জনআস্থার মূল্য দিতে হবে

জনআস্থার মূল্য দিতে হবে

বাংলাদেশের মানুষ নতুন এক প্রত্যাশায় শেখ হাসিনার ওপর আস্থা রেখেছে। কাজেই তার সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করা। মানুষ চায় দেশ থেকে দুর্নীতি দূর হোক। সন্ত্রাস, সাম্প্রদায়িকতা, জঙ্গিবাদ ও মাদক নির্মূলের মাধ্যমে পরিশুদ্ধ হোক সমাজ। সেই সঙ্গে তারুণ্যের শক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। এই শক্তিকে কাজে লাগাতে পারলে এ দেশের অগ্রযাত্রা কেউ রুখতে পারবে না। তবে সবার আগে দুর্নীতি দূর করে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। শপথ নেওয়ার পর মন্ত্রিসভার সদস্যরা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার করেছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন জনগণের আস্থা অর্জনে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব তারা সঠিকভাবে পালনের চেষ্টা করবেন। দেশকে এগিয়ে নেওয়ার চ্যালেঞ্জ তারা সঠিকভাবে মোকাবিলা করারও অঙ্গীকার করেছেন। একাদশ জাতীয় সংসদে মহাজোটের হয়ে বিজয়ী আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণের পর পর অনুষ্ঠিত প্রথম বৈঠকে দল নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব এমপিদের উদ্দেশ্যে একটি বার্তা দিয়েছেন, যা বাস্তব ও সময়ের প্রেক্ষাপটে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেছেন, বিজয় যত বিশালই হোক, যেন ক্ষমতার বহি:প্রকাশ কারো মধ্যে না ঘটে। এলাকায় এবং নিজ দায়িত্বের অঙ্গনে যেন কেউ ক্ষমতার অপব্যবহার না করেন সে বিষয়ে সবাইকে তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন। এটা সবাই জানেন যে ক্ষমতাসীন দলের নেতা কর্মিরা অতিরিক্ত ক্ষমতা ভোগ করেন। যাতে অনেক সময় মানুষ অতিষ্ঠ হন। তারা নানাভাবে প্রভাব খাটান, অনৈতিক ও অবৈধ কাজে জড়িয়ে পড়েন। এর ফলে বিভিন্ন এলাকায় উপদলীয় কোন্দল সৃষ্টি হয়। আমরা মনে করি প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা অত্যন্ত সময়মতো এমপিদের সতর্ক করে সঠিক বার্তা দিয়েছেন। তবে সবার আগে দুর্নীতি উচ্ছেদ এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। একই সঙ্গে বিরোধী দলগুলোকে আস্থায় নিয়ে গণতন্ত্র চর্চা বাড়াতে হবে এবং স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে হবে।