ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ উইকেট মোস্তাফিজের

ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ উইকেট মোস্তাফিজের

চলতি বছরে শেষ হয়েছে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অধ্যায়। ভারত সফরের তিনটি টি-টোয়েন্টি আর দুটি টেস্ট ম্যাচের মধ্যদিয়ে শেষ হয়েছে বাংলাদেশের ২০১৯ সাল। এ বছর টেস্টে আবু জায়েদ রাহি আর তাইজুল ইসলাম বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ উইকেট নিয়েছেন। ওয়ানডেতে মোস্তাফিজুর রহমানের আশেপাশে নেই বাকিরা। আর টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ উইকেট নিয়েছেন শফিউল ইসলাম।


এই বছর বাংলাদেশ খেলেছে ৫টি টেস্ট, ১৮টি ওয়ানডে আর ৭টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। যেখানে জয়ের চেয়ে পরাজয়ের পাল্লাটাই ভারী। এ বছরই লাল-সবুজের জার্সিতে বাংলাদেশ খেলেছে ওয়ানডে বিশ্বকাপে। পাঁচ টেস্টে বাংলাদেশের জয় নেই কোনো ম্যাচে। ১৮ ওয়ানডেতে বাংলাদেশের জয় সাতটিতে। আর টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে সাত ম্যাচের চারটিতে জিতেছে লাল-সবুজরা।

ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের পরিসংখ্যান ঘাটলে দেখা যায়, বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে টেস্টে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, ওয়ানডেতে মুশফিকুর রহিম আর টি-টোয়েন্টিতেও মাহমুদউল্লাহ সর্বোচ্চ রান সংগ্রহ করেছেন।

আর উইকেটের দিক দিয়ে এ বছর টেস্টে সর্বোচ্চ শিকারি পেসার আবু জায়েদ এবং স্পিনার তাইজুল। দুজনই খেলেছেন চারটি করে ম্যাচ। ৪২.৪৪ গড়ে আবু জায়েদ নিয়েছেন ৯টি উইকেট। আর ৫৫.৬৬ গড়ে তাইজুল নিয়েছেন ৯টি উইকেট। তৃতীয় সর্বোচ্চ ৬টি উইকেট নিয়েছেন স্পিনার মেহেদি হাসান মিরাজ। তিনিও খেলেছেন চারটি ম্যাচ। আর ১ ম্যাচ খেলেই সাকিব আল হাসান নিয়েছেন ৫ উইকেট। ৫ উইকেট আছে ৪ ম্যাচ খেলা পেসার এবাদত হোসেনের।

ওয়ানডেতে বাংলাদেশ এ বছর খেলেছে ১৮টি ম্যাচ। যেখানে ১৬টি ম্যাচ খেলেছেন পেসার মোস্তাফিজ। বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ফিজ এ বছর উইকেট পেয়েছেন ৩৪টি। দুবার নিয়েছেন ইনিংসে ৫ উইকেট। ১৩ ওয়ানডে খেলে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন নিয়েছেন ১৮ উইকেট। এ বছর সাকিব খেলেছেন ১১ ওয়ানডে, যেখানে তার উইকেট ১৩টি। মিরাজ ১৬ ম্যাচ খেলে নিয়েছেন ১৩ উইকেট।

এদিকে, টি-টোয়েন্টিতে এ বছর বাংলাদেশ খেলেছে ৭টি ম্যাচ। যেখানে ৫টিতে খেলে পেসার শফিউল নিয়েছেন ৮ উইকেট। ৪ ম্যাচে ৭ উইকেট নিয়েছেন সাইফউদ্দিন। আর ৪ ম্যাচে ৬ উইকেট নিয়ে এই তালিকায় তিনে স্পিনার আমিনুল ইসলাম। সাকিব ৪ ম্যাচে ৪টি আর মোস্তাফিজ ৭ ম্যাচে নিয়েছেন চারটি উইকেট।

টি-টোয়েন্টিতে সাত ম্যাচের সবগুলোতেই এ বছর খেলেছেন মোস্তাফিজ, আফিফ হোসেন এবং মাহমুদউল্লাহ। ৪ ম্যাচে আফিফ বল করে চারটি উইকেট নিলেও ৩ ম্যাচে হাত ঘুরিয়ে মাহমুদউল্লাহ কোনো উইকেট পাননি।