‘ওয়ান ওয়ে’ এবং ‘খেলোয়াড়’র বাঁধন

‘ওয়ান ওয়ে’ এবং ‘খেলোয়াড়’র বাঁধন

অভি মঈনুদ্দীন : দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের নির্মাতাদের কাছে এই সুনামটা বেশ আছে যে, বাঁধনকে যে কলটাইম দেয়া হয় সেই নির্ধারিত কলটাইমের কয়েক মিনিট আগেই তিনি সেট-এ পৌঁছান। যে কারণে বাঁধনের সেট-এ আসা নিয়ে কখনোই কোন নির্মাতাকে উদ্বিগ্ন থাকতে হয়নি। বাঁধনের মতে, কলটাইমের প্রতি শ্রদ্ধা এবং সচেতনতা আমার সবসময়ই ছিলো, আছে এবং আজীবন থাকবে। একজন শিল্পীকে শুধু অভিনয়েই মনোযোগী হলে চলেনা, তার আশেপাশের অনেক কিছু ভাবনায় রাখতে হয়। অভিনয় জীবনের শুরু থেকেই বাঁধন তার কর্মক্ষেত্রে ভীষণ সিরিয়াস। যে কারণে বাঁধনের কর্তব্য পরায়ণতা, অভিনয়ের প্রতি বাঁধনের আন্তরিকতা’র যেমন প্রশংসা করেন সবাই আবার সকল সহশিল্পীদের সঙ্গে সুন্দর সম্পর্কও বিদ্যমান তাঁর। দর্শক, নির্মাতা এবং সহশিল্পীদের ভাষ্যমতে বাঁধন আগের চেয়ে এখন অভিনয়ও বেশ ভালো করছেন। সবসময়ই বাঁধন একটু বেছে কাজ করার চেষ্টা করেন। সেই চেষ্টার ধারাবাহিকতায় নতুন দুটি ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করছেন তিনি। একটি জুয়েল মাহমুদের ‘ওয়ান ওয়ে’ এবং অন্যটি মাসুদ সেজানের ‘খেলোয়াড়’। দুটি নাটকের গল্পের শুরুটা তাকে নিয়ে। ‘ওয়ান ওয়ে’ নাটকের গল্পটা শুরু হয় বাঁধনের স্বামী মারা যাবার ঘটনা দিয়ে। অর্থাৎ বাঁধনের বিধাব হবার মধ্যদিয়ে ‘ওয়ান ওয়ে’ ধারাবাহিকের গল্প শুরু। অন্যদিকে ‘খেলোয়াড়’ নাটকের গল্প শুরু হয় ঢাকায় পড়াশুনারত একজন ছাত্রীর ছাত্রী নিবাসে থাকার সংগ্রামী জীবনের গল্প নিয়ে। দুটি নাটকে অভিনয় প্রসঙ্গে বাঁধন বলেন,‘দুটি নাটকের গল্পের শুরুটা আমাকে নিয়ে। নিঃসন্দেহে মাসুদ সেজান ভাই, জুয়েল মাহমুদ ভাই দু’জনই গুণী নির্মাতা।

দু’জনের নির্দেশনাতে কাজ করে ভালোলেগেছে। জুয়েল ভাইয়ের নির্দেশনায় এর আগে আমি বেশকিছু ভালো ভালো নাটকে কাজ করেছি। বিশেষত মনেপড়ে আমার সন্তান হবার পর তিনিই আমাকে প্রথম ধারাবাহিক নাটকে অভিনয়ের জন্য চুড়ান্ত করেছিলেন। নাটকটির নাম ‘আকাশ মেঘে ঢাকা’।’ ‘খেলোয়াড়’ নাটকে বাঁধনের সহশিল্পী চঞ্চল চৌধুরী। চঞ্চল চৌধুরী প্রসঙ্গে বাঁধন বলেন,‘ চঞ্চল ভাই অনেক বড় মাপের একজন অভিনেতা। অভিনয়ে তার অনেক প্রাপ্তি আছে। তার তুলনায় আমি তেমন কিছুই নই। কিন্তু এতো বড় মাপের একজন অভিনেতা হয়েও তিনি এতো বেশি আন্তরিক এবং সহযোগিতা পরায়ণ, তা ভাবাই যায়না। তারসঙ্গে অভিনয়ের সময় মনেই হয়না যে এতো গুনী একজন শিল্পীর সঙ্গে অভিনয় করছি।’ জুয়েল মাহমুদের ‘ওয়ান ওয়ে’ এবং মাসুদ সেজানের ‘খেলোয়াড়’ শিগগিরই দুটি ভিন্ন চ্যানেলে প্রচার হবে। ছবি : মোহসীন আহমেদ কাওছার