কার্যকর পানি ব্যবস্থাপনা হোক

কার্যকর পানি ব্যবস্থাপনা হোক

বাড়ছে মানুষ, এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাড়ছে খাদ্যের চাহিদা। আর এই অতিরিক্ত খাদ্য উৎপাদন এবং নানা রকম বাণিজ্যিক ব্যবহারে পানি সম্পদ কমে যাচ্ছে। অনেক এলাকায় পানির স্তর নিচে নেমে গেছে। একই সঙ্গে দেশটির উপকূলীয় এলাকায় সুপেয় পানির সংকট প্রকট হচ্ছে। নদ-নদীগুলোতে পানি শূন্যতা প্রকট। নদীসহ ভূপৃষ্ঠের বিভিন্ন জলাশয়ে এখনও সারাবছর যে পানি থাকে, তার বড় অংশ সদ্ব্যবহার করা হয় না দূষণ ও অব্যবস্থাপনার কারণে। উজানে ভারত পানি প্রত্যাহার করায় ভাটিতে বাংলাদেশের নদ-নদীগুলোতে পানি নেই উজানের দেশ ভারতে বিভিন্ন নদীতে ব্যারাজ ও ড্যাম নির্মাণের কারণে সেগুলো থেকে পর্যাপ্ত প্রবাহ পাচ্ছে না। দুই দেশের চুক্তির মাধ্যমে পানি প্রবাহ নিশ্চিত করার বিষয়টিও কতটা জটিল, এক তিস্তা চুক্তি নিয়ে দশকের পর দশক আলোচনা তার প্রমাণ। এর বিহিত দরকার। ভারতকে কার্যকর চাপ দিতে হবে। পাশাপাশি আমাদের নিজস্ব কিছু উদ্যোগ থাকতে হবে। নদ-নদীগুলো ড্রেজিং করা এবং বৃষ্টির পানি ধরে রাখতে হবে। আগামী দিনে বৃষ্টির পানি ধরে রাখার মাধ্যমেই সুপেয় পানির সংকট সমাধান করতে হবে। কারণ পানির রি-চার্জ (পুনর্ভরণ) কমে যাচ্ছে। তবে বাংলাদেশের নদীর পানি যেহেতু বঙ্গোপসাগরে চলে যায়। তাই জলাধারের মাধ্যমে নদীর পানি ব্যবহারের ওপর দৃষ্টি দিতে হবে। নদীগুলোতে নাব্য ফিরিয়ে আনা এবং প্রবাহ ধারণ ক্ষমতা বাড়ানো গেলে বন্যা ও ভাঙনও নিশ্চয়ই হ্রাস পাবে।