কক্সবাজার দ্রুত বদলাচ্ছে, উত্তরবঙ্গ বদলাবে কবে!

কক্সবাজার দ্রুত বদলাচ্ছে, উত্তরবঙ্গ বদলাবে কবে!

আতাউর রহমান মিটন : পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত নিয়ে গর্বে মাথা উঁচু করে থাকা জেলা কক্সবাজার থেকে লিখছি। এখানে এসেছি ‘ব্রেক থ্রু ইন্সটিটিউট’ নামক বেসরকারী সংস্থার পক্ষ হয়ে ‘নারী অধিকার ও সুরক্ষা’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ এবং নাগরিক সংলাপে অংশ নেয়ার জন্য। থাকছি হোটেল ‘সী প্যালেস’এ। আমার রুম থেকে সমুদ্রের ঢেউগুলো স্পষ্ট দেখা যায়, বারান্দায় দাঁড়ালে কানে ভেসে আসে সমুদ্রের ঢেউয়ের মায়াবী গর্জন! সমুদ্র হাতছানি দিয়ে ডাকে! সাগরের ঢেউগুলো যেন বুকের মাঝে ঢেউ তোলে, হারিয়ে যেতে চায় মন! কক্সবাজার এসেছি গত শনিবার, নভো এয়ারের সকালের ফ্লাইট ভিকিউ ৯৩৩ যোগে। ঢাকা থেকে কক্সবাজার প্রায় ১ ঘন্টার ফ্লাইট। রৌদ্রজ্জ্বল আকাশে সাদা মেঘের ভেলাগুলোকে নীচে ফেলে ছুটে চলার ফাঁকে হাতে তুলে নিলাম ‘নভোনীল’ নামের ইন ফ্লাইট ম্যাগাজিনটি। প্রথমেই চোখ আটকে গেল প্রচ্ছদ এ বড় বড় অক্ষরে লেখা ‘আজি ঝরো ঝরো মুখর বাদর দিনে’ এর উপর। রবীন্দ্রনাথের অন্যতম জনপ্রিয় এই গানটি বহুবার শুনেছি। নিজেও বাথরুম সিঙ্গার হিসেবে গুণগুন করে গেয়েছি। কিন্তু আমরা তো বলেছি ‘আজি ঝরো ঝারো মুখর বাদল দিনে’। আমরা জানতাম কথাটা ‘বাদল দিনে’, ‘বাদর দিনে’ নয়। এত বড় কোম্পানি এমন একটা ভুল কিভাবে করতে পারল তা ভেবে দিশেহারা হচ্ছিলাম। মন মানছিল না। ফ্লাইট ষ্টুয়ার্ট এহসানকে জিজ্ঞাসা করলাম। সে হেসে বিজ্ঞের মত জানাল, ‘হুমায়ূন আহমেদ তার লেখায় বাদর শব্দটি ব্যবহার করেছেন’। এটা ভুল নয়। আমি ভাবলাম হবে হয় তো!

‘বাদল’ নাকি ‘বাদর’ কোনটি সঠিক? নিশ্চিত হওয়ার জন্য ফেসবুকে আমার ওয়ালে একটা পোস্ট দিলাম। দেখলাম কিছুক্ষণের মধ্যে নানা জনের মন্তব্য। প্রথম দিকে কয়েকজন বলতে চেষ্টা করলেন ‘নভো এয়ার ভুল করেছে’, ‘এটা দায়িত্বহীনতা’! কিন্তু বাংলাদেশ টেলিভিশনের মাটি ও মানুষ অনুষ্ঠানের উপস্থাপক রেজাউল করিম সিদ্দিক রানা ভাই লিখে জানালেন, রবীন্দ্রনাথ ‘বাদর’ই লিখেছেন। তিনি আমাকে গানের লিরিক পাঠালেন। নিশ্চিত হওয়ার জন্য দিলেন মান্না দে’র কণ্ঠে গাওয়া এই গানের লিঙ্ক। আমি খেয়াল করে শুনলাম শব্দটা ‘বাদর’ই বলা হয়েছে ‘বাদল’ নয়। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ নিজে যখন এই বানান লিখেছেন তখন আমাদের তো আর কোন কথা চলে না! কিন্তু ‘বাদর’ শব্দের অর্থ কি?
