কোয়ালিটি ছাড়া কোনো পত্রিকা টিকবে না: আহমেদ আকবর সোবহান

কোয়ালিটি ছাড়া কোনো পত্রিকা টিকবে না: আহমেদ আকবর সোবহান

দেশ রূপান্তরের সাংবাদিক-কর্মীদের আমার ও বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষ থেকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা। আমাদের দেশে অনেক পত্রিকা, আরও হয়তো আসবে। তবে কেউই টিকে থাকতে পারবে না কোয়ালিটি ছাড়া। দেশ রূপান্তর সেটি করতে পারবে বলে আমরা আশা করি। 


সোমবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর বাংলামোটর রূপায়ণ টাওয়ারে দেশ রূপান্তরের কার্যালয়ে ‘সাফল্যের ১ বছর’ শিরোনামে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হচ্ছে। পত্রিকাটির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খান মুকুলের হাতে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান। পরে এক শুভেচ্ছা বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

বসুন্ধরা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাফিয়াত সোবহানকে সঙ্গে নিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে আসেন বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান। পত্রিকাটি এক বছর অতিক্রম করায় শুভেচ্ছা জানান তারা।

..পরে শুভেচ্ছা বক্তব্যে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে বিশ্বে বাংলাদেশকে ব্র্যান্ডিং করতে কাজ করে যাওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে আহমেদ আকবর সোবহান বলেন, আমরা মূলত ব্যবসায়ী। কিন্তু মিডিয়ায় আসার একটাই লক্ষ্য, বাংলাদেশের ব্র্যান্ডিং করা। আমরা কাজ করে যাচ্ছি কীভাবে এই ব্র্যান্ডিং করা যায়। বঙ্গবন্ধুর যে সোনার বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন তার জন্য দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন তারই সুযোগ্য কন্যা এবং আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান বলেন, আগে আমরা ব্যবসায়ীরা চিন্তায় থাকতাম ব্যবসা নিয়ে। আগুন দেওয়া, বাস পোড়ানো এসব হতো। সেসব থেকে আমাদের মুক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আমরা আশা করছি শিগগিরই বাংলাদেশকে উন্নত দেশ হিসেবে বিশ্ব দরবারে আমরা ব্র্যান্ডিং করতে পারবো।

...এসময় বসুন্ধরা গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ইস্ট-ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের প্রতিষ্ঠান দৈনিক কালের কণ্ঠের সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, টোয়েন্টিফোর.কমের সম্পাদক জুয়েল মাজহার, দৈনিক কালের কণ্ঠের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোস্তফা কামালসহ বসুন্ধরা গ্রুপ এবং ইস্ট-ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

দেশ রূপান্তরের সম্পাদক অমিত হাবিব, প্রকাশক ও রূপায়ণ গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান মাহির আলী খান রাতুলসহ অন্যরা এসময় উপস্থিত ছিলেন। 

এরপর দেশ রূপান্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। 

এসময় তথ্যমন্ত্রী বলেন, ১১ বছর আগে দেশে পত্রিকার সংখ্যা ছিল ৭৫০টি; এখন ১৩শ-এর বেশি। টিভি চ্যানেল ছিল ১০টি, এখন ৩৪টি। হাজার হাজার অনলাইন। অর্থাৎ, গত ১১ বছরে দেশের গণমাধ্যমের ব্যাপক ব্যাপক বিকাশ ঘটেছে। দেশ রূপান্তর সেই বিকাশেরই একটি অংশ। দেশ রূপান্তরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আরো সফলতা কামনা করি।দেশ রূপান্তরের সাংবাদিক-কর্মীদের আমার ও বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষ থেকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা। আমাদের দেশে অনেক পত্রিকা, আরও হয়তো আসবে। তবে কেউই টিকে থাকতে পারবে না কোয়ালিটি ছাড়া। দেশ রূপান্তর সেটি করতে পারবে বলে আমরা আশা করি। 


সোমবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর বাংলামোটর রূপায়ণ টাওয়ারে দেশ রূপান্তরের কার্যালয়ে ‘সাফল্যের ১ বছর’ শিরোনামে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হচ্ছে। পত্রিকাটির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খান মুকুলের হাতে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান। পরে এক শুভেচ্ছা বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

বসুন্ধরা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাফিয়াত সোবহানকে সঙ্গে নিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে আসেন বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান। পত্রিকাটি এক বছর অতিক্রম করায় শুভেচ্ছা জানান তারা।

..পরে শুভেচ্ছা বক্তব্যে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে বিশ্বে বাংলাদেশকে ব্র্যান্ডিং করতে কাজ করে যাওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে আহমেদ আকবর সোবহান বলেন, আমরা মূলত ব্যবসায়ী। কিন্তু মিডিয়ায় আসার একটাই লক্ষ্য, বাংলাদেশের ব্র্যান্ডিং করা। আমরা কাজ করে যাচ্ছি কীভাবে এই ব্র্যান্ডিং করা যায়। বঙ্গবন্ধুর যে সোনার বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন তার জন্য দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন তারই সুযোগ্য কন্যা এবং আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান বলেন, আগে আমরা ব্যবসায়ীরা চিন্তায় থাকতাম ব্যবসা নিয়ে। আগুন দেওয়া, বাস পোড়ানো এসব হতো। সেসব থেকে আমাদের মুক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আমরা আশা করছি শিগগিরই বাংলাদেশকে উন্নত দেশ হিসেবে বিশ্ব দরবারে আমরা ব্র্যান্ডিং করতে পারবো।

