ছেলেবন্ধুর অবশ্যই রসবোধ থাকতে হবে: অনন্যা পাণ্ডে

ছেলেবন্ধুর অবশ্যই রসবোধ থাকতে হবে: অনন্যা পাণ্ডে

অনন্যা পাণ্ডে

সাধারণত তারকা অভিনেতাদের সন্তানরা তাদের মা-বাবা সম্পর্কে ব্যক্তিগত কথা বলেন না। তবে ‘পতি পত্নী অউর ওহ’ অভিনেত্রী ও চাঙ্কি পাণ্ডের মেয়ে অনন্যা পাণ্ডে অবলীলায় তার বাবা-মায়ের সম্পর্ক নিয়েও কথা বললেন। একইসঙ্গে জানালেন তার কর্মব্যস্ততা, প্রেরণা, কেমন ছেলেবন্ধু তার পছন্দ সে বিষয়ে।


৬ ডিসেম্বর মুক্তি পেয়েছে অনন্যা পাণ্ডে অভিনীত সিনেমা ‘পতি পত্নী অউর ওহ’। প্রথম তিন দিনেই সিনেমাটির আয় ৩৫ কোটি রুপি ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ডেকান ক্রনিকলে প্রকাশিত তার একটি সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকার বাংলানিউজের পাঠকদের জন্য উপস্থাপন করা হলো।

বাবা চাঙ্কি পাণ্ডে সম্পর্কে
‘তিনি জীবনে কঠোর পরিশ্রম করেছেন। আমি তার কন্যা হয়ে গর্বিত। বাবার জীবন থেকে আমি অনেক কিছু শিখেছি।’

কেমন প্রেরণা পান তার কাছ থেকে
‘আমি জন্ম নেওয়ার আগেই আমার বাবা একজন তারকা ছিলেন এবং তিনি অভিনয় থেকে বিরতি নেন। আমি তার জীবনের উত্থান-পতন দেখেছি। জীবনকে খুব স্বাভাবিকভাবে নিতে দেখেছি তাকে। তিনি সবসময়ই একটি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি রেখেছেন। তিনি কখনোই হাল ছাড়েননি। এটা আমাদের পরিবারের সবার জন্যই প্রেরণাদায়ক।’
অনন্যার প্রেরণা 
‘আমার সবার কাছ থেকে যে রকম সাড়া পাচ্ছি তাতে আমি খুশি, বিশেষত শিশুদের কাছ থেকে। যখন আমার বয়স ১০ বছর ছিল, তখন আমি কারিনা কাপুরকে পছন্দ করতাম। একটু বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি আলিয়া ভাটের প্রশংসা করতে শুরু করি। একইভাবে উঠতি বয়সী মেয়েদের অনুপ্রেরণা হতে আমি পছন্দ করি।’
ক্যারিয়ারের ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে
‘আমার বয়স এখনও কম। আমি চাই আমার দর্শকরাও আমার সিনেমা দেখতে দেখতেই আমার সঙ্গে বড় হোক। যদিও আমি মনে করি আমার জন্য সুপারস্টার হয়ে ওঠা এখনও অনেক দূরের পথ, তবুও আমি আশা করি কোনও একদিন আমি সে লক্ষ্যে পৌঁছাব। আমি আমার বিশ্বস্ত ভক্ত-শুভানুধ্যায়ীদের পরিমণ্ডল গড়ে তুলতে চাই।’

‘পতি পত্নী অউর ওহ’ এবং পরকীয়া সম্পর্কে
‘ব্যক্তিগত পর্যায় থেকে আমি কখনও পরকীয়া মেনে নেব না, সহ্য করব না বা এর অংশ হব না।’
মা-বাবার সম্পর্কে
‘আমি আমার মা-বাবাকে অনেক সময় ঝগড়া করতে দেখেছি। আবার পরক্ষণেই তাদের মিলে যেতেও দেখেছি। তাই আমি মনে করি, সুখী দাম্পত্য জীবনের মূল চাবিকাঠি হলো বন্ধুত্ব। আপনাকে রসাত্মক হতে হবে, ঘটনাকে হালকাভাবে নিতে হবে এবং দ্রুতই ঝামেলা মিটিয়ে মিলে যেতে হবে। তারা ঝগড়া করতেন ও মিলে যেতেন, আর বলতে তার মজা করছেন। আমার বাবা সত্যিই খুব মজার মানুষ। কোন সংঘাতকে তিনি বেশিক্ষণ জিইয়ে রাখতেন না। দ্রুতই তিনি সব ঠিক করে নিতেন।’

কেমন ছেলেবন্ধু পছন্দ
‘প্রথম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো তার রসবোধ থাকতে হবে। আমি আমার বাবার মাঝেও এটা দেখেছি। বিশ্বস্ততা হলো আরেকটি গুণ যা প্রতিটি পুরুষের থাকা উচিত। পুরুষের আরেকটি গুণ যা আমাকে আকর্ষণ করে তা হলো বন্ধুসুলভ ব্যবহার। আমি আমার মন খুলে, চিন্তা-ভাবনা না করেই আমার সব কথা তাকে বলতে চাই।’


এখনই সম্পর্ক নয়
‘আমি শুধুমাত্র বর্তমানকে উপভোগ করছি আর স্রোতের সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছি। আমি আনন্দ করতে চাই। বউ হওয়ার জন্য সময় আছে। আমি একা আছি, সেইসঙ্গে সিনেমার কাজ নিয়ে ব্যস্ত আছি। জীবনের এই সন্ধিক্ষণে কাজই আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’