নভোএয়ারের ইন ফ্লাইট ম্যাগাজিন ‘নভোনীল’ এর প্রচ্ছদে ব্যবহৃত শব্দ নিয়ে বিতর্ক থেকে শিখলাম ‘বাদর দিনে’ শব্দটি সঠিক। কত কিছু যে জানার আছে! একজন জানালেন, ‘বাদর শব্দটি বাদল এর কোমল রূপ’। এটি কবিতায় উল্লেখ আছে। প্রাণী বাঁদড় এ চন্দ্রবিন্দু রয়েছে। ওটা একবারেই একটা ভিন্ন ধরনের বানান। আমার আরেক ফেসবুক বন্ধু খালেদ ইফতেখার লিখলেন, ‘শৈলজারঞ্জন মজুমদার ১৯৩৯ সনে স্বরলিপিকার হিসেবে “বাদরদিনে” ব্যবহার করেন। বর্ষার সমার্থক শব্দ হিসেবে “প্রকৃতি” পর্যায়ের রবীন্দ্র সঙ্গীতে বাদর দিন ব্যবহৃত হয়েছে। মূলত, রচনায় মাধুর্য সৃষ্টি বা রক্ষার জন্য রচনার বিভিন্ন জায়গায় একই অর্থবোধক একটি শব্দ ব্যবহার না করে ভিন্ন ভিন্ন শব্দ ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়। বিশেষত কবিতায় এবং কাব্যধর্মী গদ্যরচনায় এর প্রয়োজনীয়তা খুবই বেশি ।’ এরপর নাসির উদ্দিন নামের একজন অবসরপ্রাপ্ত সচিব লিখলেন, ‘ইহা মইথিলি ভাষা। এখানে ‘ল’ এর ব্যবহার নাই। রবীন্দ্রনাথ বাদল দিন লিখেন নাই, লিখেছেন বাদর দিন।’
কক্সবাজারে আমি এর আগেও কয়েকবার এসেছি। প্রতিবারই এখানে কিছু না কিছু নতুন দেখি। এখন এই ছোট্ট শহরে মানুষ গিজ গিজ করছে। এদের সবাই ট্যুরিষ্ট বা পর্যটক নয়। অনেকেই আছেন বিভিন্ন এনজিও এবং দাতা সংস্থায় কর্মরত ষ্টাফ ও ভলান্টিয়ার। বিশেষ করে জেলার টেকনাফ এবং উখিয়া অঞ্চলে আগত দশ লক্ষাধিক রোহিঙ্গাদের নানা ধরনের মানবিক সেবাদানে নিয়োজিত উন্নয়ন সংগঠনগুলোর কর্মব্যস্ততায় এই শহরের পর্যটন গুণাবলী চাপা পড়ে এখন এটা ত্রাণ কাজে নিয়োজিত বেসরকারি সংস্থাগুলোর কর্মিদের ‘বেজ ষ্টেশন’ হয়ে উঠেছে। এখানে শত শত এনজিও’র অফিস এবং তাদের গাড়ির ছড়াছড়ি। এই এনজিওগুলো রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সেবা করছে নিবিড়ভাবে। কিন্তু তাদের বেতন-ভাতা এবং বাদশাহি কারবার স্থানীয়দের মনে নানা ধরনের প্রশ্ন তৈরি করেছে। এখানে বাসা ভাড়া বেড়েছে ৩-৫ গুণ, জিনিসপত্রের দাম, খাদ্য দ্রব্যের দাম, পরিবহন ভাড়াসহ প্রায় সকল জিনিসের দাম পূর্বের তুলনায় দ্বিগুণ, তিনগুণেরও বেশি। ফলে এই শহরে সাধারণ পর্যটকদের এখন থাকা-খাওয়া-চলাফেরায় বেশ চড়া দাম গুণতে হচ্ছে। কিন্তু তারপরও কক্সবাজারে মানুষের ভিড় কমছে না। ক্রমশঃ বেড়েই চলেছে। এর শেষ কোথায় কে জানে! শোনা যায়, মিয়ানমার সরকার প্রতিদিন মাত্র ১৫০ জন রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। এই হারে আগত প্রায় দশ লক্ষ রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়া হলে সবার ফেরত যেতে কমপক্ষে ১৮ বছর সময় প্রয়োজন। ততদিনে এখানে জন্মাবে আরও কয়েকলক্ষ রোহিঙ্গা শিশু। এই দেশে জন্মানোর কারণে রোহিঙ্গা এই শিশুরা কি বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পাবে? তাহলে তারা মিয়ানমারে ফেরত যাবে নাকি বাংলাদেশেই স্থায়ীভাবে থাকার সুযোগ পাবে? প্রশ্ন হলো এরা কি উখিয়া ও টেকনাফ অঞ্চলের বর্তমান ক্যাম্পগুলিতেই আবদ্ধ থাকবে নাকি তাদের পুনর্বাসন করা হবে অন্য কোথাও। সরকার তাদেরকে ভাসানচরে রাখতে চায় কিন্তু উন্নয়ন সংস্থাগুলোর তাতে বিরোধিতা রয়েছে। এমতাবস্থায়, কক্সবাজারের সংস্কৃতি ও জীবনমানের দ্রুত যে পরিবর্তন ঘটছে তাতে সম্ভাবনার কক্সবাজার ‘পর্যটন’ জেলা