক্তারুজ্জামান  বলেন, ‘শুধু তাদের প্রধান নির্বাচনী অফিস নয়, ওই রাত থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত উপজেলা শহরের ৩ নম্বর ওয়ার্ড, ৫ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডসহ পিয়ারাতলা মোড়ে তাদের নির্বাচনী অফিসগুলোতে ধারাবাহিকভাবে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।’
এসব ঘটনায় আওয়ামী লীগের প্রার্থীর লোকজন জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন জীবননগর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন খাঁন। তিনি বলেন, ‘প্রচারণা শুরুর প্রথম দিন থেকেই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ধারাবাহিকভাবে আমাদের নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর, দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলা হুমকি-ধমকি অব্যাহত রেখেছে।বিএনপির প্রার্থী মাহমুদ হাসান খাঁন বাবু  বলেন, ‘তার নির্বাচনী এলাকায় সরকারি দলের হামলার কারণে তারা ঠিকমত নির্বাচনী কাজ করতে পারছেন না। এসব হামলা অগ্নিসংযোগের বিবরণ তুলে ধরে শনিবার (১৫ ডিসেম্বর) জেলা রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করবেন।’  
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা (জেলা প্রশাসক) গোপাল দাস  জানান, বিষয়গুলো তদন্ত করে দেখা হবে। কোনোভাবেই নির্বাচনী পরিবেশ বিঘ্নকারীদের ছাড় দেওয়া হবে না।