জনগণকে উন্নয়নের কথা জানাতেই এ মেলা: প্রধানমন্ত্রী

জনগণকে উন্নয়নের কথা জানাতেই এ মেলা: প্রধানমন্ত্রী

সারাদেশে উন্নয়ন মেলার উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার যে কাজগুলো করেছে ও ভবিষ্যতে করতে যাচ্ছে সে সম্পর্কে জনগণকে ধারণা দিতেই এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) সকালে প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে একযোগে জেলা-উপজেলায় অনুষ্ঠিত উন্নয়ন মেলার উদ্বোধনকালে  শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি শেখ হাসিনা বলেন, ‘এ উন্নয়ন মেলায় আজকে যারা সম্পৃক্ত রয়েছেন তাদের বলবো- যে কাজগুলো আমরা করতে পেরেছি এবং যেগুলো ভবিষ্যতে করার পরিকল্পনা নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে সেগুলো সম্পর্কে যেমন জনগণকে সচেতন করা দরকার, তেমনি আমাদের উন্নয়ন কর্মসূচিগুলো যেন সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয় সেজন্য সবার সহযোগিতা একান্তভাবে দরকার।’

‘এই উন্নয়ন যেন অব্যাহত থাকে সেই লক্ষ্য নিয়েই এই উন্নয়ন মেলার সূচনা। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।’

সরকার প্রতিটি গ্রামকে দারিদ্র্যমুক্ত করতে চায় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, আজকের বাংলাদেশ তার দেওয়া ঘোষণা মোতাবেক ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপ পরিগ্রহ করেছে। বাংলাদেশের মানুষ আজকে সব ধরনের সেবা পাচ্ছে।

‘মোবাইল ফোন প্রত্যেকটি মানুষের হাতে পৌঁছে গেছে। প্রায় ৮ কোটি জনগণ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে এবং প্রযুক্তি ব্যবহার করে মানুষের জীবনমানের এই উন্নয়নই তার সরকারের লক্ষ্য।’
 
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি দেশবাসীকে এটুকু বলবো, সরকার যা করে যাচ্ছে, তা হচ্ছে জনগণের উন্নয়ন। গ্রামের মানুষ, তৃণমূলের মানুষের উন্নয়ন। বাংলাদেশকে সমগ্র বিশ্বের দরবারে একটি সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে এই উন্নয়ন হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ইনশাল্লাহ, আমরা বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হবো। যে স্বপ্ন একদিন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেখেছিলেন। এ সময় জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়া, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন এবং তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক মো. আবুল কালাম আজাদ। আর অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব মো. নজিবুর রহমান। মেলা নিয়ে একটি ভিডিও তথ্যচিত্র পরিবেশিত হয়।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বরগুনা, ঝিনাইদহ, হবিগঞ্জ, গাইবান্ধা ও চাঁদপুর জেলার স্থানীয় জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।