কালাইয়ে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ প্রকল্পের সংযোগ বিচ্ছিন্নের চিঠি এলাকায় চরম উত্তেজনা

কালাইয়ে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ প্রকল্পের সংযোগ বিচ্ছিন্নের চিঠি এলাকায় চরম উত্তেজনা

কালাই (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি : গ্রামে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, কৃষি জমিতে স্বল্প খরচে সেচ, স্কিমভুক্ত কৃষকদের উন্নত প্রযুক্তির চাষাবাদের উপর প্রশিক্ষণ, প্রকল্প এলাকায় কৃষকদের মধ্যে সহজ শর্তে লোন কর্মসূচিসহ জয়পুরহাটের কালাইয়ে “একনেক অনুমোদিত” সরকারি অর্থায়নে জি ও বি’র গবেষণা মূলক পায়োগিক ওভার হেড ট্যাংকিসহ পানি উত্তোলনের গভীর নলকূপের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছন্ন চিঠি দেয়ায় অত্র এলাকায় চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি চলমান প্রকল্পের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছন্ন করণ অভিযান পরিচালনা করা হলে অত্র এলাকায় আইন শৃঙ্খলার অবনতিসহ সংঘর্ষের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।জয়পুরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কালাই সাব জোনাল অফিস ইনচার্জ এজিএম কাওসার আলী ওই প্রকল্পের অপারেটর মহসিন আলী মাসুদকে সংযোগ বিচ্ছন্ন করণের চিঠি দেয়া হয়। এদিকে বিনা কারণে গ্রামে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা সরকারি প্রকল্পে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছন্ন করণের চিঠি দেয়ায় গ্রাম এলাকার সাধারণ মানুষ প্রকল্প এলাকায় দফায় দফায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করে।

প্রকল্পের অপারেটর মহসিন আলী মাসুদ জানান, তিনি ২০১৪ সালের জানুয়ারি মাসে প্রকল্প স্থাপনের পূর্বে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও বিএডিসির উপ-সহকারী প্রকৌশলী সরেজমিন তদন্ত পূর্বক দূরত্ব অনুযায়ী প্রকল্প স্থাপনের স্থান নির্ধারণ করা হয়। এতে বর্তমান নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবরে সেচ লাইসেন্স চেয়ে আমি এবং পল্লী উন্নয়ন একডেমি বগুড়া আবেদন করলেও এখন পর্যন্ত ওই প্রকল্পে সেচ লাইসেন্স ইস্যু করা হয়নি। প্রকল্পের ওভারহেড ট্যাংকসহ গভীর নলকূপের নিয়মিত বিল পরিশোধ করা হলেও অজ্ঞাত কারণে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কালাই সাব জোনাল অফিস বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছন্ন চিঠি দেয়ায় সরকারি গবেষণামূলক প্রকল্পটি এখন বন্ধের হুমকির মুখে পড়েছে। বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমির সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের পরিচালক মো. ফেরদৌস হোসেন জানান, প্রশিক্ষণ ও গবেষণামূলক জাতীয় প্রতিষ্ঠানটি ২০১৪ সালের জানুয়ারি মাসে সরকারি অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়। প্রতি মৌসুমে ৯০ বিঘা কৃষি জমিতে সেচসহ ১০৮টি বাসাবাড়িতে নিরাপদ খাবার পানি সরবরাহ করা হয়। সংযোগ বিচ্ছন্ন করা হলে সকল কার্যক্রম বন্ধ হয়ে এলাকাবাসী দুরূহ অবস্থার সম্মুখীন হবে।