...এসময় বসুন্ধরা গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ইস্ট-ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের প্রতিষ্ঠান দৈনিক কালের কণ্ঠের সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, টোয়েন্টিফোর.কমের সম্পাদক জুয়েল মাজহার, দৈনিক কালের কণ্ঠের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোস্তফা কামালসহ বসুন্ধরা গ্রুপ এবং ইস্ট-ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

দেশ রূপান্তরের সম্পাদক অমিত হাবিব, প্রকাশক ও রূপায়ণ গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান মাহির আলী খান রাতুলসহ অন্যরা এসময় উপস্থিত ছিলেন। 

এরপর দেশ রূপান্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। 

এসময় তথ্যমন্ত্রী বলেন, ১১ বছর আগে দেশে পত্রিকার সংখ্যা ছিল ৭৫০টি; এখন ১৩শ-এর বেশি। টিভি চ্যানেল ছিল ১০টি, এখন ৩৪টি। হাজার হাজার অনলাইন। অর্থাৎ, গত ১১ বছরে দেশের গণমাধ্যমের ব্যাপক ব্যাপক বিকাশ ঘটেছে। দেশ রূপান্তর সেই বিকাশেরই একটি অংশ। দেশ রূপান্তরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আরো সফলতা কামনা করি।দেশ রূপান্তরের সাংবাদিক-কর্মীদের আমার ও বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষ থেকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা। আমাদের দেশে অনেক পত্রিকা, আরও হয়তো আসবে। তবে কেউই টিকে থাকতে পারবে না কোয়ালিটি ছাড়া। দেশ রূপান্তর সেটি করতে পারবে বলে আমরা আশা করি। 


সোমবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর বাংলামোটর রূপায়ণ টাওয়ারে দেশ রূপান্তরের কার্যালয়ে ‘সাফল্যের ১ বছর’ শিরোনামে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হচ্ছে। পত্রিকাটির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খান মুকুলের হাতে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান। পরে এক শুভেচ্ছা বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

বসুন্ধরা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাফিয়াত সোবহানকে সঙ্গে নিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে আসেন বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান। পত্রিকাটি এক বছর অতিক্রম করায় শুভেচ্ছা জানান তারা।

..পরে শুভেচ্ছা বক্তব্যে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে বিশ্বে বাংলাদেশকে ব্র্যান্ডিং করতে কাজ করে যাওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে আহমেদ আকবর সোবহান বলেন, আমরা মূলত ব্যবসায়ী। কিন্তু মিডিয়ায় আসার একটাই লক্ষ্য, বাংলাদেশের ব্র্যান্ডিং করা। আমরা কাজ করে যাচ্ছি কীভাবে এই ব্র্যান্ডিং করা যায়। বঙ্গবন্ধুর যে সোনার বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন তার জন্য দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন তারই সুযোগ্য কন্যা এবং আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান বলেন, আগে আমরা ব্যবসায়ীরা চিন্তায় থাকতাম ব্যবসা নিয়ে। আগুন দেওয়া, বাস পোড়ানো এসব হতো। সেসব থেকে আমাদের মুক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আমরা আশা করছি শিগগিরই বাংলাদেশকে উন্নত দেশ হিসেবে বিশ্ব দরবারে আমরা ব্র্যান্ডিং করতে পারবো।

...এসময় বসুন্ধরা গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ইস্ট-ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের প্রতিষ্ঠান দৈনিক কালের কণ্ঠের সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, টোয়েন্টিফোর.কমের সম্পাদক জুয়েল মাজহার, দৈনিক কালের কণ্ঠের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোস্তফা কামালসহ বসুন্ধরা গ্রুপ এবং ইস্ট-ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

দেশ রূপান্তরের সম্পাদক অমিত হাবিব, প্রকাশক ও রূপায়ণ গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান মাহির আলী খান রাতুলসহ অন্যরা এসময় উপস্থিত ছিলেন। 

এরপর দেশ রূপান্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। 

এসময় তথ্যমন্ত্রী বলেন, ১১ বছর আগে দেশে পত্রিকার সংখ্যা ছিল ৭৫০টি; এখন ১৩শ-এর বেশি। টিভি চ্যানেল ছিল ১০টি, এখন ৩৪টি। হাজার হাজার অনলাইন। অর্থাৎ, গত ১১ বছরে দেশের গণমাধ্যমের ব্যাপক ব্যাপক বিকাশ ঘটেছে। দেশ রূপান্তর সেই বিকাশেরই একটি অংশ। দেশ রূপান্তরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আরো সফলতা কামনা করি।