জলবায়ু তহবিলের টাকা অন্যখাতে

জলবায়ু তহবিলের টাকা অন্যখাতে

জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী প্রধানত উন্নত বিশ্বের দেশগুলো। এসব দেশে শিল্পায়ন ও নগরায়নের ফলে পরিবেশে ব্যাপক ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে এবং জলবায়ু পরিবর্তনে তা ব্যাপক ভূমিকা রাখে। কার্বন ব্যবসার মাধ্যমে নিম্ন পরিবেশে নেতিবাচক ভূমিকা রাখছে এ দেশগুলো। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকায় বাংলাদেশের নাম শীর্ষে থাকায় বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় বাংলাদেশ ২০১০ সালে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড (বিসিসিটি) গঠন করে। এ তহবিলের টাকায় দেশে এখন ৪৫০ টি প্রকল্প চলমান। সারা বিশ্ব বাংলাদেশকে ঝুঁকিপূর্ণ বলছে, ঝুঁকি মোকাবেলায় সরকার উদ্যোগও নিয়েছে, কিছু খবরে বলা হয় হবিগঞ্জ মৌলভীবাজার ও সিলেট থেকে শুরু করে পিরোজপুর, বরগুনা, গাজীপুর ও ঝালকাঠিতে অন্তত ২০টি প্রকল্প অনুমোদন করে

একটি সহযোগী জাতীয় দৈনিক লক্ষ্যচ্যূত হওয়ার খবর দিয়েছে। খবরে বলা হয়েছে পিরোজপুরে জলবায়ু তহবিলের টাকায় এলাকায় সাইক্লোন সেন্টার নির্মাণ করেছেন মা-বাবার নামে। ঝালকাঠিতে এই তহবিলের টাকায় স্যানিটারি ল্যাট্রিন ও গভীর নলকূপ পেয়েছেন ক্ষমতাসীন দলের নেতা, কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ, বিত্তশালী থেকে বীমা কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পর্যন্ত। বরগুণা জেলার বেতালী পৌরসভার মেয়র গণমাধ্যমকে বলেন, আমি নদী পারের মানুষ। বাড়ির পাশে বঙ্গোপসাগর। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে। আমরাই এ তহবিল থেকে সহায়তা পাইনা। অপ্রয়োজনীয় স্থানে টাকা যাচ্ছে স্বীকার করে পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ গণমাধ্যমকে বলেন- তহবিলের টাকা নেওয়া উচিত গবেষণার কাজে, সোলার প্যানেল বসাতে, বৃক্ষরোপণ প্রকল্পে। কিন্তু এখন নেওয়া হচ্ছে রাস্তাঘাট ও ড্রেন নির্মাণে। এসব কাজের জন্যতো এলজিইডি আছে। আমি চেষ্টা করছি এসব পরিবর্তনের। জলবায়ু তহবিলের প্রকল্পগুলোর দ্রুত বাস্তবায়ন এবং এ তহবিলের টাকা যেন অন্য খাতে ব্যয় না হয়, সে ব্যাপারে কড়া নজর রাখা দরকার।