গণতান্ত্রিক রাজনীতিই প্রত্যাশা

গণতান্ত্রিক রাজনীতিই প্রত্যাশা

প্রফেসর মোঃ খালিকুজ্জামান চৌধুরী :বাংলাদেশ একটি স্বাধীন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। গণতন্ত্রকে আমরা সবাই পছন্দ করি, ভালোবাসি। সংসদীয় গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় দেশের জনগণই সবচেয়ে বড় শক্তি এবং সকল ক্ষমতার উৎস। তাই রাজনীতির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত মানুষের কল্যাণ সাধন ও দেশের উন্নয়ন। গণতান্ত্রিক দেশে গণতন্ত্রের সঠিক চর্চা প্রয়োজন। গণতন্ত্রের স্বার্থে রাজনীতিতে শোভন সহিষ্ণু আচরণ ও সুন্দর একটি সংস্কৃতি গড়ে তোলা দরকার। যারা দেশকে ভালোবাসেন, দেশের মানুষকে ভালোবেসে কাছে টেনে নেন, দেশের উন্নয়নে ও মানুষের কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত রাখেন তারা জনসমর্থন পাবেন-সুস্থধারার রাজনীতিতে এমনটিই স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান। দুর্ভাগ্যজনক, বর্তমানে আমাদের দেশে সুস্থধারার সঠিক রাজনীতির বড়ই অভাব। রাজনীতিতে হিংসা-প্রতিহিংসা স্থান পেয়েছে। ক্ষেত্র বিশেষে প্রতিহিংসা প্রাধান্য পাচ্ছে। অথচ প্রতিহিংসা কোনো সুফল বয়ে আনে না-দেশ ও দেশের মানুষের জন্য অশুভ পরিণতিই নিয়ে আসে। হিংসা-প্রতিহিংসা কখনো কখনো সন্ত্রাস ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের জন্ম দেয়। প্রতিহিংসার রাজনীতি ভয়ংকর রূপ ধারণ করে সারাদেশে বিস্তৃত হলে মানব সভ্যতার জন্য হয়ে দাঁড়াবে একটা বড় হুমকি আর রাজনীতির জন্য অশনি সংকেত। বিষয়টি উদ্বেগজনক।


অতীত কখনো ফিরে আসে না তবে অতীত থেকে আমরা শিক্ষা নিতে পারি। অতীতে যা ঘটেছে, সবই ইতিহাস হয়ে আছে। ইতিহাসের সত্য কখনো মুছে ফেলা যাবে না-ইতিহাস বিকৃত করা যাবে না। সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে হবে জাতির সামনে। বাংলাদেশের ইতিহাসের মূলে রয়েছে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ। তৎকালীন পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর শাসন, শোষণ ও নির্যাতনের শিকার বাঙালি জাতিকে সুসংগঠিত করে স্বাধীনতা মন্ত্রে উজ্জীবিত করেছিলেন যিনি তিনি হলেন বঙ্গন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর দূরদর্শী, বিচক্ষণ এবং সঠিক নেতৃত্বেই ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অপরিমেয় ত্যাগের বিনিময়ে এক গৌরবময় বিজয়ের মাধ্যমে আমরা অর্জন করেছিলাম আমাদের কাক্সিক্ষত স্বাধীনতা। এই মহান নেতাকে কাছে থেকে দেখা, কথা শোনা এবং তাঁর নীতি-আদর্শ লক্ষ্য করার সুযোগ হয়েছিল আমার। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রতিহিংসার রাজনীতি করেননি। তিনি সারাজীবন কাজ করে গেছেন দেশ ও মানুষের কল্যাণে। দেশ ও দেশের মানুষকে ঘিরেই ছিল তাঁর রাজনীতি। তিনি ছিলেন সৎ, নীতিবান ও নির্ভীক। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে ছিলেন কঠোর। কখনো অন্যায়ের কাছে মাথানত করেননি তিনি।


গণতান্ত্রিক দেশে নির্বাচনের পথ ধরেই গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা গ্রহণ করতে হয়। এ ক্ষেত্রে স্বাধীনতা-উত্তর বিভিন্ন সময়ে আমরা যা লক্ষ্য করেছি তা মোটেই সুখকর নয়। আমরা দেখেছি অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল, যে কোনো উপায়ে ক্ষমতায় গিয়ে টিকে থাকা ও ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার অপচেষ্টা। আমরা আরও দেখেছি জনমতের তোয়াক্কা না করে ভোটারবিহীন প্রহসনের নির্বাচন।

’৭৫- পরবর্তী ১৫ বছর দেশ ছিল সেনাশাসনের অধীনে। এ সময় জনগণের ভোটাধিকার হরণ করা হয়। সাবেক সেনাপ্রধান এইচ এম এরশাদ সুদীর্ঘ ৯ বছর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করে রেখেছিলেন। স্বৈরশাসক এরশাদ চেয়েছিলেন আজীবন ক্ষমতা ধরে রাখতে কিন্তু তা রাখতে পারেননি তিনি। ১৯৯০ সালে তীব্র গণআন্দোলনের মুখে তাকে ক্ষমতা ছেড়ে বিদায় নিতে হয়েছিল। এরশাদ সরকারের স্বৈরশাসনের অবসান ঘটিয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আমাদের দুই নেত্রী। তাঁরা হলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। পরবর্তীতে বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহম্মদের নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন ও ২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯১ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিবর্তন এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে একটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায়ের সূচনা করে।

