৩২টি সিনেমা হলের মধ্যে চালু আছে ৫টি

গাইবান্ধার সিনেমা হলগুলো ভেঙ্গে নির্মিত হচ্ছে বিপণি বিতান

গাইবান্ধার সিনেমা হলগুলো ভেঙ্গে নির্মিত হচ্ছে বিপণি বিতান

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: দর্শক শূন্যতায় বন্ধ হয়ে যাচ্ছে গাইবান্ধার সিনেমা হলগুলো। হলগুলো ভেঙ্গে সেখানে তৈরি করা হচ্ছে আধুনিক প্লাজা ও বিপণী বিতান। ফলে বিপুল সংখ্যক শ্রমিক কর্মচারীরা বেকার হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গাইবান্ধার মায়া ও চৌধুরী হল দুটি ভেঙ্গে ২টি আধুনিক মার্কেট নির্মাণ করা হয়েছে। বিভিন্ন উপজেলার হলগুলোও ভেঙ্গে তৈরি করা হচ্ছে মার্কেট।বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, গাইবান্ধার ৭ উপজেলায় সিনেমা হল ছিল ৩২টি।

 এরমধ্যে জেলা শহরে ৩টি, গোবিন্দগঞ্জ সদরে ৩টি এবং মহিমাগঞ্জে ৩টি, পলাশবাড়ি সদরে ২টি এবং এ উপজেলার কোমরপুরে ২টি ও ঢোলভাঙ্গায় ২টি, সাদুল্যাপুর সদরে ১টি, ধাপেরহাটে ২টি, নলডাঙ্গায় ২টি, সুন্দরগঞ্জ সদরে ২টি, বামনডাঙ্গায় ২টি, সাঘাটা সদরে ১টি এবং এই উপজেলার কচুয়াহাটে ১টি, উল্লাবাজারে ২টি, জুমারবাড়ীতে ১টি ও বোনারপাড়ায় ২টি, ফুলছড়ি সদরে ২টি ও কালিরবাজারে ১টি, গাইবান্ধা সদর উপজেলার বাদিয়াখালীতে ১টি ও দারিয়াপুরে ২টি সিনেমা হল ছিল। দর্শক শূন্যতায় এখন এই জেলায় মাত্র ২টি সিনেমা হল চালু রয়েছে। এরমধ্যে ১টি হচ্ছে জেলা শহরে তাজ সিনেমা হল আর অপরটি গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা সদরের হিরক সিনেমা হল। এছাড়া মাঝে মাঝে অনিয়মিতভাবে চলে পলাশবাড়ীর কোমরপুর, সুন্দরগঞ্জ এবং সাঘাটার জুমারবাড়ীতে একটি সিনেমা হল।

চৌধুরী সিনেমা হলের মালিক আব্দুল মান্নান চৌধুরী জানান, সিনেমা হল বন্ধের অন্যতম কারণ হলো এখন দর্শক চাহিদা পূরণ করার মতো ভালো মানের সিনেমা তৈরি হচ্ছে না। দেশি বিদেশি টিভি চ্যানেলগুলোতে প্রতিদিন, একাধিক উন্নতমানের নতুন পুরনো ছবি ঘরে বসেই দেখতে পাওয়া যায়। এছাড়া এখন ইউটিউব, ইন্টারনেট থেকে সহজেই পছন্দ মতো সিনেমা নিজের মোবাইলে ডাউনলোডে দেখা যায়। এসব কারণেই সিনেমা হলে দর্শক আসে না।