খাশোগি সংকটের মাঝেই ট্রাম্প এরদোয়ানের সাক্ষাৎ

খাশোগি সংকটের মাঝেই ট্রাম্প এরদোয়ানের সাক্ষাৎ

করতোয়া ডেস্ক : খাশোগি হত্যা নিয়ে সৌদির ওপর চলমান বৈশ্বিক চাপের মুখে প্যারিসে নৈশভোজে অংশ নিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প ও এরদোয়ান। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শতবর্ষপূর্তি উপলক্ষে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে বিশ্বের ৭০টি দেশের নেতার একত্রিত হয়েছেন। সেখানে তাদেরকে একসঙ্গে হাসিমুখে দেখা যায় বলে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদেন জানানো হয়েছে।প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শতবর্ষপুর্তিতে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যক্রোঁর নিমন্ত্রণে শনিবার প্যারিস পৌঁছান তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ বিশ্বের ৭০টি দেশের নেতারা। বিশ্ব নেতাদের সম্মানে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যক্রোঁর দেয়া এক নৈশভোজে ট্রাম্প ও এরদোয়ানের সাক্ষাত হয়। এসময় এ দুই নেতার স্ত্রীরাও তাদের সঙ্গে ছিলেন। শনিবার প্যারিসের উদ্দেশে বিমানে ওঠার আগে এরদোয়ান বলেন, সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগির হত্যার রেকডিং যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও সৌদি আরবের কাছে পাঠিয়েছেন তারা। এর আগে তুরস্কের কিছু সূত্র জানায়, খাশোগি হত্যার প্রমাণ হিসেবে কিছু রেকর্ডিং তুরস্কের কাছে আছে।

 তবে দেশটির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা হয়নি। খাশোগি হত্যার তদন্তে বের হওয়া চাঞ্চল্যকর তথ্যের মধ্যে সর্বশেষ বেরিয়ে এলো হত্যা সংশ্লিষ্ট কয়েকটি রেকডিং এর কথা। প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের দেয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী একের পর এক খাশোগি হত্যার নগ্নসত্য প্রকাশ করে চলেছে তুরস্ক। এর মাধ্যমে সৌদি আরবের প্রতি তুরস্ক তাদের চাপ অব্যাহত রেখেছে। তারা বলছে ও প্রমাণ করতে চাইছে যে, খাশোগি হত্যার বিষয়টি কোনোভাবে আর ধামাচাপা দিতে পারবে না সৌদি। সম্প্রতি এরদোয়ান বলেছেন, গত ২ অক্টোবর খাশোগি হত্যার সঙ্গে জড়িত ১৫ সদস্যের কিলিং স্কোয়াড সম্পর্কে জানে সৌদি আরব। ওইদিন খাশোগি তুরস্কের সৌদি কনস্যুলেটে ঢোকার ঘণ্টা দুয়েক আগে সেখানে প্রবেশ করে কিলিং স্কোয়াডের সদস্যরা। এছাড়া আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম গুলোর প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, খাশোগি হত্যার পর তার মরদেহ টুকরো করে পাঁচটি স্যুটেকেসে করে সৌদি নেয়া হয়। এদিকে গত বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, খাশোগি হত্যা ইস্যুতে খুব জোড়ালোভাবে তার কিছু বলার আছে। আগামী সপ্তাহে এ সংক্রান্ত মতামত ব্যক্ত করবেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, ‘আমি আগামী সপ্তাহে এ ব্যাপারে আমার মতামত জানাবো। আমরা কংগ্রেস, তুরস্ক ও সৌদি আরবের সঙ্গে হত্যার বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি।’