১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সে সময় থেকে আজ পর্যন্ত দেশের বড় দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দুই একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া ঘুরে ফিরে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসছে এবং ক্ষমতা থেকে বিদায় নিচ্ছে। সময়ের পরিক্রমায় আমরা বেশ কিছু বছর পেরিয়ে এসেছি। গণতন্ত্রকে বন্দীদশা থেকে মুক্ত করতে আমাদের যে দুই নেত্রী অবদান রেখেছিলেন, তাঁরা বেঁচে আছেন। দলীয় প্রধান হিসেবে সক্রিয় রাজনীতিতে বর্তমান। তবে ক্ষমতাসীন রয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রধান বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা, অন্যদিকে বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আছেন ক্ষমতা ও সংসদের বাইরে। কিন্তু কথা হলো- যে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে আমাদের দুই নেত্রী লড়াই করেছিলেন, আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন সেই গণতন্ত্র আজ কোন পথে? বর্তমানে দুই নেত্রীর পারস্পরিক সম্পর্কের কথা ভাবলে মনে বড় কষ্ট হয়। জনগণের নেত্রী এবং রাজনৈতিক সহকর্মী হিসেবে একটি স্বাভাবিক সম্পর্কও ধরে রাখতে পারেননি তারা। সম্পর্কের দারুণ অবনতি ঘটেছে। বোধকরি বৈরি সম্পর্ক বললেও ভুল হবে না। পারস্পরিক দুরত্ব কমিয়ে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে আলাপ-আলোচনা প্রয়োজন, সমঝোতার দরজা খোলা রাখা দরকার। কিন্তু সবইতো বন্ধ রয়েছে! এ ক্ষেত্রে হিংসা-প্রতিহিংসার কোনো স্পর্শ নেই এমনটি কি বলা যাবে?


গণতান্ত্রিক দেশ অথচ গণতান্ত্রিক মানসিকতার অভাব। সংকীর্ণতার উর্ধ্বে উঠতে পারেন না রাজনৈতিক নেতা-কর্মিরা। ভালো-মন্দ, সাফল্য-ব্যর্থতা নিয়েই চলে দলীয় শাসন। কিন্তু প্রতিপক্ষ কোনো ইতিবাচক দিক খুঁজে পান না-নেতিবাচক দিকটাই চোখে পড়ে এবং সেটাই জনসমক্ষে তুলে ধরা হয়। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় গিয়ে সরকার গঠন করলে বিএনপির উদ্দেশ্যে বলা হয়ঃ বিএনপি আমলে দেশে সুশাসন ছিল না, দেশে কোনো উন্নয়ন কাজ হয়নি, হয়েছে দুর্নীতি - সন্ত্রাস, দলীয়করণ আর লুটপাট, রাজকোষ একেবারে শূন্য করে চলে গেছে, দেশ পিছিয়ে গেছে- বিএনপি আবার ক্ষমতায় এলে দেশের কিছুই থাকবে না। অন্যদিকে বিএনপি ক্ষমতায় গিয়ে সরকার গঠন করলে আওয়ামী লীগের উদ্দেশ্যে অনুরূপ কথাই বলা হয়।

বর্তমানে দেশে ৪০টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মধ্যে বিএনপিই সর্ববৃহৎ বিরোধী রাজনৈতিক দল। দলীয় প্রধান ও ২০-দলীয় জোট প্রধান হলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কোনো কোনো নেতা এমনকি প্রভাবশালী মন্ত্রী বিএনপিকে সন্ত্রাসী দল হিসেবে আখ্যায়িত করেন। আলাপ-আলোচনার প্রশ্নে বলেন, ‘বিএনপি একটি সন্ত্রাসী দল আর এই দলের সঙ্গে কোনো আলাপ-আলোচনা হতে পারে না। সমঝোতার প্রশ্নে বলেন,‘সমঝোতার দরজা বন্ধ আছে। সমঝোতার দরজা বিএনপিই বন্ধ করে রেখেছে।’

রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের একটি বড় সংকট। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে জাতিগত নিধনের মুখে প্রাণভয়ে পালিয়ে আসা অসহায় রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ মানবতার যে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে তা বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত। অথচ বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ৩ মাস পর লন্ডন থেকে দেশে ফিরে রোহিঙ্গা ইস্যুতে দেওয়া বক্তব্যে সমালোচনা করলেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের। তিনি বললেন, ‘যেভাবে রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানো উচিত ছিল, সেভাবে দাঁড়ানো হয়নি।’
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ একটি কালজয়ী ঐতিহাসিক ভাষণ। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ এই ভাষণ দ্বারা তিনি বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত করেছিলেন। এটি ছিল আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের চালিকাশক্তি। গত ৩০ অক্টোবর বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণটি ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষণ হিসেবে স্বীকৃতি পেলো। বিশ্ব ঐতিহ্যের প্রামাণ্য দলিলের অন্তর্ভুক্ত ভাষণটির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেশের জন্য, বাঙালি জাতির জন্য সম্মানজনক ও গৌরবের অথচ এ ব্যাপারে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে অদ্যাবধি কিছু বলতে শুনিনি।