হিসেবে তার স্বকীয়তা হারিয়ে বিশ্বের বৃহত্তম শরণার্থী শিবির হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে। এটা খুবই দুঃখজনক, যদিও এই বাস্তবতা হ্যান্ডেল করার কোন সুনির্দিষ্ট উপায় কারোরই জানা নেই। এটা নিয়ে আরও কথা বলতে হবে। কূটনৈতিক তৎপরতা বৃদ্ধি করার মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের দ্রুত স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করানো ছাড়া কক্সবাজার জেলাকে রক্ষা করা জটিল ও ভবিষ্যতে আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে।
কক্সবাজার হচ্ছে পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত। এর দৈর্ঘ্য ১২০ কিলোমিটার। সমুদ্রের তীর ঘেঁষে গড়ে ওঠা সংরক্ষিত বনভূমি সমৃদ্ধ ৯৬ কিলোমিটারের পাহাড়ের সারি এখানকার অন্যতম বিরল প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। বৃটিশ ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির একজন ইংরেজ ক্যাপ্টেন মিঃ হেরাম কক্স এর নামানুসারে এই জায়গার নাম ‘কক্সবাজার’ রাখা হয়। এর আগে এই জায়গাটির নাম ছিল পালঙ্কি। জানা যায়, নবম শতাব্দীর গোড়ার দিক থেকে ১৬১৬ সালে মুঘল অধিগ্রহণের আগে পর্যন্ত কক্সবাজার-সহ চট্টগ্রামের একটি বড় অংশ আরাকান রাজ্যের অন্তর্ভূক্ত ছিলো। মুঘল সম্রাট শাহ সুজা পাহাড়ি রাস্তা ধরে আরাকান যাওয়ার পথে এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ হন এবং এখানেই ক্যাম্প স্থাপনের আদেশ দেন। তার যাত্রা বহরের প্রায় একহাজার পালঙ্কি বর্তমানের চকরিয়ায় ‘ডুলাহাজারা’ নামের স্থানে অবস্থান নেয়। ডুলাহাজারা অর্থ হাজার পালঙ্কি। মুঘলদের পরে ত্রিপুরা এবং আরাকান এবং তারপর পর্তুগিজ এবং ব্রিটিশরা এই এলাকার শাসনভার নিয়ন্ত্রণ করে।

ক্যাপ্টেন হিরাম কক্স বৃটিশ আমলে পালংকির মহাপরিচালক নিযুক্ত হয়েছিলেন। তিনি আরাকান শরণার্থী এবং স্থানীয় রাখাইনদের মধ্যে বিদ্যমান শত বছরেরও পুরানো সংঘাত নিরসনের চেষ্টা করেন এবং শরণার্থীদের পুনর্বাসনে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সাধন করেন। কিন্তু কাজ পুরোপুরি শেষ করার আগেই মিঃ কক্স ১৭৯৯ সালে মারা যান। তার পুনর্বাসন অবদানকে স্মরণীয় করে রাখতে এখানে একটি বাজার প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং এর নাম দেয়া হয় ‘কক্স সাহেবের বাজার’ যা বর্তমানে কক্সবাজার হিসেবে পরিচিত। কক্সবাজার থানা প্রথম প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৫৪ সালে এবং পৌরসভা গঠিত হয় ১৮৬৯ সালে।থিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত হওয়া ছাড়াও এই জেলার বিভিন্ন প্রান্তে দর্শনীয় আরও বহু স্থান রয়েছে। এই দর্শনীয় স্থানগুলো এখনও ততখানি পর্যটক বান্ধব না হলেও সরকার ও স্থানীয় উদ্যোগে সেখানে নানাবিধ সুবিধা গড়ে তোলা হচ্ছে। ফলে বাংলাদেশের মানদন্ড অনুযায়ী কক্সবাজারের দর্শনীয় স্থানগুলো মোটামুটি উপভোগ্য। এখানে রয়েছে হিমছড়ি পিকনিক স্পট, ঝাউবন, সমুদ্রের বিশাল ঢেউ। পাশেই রামু উপজেলায় রয়েছে বৌদ্ধদের তীর্থ স্থান, মন্দির ও প্যাগোডা। অনেকেই আবার কক্সবাজারে এসে একদিনের জন্য সেন্টমার্টিন বা পাশের মহেশখালিতে বেড়াতে চলে যান। মহেশখালির আদিনাথ মন্দির সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে অন্যতম একটি আকর্ষণীয় তীর্থ স্থান। বঙ্গোপসাগরের মোহনায় আদিনাথ পাহাড়ের উপরে অবস্থিত এই মন্দিরে কেউ কেউ এই মন্দিরকে শিব মন্দিরও বলে থাকেন। প্রতিবছর শিবরাত্রিতে এখানে মেলা বসে এবং ৭-৮ দিন ধরে মেলা চলে।

