খালেদাকে শিগগির বিএসএমএমইউতে পাঠানো হবে

খালেদাকে শিগগির বিএসএমএমইউতে পাঠানো হবে

কারাগারে বন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

তিনি বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের চিকিৎসার বিষয়ে হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী গঠিত মেডিকেল বোর্ড যে সিদ্ধান্ত দেবে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবো।

মঙ্গলবার (০৫ মার্চ) সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে বিএনপি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে ৬ সদস্যের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ফলপ্রসু আলোচনা হয়েছে। তারা আমার কাছে একটি পত্র দিয়েছেন। যেখানে খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

‘আমরা এ ব্যাপারে তাদের জানিয়েছি যে, জেল কোড অনুযায়ী- খালেদা জিয়ার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তার জন্য একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার নিয়োজিত রয়েছেন, যিনি প্রতিদিন তার স্বাস্থ্যের খোঁজ-খবর নিচ্ছেন।’

তিনি বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী খালেদার জন্য একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। তাদের পরামর্শ অনুয়ায়ী খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চলছে। গত ২৪ (ফেব্রুয়ারি) তারিখ বোর্ড খালেদা জিয়াকে দেখে কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার কথা জানিয়েছে। এ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য শিগগির তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে নেয়া হবে। তবে নির্দিষ্ট কোন তারিখ তা বলা যাচ্ছে না।

এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বৈঠকে বিএনপি প্রতিনিধিদল দলীয় চেয়ারপারসনের চিকিৎসা ইউনাইটেড হাসপাতালে করানোর কথা বলেছেন। আমরা তাদের বলেছি বিএনপি চেয়ারপারসনের চিকিৎসার বিষয়ে হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী গঠিত মেডিকেল বোর্ড যে সিদ্ধান্ত দেবে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তাকে বিদেশ পাঠনো হবে কি-না সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তিনি বলেন, মেডিকেল বোর্ড যে সিদ্ধান্ত দেবে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এর আগে দুপুর আড়াইটায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে ৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল সচিবালয়ের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যান।

প্রতিনিধিদলের সদস্যরা হলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, ড. আবদুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।