দেশে বিরাজমান রাজনৈতিক অবস্থা ও উল্লিখিত তথ্যাদির পরিপ্রেক্ষিতে স্বাধীন গণতান্ত্রিক দেশের একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে বিনয়ের সঙ্গে স্বল্প পরিসরে আমার মতামত তুলে ধরছি ঃ গণতান্ত্রিক দেশে নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতার পালাবদল হওয়াটা খুব স্বাভাবিক। ক্ষমতাসীন দল ও বিরোধী দল-সবাইকে নিয়ে গণতন্ত্র, সবাইকে নিয়ে দেশ। কোনো কোনো বিষয়ে ভিন্নমত থাকতেই পারে তবে রাজনীতিতে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ থাকবে। থাকবে পরমতসহিষ্ণুতা ও রাজনৈতিক শিষ্টাচার। সমালোচনা থাকবে তবে সমালোচনা হতে হবে গঠনমূলক। শুধু নেতিবাচক দিক নয়- ইতিবাচক দিকটিও দেখতে হবে। ভালোটিকে ভালোই বলতে হবে। যে কোনো অর্জন যা দেশ ও জাতির জন্য সম্মানজনক তার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থাকবে আমাদের।

 গণতান্ত্রিক দেশে বিরোধী দলের সঙ্গে কোনো আলাপ-আলোচনা হবে না আর সমঝোতার দরজা সব সময়ই বন্ধ থাকবে এমনটি প্রত্যাশিত নয়। আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিদ্যমান দূরত্ব কমিয়ে আনা, দ্বন্দ্বের অবসান ঘটিয়ে পারস্পরিক সম্পর্ক স্থাপন, গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ইস্যুতে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং সংঘাতময় রাজনৈতিক পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের গণতান্ত্রিক উপায় হচ্ছে আলাপ-আলোচনা। সংলাপ বা আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই হতে পারে সমঝোতা যা শান্তিকামী দেশবাসীর প্রত্যাশা। গণতান্ত্রিক দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি করা প্রয়োজন আর পরিবেশ সৃষ্টি হলে তা বজায় রাখতে হবে। দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ থাকলে সন্ত্রাস জন্ম নেবে, সহিংস ঘটনা ঘটে যাবে এরূপ ভাবার কোনো যুক্তি নেই। যারা সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে লিপ্ত হয় এবং সহিংস ঘটনা ঘটিয়ে থাকে তাদের সংখ্যা খুব কম। তাদের অপরাধকর্মের জন্য নিরীহ মানুষ এবং কোনো দল বা গোষ্ঠীকে দায়ী করা সমীচীন নয়। অপরাধ সব সময়ই অপরাধ। অপরাধীর ক্ষেত্রে কোনো দল-মত নেই। দেশের প্রচলিত আইন আনুযায়ী যে কোনো অপরাধের বিচার কাম্য। তবে কাউকে অমূলক হয়রানি করা নয়, অসৎ উদ্দেশ্যে কাউকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা নয়, কারো বিরুদ্ধে মিথ্যে মামলা দায়ের করা নয় - কেবল কারো বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তাকে আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। দেশে শুধু আইন থাকলেই চলবে না, আইনের প্রয়োগ থাকতে হবে। আইন আপন গতিতে চলবে।

হিংসা-প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে আমাদের রাজনৈতিক নেতা-কর্মিদের বের হয়ে আসতে হবে। গড়ে তুলতে হবে সুস্থ ধারার সুন্দর রাজনৈতিক সংস্কৃতি। কারণ হিংসা-প্রতিহিংসা মনের সংকীর্ণতার পরিচায়ক। গণতন্ত্রে তো সংকীর্ণতার কোনো স্থান নেই-গণতন্ত্রে আছে উদারতা। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর থেকে এ পর্যন্ত দেশে লক্ষণীয় পরিবর্তন এসেছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমরা এগিয়ে গেছি। আমরা আরও এগিয়ে যেতে পারতাম কিন্তু পারিনি। এর পেছনে বিভিন্ন কারণের মধ্যে স্বদেশপ্রেমবর্জিত প্রতিহিংসামূলক রাজনীতি একটি অন্যতম কারণ। তাই প্রতিহিংসার রাজনীতি নয়, রাজনীতি হবে গঠনমূলক - কল্যাণবাহক।
লেখক ঃ অধ্যক্ষ (অবসরপ্রাপ্ত)
০১৭১৮-৭৪৭৪৪১