কক্সবাজারের দক্ষিণে বাংলাদেশ-বার্মা সীমান্তে নাফ নদীর তীরে অবস্থিত ছোট্ট শহর টেকনাফ। সেন্টমার্টিন যাবার জন্য এখানেই জাহাজে চড়তে হয়। নাফ নদীর তীরে দাঁড়ালে দেখা যায় ওপারে মায়ানমারের মংডু শহর। নাফ নদীর ওপারে থাকা পাহাড়গুলো দেখতে সত্যিই ভাল লাগে। চোখ জুড়িয়ে যায়! ভরে যায় মনটা। পিপাসু পর্যটকদের জন্য কক্সবাজার জেলাকে এখনও বহুভাবে আরও সুন্দর করে সাজানো যায়। এটি অনায়াসে বাংলাদেশের ‘সিঙ্গাপুর’ হতে পারে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং ডেল্টা প্লান-২১০০ অর্জনে কক্সবাজার হতে পারে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান। বর্তমান সরকার কক্সবাজারের উন্নয়ন ও পরিপূর্ণ পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য ২৫টি মেগা প্রকল্প হাতে নিয়েছে এবং একের পর এক বাস্তবায়ন করে চলেছে। চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারে রেল লাইন বসানোর কাজ চলছে। এটা শেষ হলে ঢাকা থেকে সহজেই সরাসরি ট্রেনে কক্সবাজারে চলে আসা সম্ভব হবে। কক্সবাজার এয়ারপোর্টকে আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্টে উন্নীত করার কাজ চলছে। কক্সবাজারের শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট, মেডিকেল কলেজ স্থাপন, দোহাজারী-ঘুমধুম রেললাইন প্রকল্প, রামুতে দ্বিতীয় বিকেএসপি গড়ে তোলা, সোনাদিয়া গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ ও মহেশখালী ট্যুরিজম পার্ক এর মত প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে কেবল কক্সবাজার নয়, বদলে যাবে বাংলাদেশের অর্থনীতি, খুলে যাবে সম্ভাবনার দুয়ার। এখানে সেনাবাহিনী ও কোষ্টগার্ড মিলেও আরও বেশকিছু প্রকল্প হাতে নিয়েছে। গড়ে তুলছে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল। সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে কক্সবাজার আগামীদিনে বিরাট একটা ক্ষেত্র হয়ে হয়ে উঠতে যাচ্ছে।কক্সবাজারে এলে বোঝা যায়, সব মিলিয়ে এখানে সমৃদ্ধ বাংলাদেশের জোয়ার হাতছানি দিচ্ছে। দুঃখ হচ্ছে আমরা উত্তরবঙ্গের মানুষরাই কেবল পড়ে থাকছি পেছনে। বদলে যাচ্ছে ঢাকা, বদলাচ্ছে চট্টগ্রাম বিভাগ, পদ্মা সেতুকে ঘিরে দিনবদলের হাওয়া লেগেছে দক্ষিণাঞ্চলের পালে। সেই তুলনায় বঞ্চনা, অবহেলা আর রাজনৈতিক অঙ্গীকারের উদাসীনতায় লটকে আছি আমরা উত্তরবঙ্গবাসী। কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতে মধ্যরাতের জ্যোৎ¯œায় সামনে তাকিয়ে কেবলই উদাস মনে ভাবি, উত্তরবঙ্গটা কি তাহলে কেবলই বানভাসি মানুষের জনপদ হয়ে উন্নয়ন বঞ্চনার শিকার হয়েই থাকবে! সংশ্লিষ্টরা কি বলবেন? সবাইকে পবিত্র ঈদুল আজহার অগ্রীম শুভেচ্ছা জানাই। সকলের মঙ্গল হোক। আমরা যেন ত্যাগ এর মহিমায় তাকওয়া অর্জন করতে পারি। লোক দেখানো কোন কিছু মহান ¯্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জনে সহায়তা করে না।
লেখক : সংগঠক-প্রাবন্ধিক
[email protected]
০১৭১১-৫২৬৯৭৯