গ্রাউন্ডসম্যানরাও ফুল দিয়ে বরণ করলো আকবর আলিকে

গ্রাউন্ডসম্যানরাও ফুল দিয়ে বরণ করলো আকবর আলিকে

বিসিবি বলেছে আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা দেয়া হবে না। কিন্তু বিশ্বকাপজয়ী যুব ক্রিকেট দল বিমানবন্দরে পা রাখার পর থেকে শুরু করে অনানুষ্ঠানিকভাবেও যা হয়েছে, তা আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনার চেয়ে কম কিছু নয়।

বিশ্বজয়ী বীর বলে কথা। অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দল নিয়েই এখন সারাদেশ উত্তাল। সেই ক্রিকেট দল দেশে ফিরে এসেছে, বিমানবন্দর থেকে মিরপুর- দীর্ঘ এই পথটাতে সাজ সাজ রব পড়ে যাবে না, তা কি করে হয়।


হাজার হাজার জনতা বরণ করে নিলো বীরদের। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে শুরু করে মিরপুরে জনতার ঢল নেমেছিল বিশ্বজয়ী যুবাদের একনজর দেখা এবং তাদের বরণ করে নেয়ার জন্য।

বিমানবন্দরেই ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়া হয়েছিল যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এবং বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের পক্ষ থেকে। সেখান থেকে ভিক্টরি ল্যাপ দিয়ে, মোটর শোভাযাত্রাসহকারে নিয়ে আসা হয় মিরপুর শেরেবাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে।

হাজার দশেক দর্শক-সমর্থক উপস্থিত হয় বিশ্বজয়ী ক্রিকেটারদের বরণ করে নেয়ার জন্য। স্টেডিয়ামে প্রবেশ করার পর বিসিবি কার্যালয়ে প্রথমে ক্রিকেটারদের নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর স্টেডিয়ামের ভেতর সবুজ মাঠে লাল গালিচা বিছানো হয় ক্রিকেটারদের সংবর্ধনা দেয়ার জন্য। সেখানে ‘ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়ন’ ব্যাকড্রপ দিয়ে সাজানো টেবিলে রাখা হয় বিশ্বকাপ ট্রফি।

তার আগেই মাঠের মধ্যে যুব দলের বিশ্বজয়ী অধিনায়ক আকবর আলিকে ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানান মাঠ কর্মীরা। তাদের শ্রম এবং ঘামেই গড়ে ওঠে ক্রিকেটের মাঠ, উইকেট। রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে একাকার হয়ে তারা তৈরি করেন ২২ গজের উইকেট এবং তার পাশে বিস্তৃত ৯০ গজের সবুজ মাঠ।


সেই গ্রাউন্ডসম্যানদের জীবনের অন্যতম সাফল্যের দিন যেন আজ। তাদের শ্রমে-ঘামে গড়ে ওঠে উইকেট এবং মাঠে খেলে খেলেই আজ বিশ্বসেরা বাংলাদেশের যুব ক্রিকেটাররা। এ কারণেই অনুরক্ত, অনুপ্রাণিত মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের গ্রাউন্ডসম্যানরা ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত করলেন বিশ্বজয়ী বীর সেনানায়ককে।