* বিএনপির সঙ্গে প্রশাসন-পুলিশ-সশস্ত্র বাহিনী আছে * সঠিক রায় পাওয়া নিয়ে সংশয় * নির্বাচনে যেতে ছয় শর্ত

ঐক্যবদ্ধ থেকে পরিস্থিতি মোকাবেলার আহ্বান

ঐক্যবদ্ধ থেকে পরিস্থিতি মোকাবেলার আহ্বান
ঐক্যবদ্ধ থেকে পরিস্থিতি মোকাবেলার আহ্বান
ঐক্যবদ্ধ থেকে পরিস্থিতি মোকাবেলার আহ্বান
ঐক্যবদ্ধ থেকে পরিস্থিতি মোকাবেলার আহ্বান
ঐক্যবদ্ধ থেকে পরিস্থিতি মোকাবেলার আহ্বান

জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সঠিক রায় পাওয়ার বিষয়ে সংশয় প্রকাশ করে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, সর্বোচ্চ আদালত বলছেন নিম্ন আদালত সরকারের কবজায়। পত্রিকায় যা দেখছি তাতে বোঝা যাচ্ছে, সঠিক রায় দেওয়ার সুযোগ নেই। মামলার রায় সামনে রেখে নেতা-কর্মীদের অভয় দেওয়ার পাশাপাশি যেকোনো বিপদ মোকাবিলায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি। বেগম জিয়া বলেন, আমি যেখানে থাকি না কেন, আমি আপনাদের সঙ্গে আছি। সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির সঙ্গে প্রশাসন-পুলিশ-সশস্ত্র বাহিনী আছে। এ দেশের জনগণ আছে। দেশের বাইরে যারা আছেন তারা আছেন। কাজেই বিএনপির কোনো ভয় নেই, ভয়টা আওয়ামী লীগের। এ সময় আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে ছয়টি শর্ত তুলে ধরেন তিনি। একইসঙ্গে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে আগামীতে শান্তিপূর্ণ, নিয়মতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচি দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে সেই কর্মসূচিতে জনগণকেও অংশগ্রহণের আহ্বান জানান বিএনপি নেত্রী।

 শনিবার দুপুরে রাজধানীর খিলক্ষেতে লা মেরিডিয়ান হোটেলে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সভার উদ্বোধনী পর্বে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বেগম জিয়া। আদালত জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায়ের তারিখ দেওয়ার পর নির্বাহী কমিটির এই সভা ডাকেন বিএনপি নেত্রী। বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সর্বশেষ বৈঠক হয়েছিল ২০১২ সালের ৮ এপ্রিল। আর ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলের পর এটাই বর্তমান জাতীয় নির্বাহী কমিটির প্রথম সভা।

সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান
জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট মামলার রায় সামনে রেখে নেতা-কর্মীদের অভয় দেওয়ার পাশাপাশি  যেকোনো বিপদ মোকাবিলায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, আমি শুধু বলতে চাই-আমি যেখানে থাকি না কেন, আমি আপনাদের সঙ্গে আছি। নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বিপদ এলে সবাই একসাথে মোকাবিলা করব, সুদিন এলেও আমরা সবাই একসাথে দেশের জন্য কাজ করব। আমাদের সাহস সঞ্চয় করে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে হবে, প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। খালেদা জিয়া বলেন, আমাকে কেউ ভয়-ভীতি, লোভ দেখিয়ে কিছু করতে পারবে না। অতীতেও পারেনি, এখনো পারবে না। আমি দলের নেতা-কর্মী ও দেশের মানুষের সঙ্গে আছি, দেশের মানুষের সঙ্গে থাকব। নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, এই নির্বাহী কমিটির সভা থেকে আামি সবাইকে বলব, সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকবেন। আপনাদের বিরুদ্ধে বহু সন্ত্রাস হবে, ষড়যন্ত্র হবে, নানাভাবে হয়রানি করার চেষ্টা করা হবে। আমরা কেউ ভয়ে ভীত হব না। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সামনে কর্মসূচি দেয়ার ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে আমাদের কর্মসূচি হবে শান্তিপূর্ণ, নিয়মতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিক। সেই শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচিতে আমি জনগণকেও আহ্বান করব। আসুন দেশের জনগণ, বিএনপি ও ২০ দল- সকলে মিলে এদেশটা রক্ষা করি, গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনি। জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা করি। অন্যান্য রাজনৈতিক দলকেও এই ‘জাতীয় ঐক্যে’ শরিক হওয়ার আহ্বান জানান বিএনপি নেত্রী।

ভোটে যেতে খালেদা জিয়ার ছয় শর্ত
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে ছয়টি শর্ত দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তিনি বলেন, মানুষ পরিবর্তন চায়। এই পরিবর্তন হতে হবে নির্বাচনের মাধ্যমে। আর সেই নির্বাচন হতে হবে নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে। তবে শুধু নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হলেই হবে না, জনগণকে নির্বিঘেœ ভোটকেন্দ্রে আসার মতো পরিবেশ তৈরি করতে হবে। ভোটের আগে অবশ্যই বর্তমান সংসদ ভেঙে দিতে হবে, নির্বাচন কমিশনকেও নিরপেক্ষতা বজায় রেখে কাজ করতে হবে, ইভিএম-ডিভিএম ব্যবহার করা যাবে না। এছাড়া ভোটের সময় পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে অবশ্যই সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে, সেনাবাহিনী মোবাইল ফোর্স হিসেবে কাজ করবে।

ক্ষমা একবার হয়, বারবার না
দলের সিদ্ধান্ত অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে খালেদা জিয়া বলেন, যারা বেঈমানি করবে, যারা এদিক-ওদিক, এক পা এদিক- অন্য পা অন্য দিকে রাখবে, তাদের চিহ্নিত করা হবে। এদের মূল্যায়নের জায়গা থাকবে না। এদের তারাও (সরকার) নেবে না, আমরাও নেব না। আমরা আগে একবার ক্ষমা করেছি, ক্ষমা বার বার হয় না। খালেদা জিয়ার বক্তব্যের সময় মিলনায়তনে উপস্থিত নির্বাহী কমিটির সদস্যরা খালেদা জিয়ার নামে সেøাগান দেন। নেতারা সেøাগানে বলেন, ‘আমার নেত্রী আমার মা, বন্দি হতে দেব না’, ‘আমার নেত্রী আমার মা, জেলে যেতে দেব না।’

সঠিক রায়ের সুযোগ নেই
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেন, সর্বোচ্চ আদালত বলছেন নিম্ন আদালত সরকারের কবজায়। পত্রিকায় যা দেখছি তাতে বোঝা যাচ্ছে, সঠিক রায় দেওয়ার সুযোগ নেই। সঠিক রায় দিলে কী পরিণতি হয়, তা তো আপনারা দেখেছেন। তারেক রহমানের রায় দেওয়ার পর সেই বিচারককে দেশ ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে। অপরাধ (জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট মামলা) নেই। সেখানে কীসের বিচার হবে? কিন্তু তারা (সরকার) জোর করে বিচার করতে চায়।

নৌকা ডুবেছে?
আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারের সমালোচনা করেন খালেদা জিয়া। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ বলছে নির্বাচন হবে ডিসেম্বরে। ডিসেম্বরে নির্বাচন হলে এতো আগে প্রচারের কারণ কী? বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, নৌকা এমন ডোবা ডুবছে যে তোলার জন্য এতো আগে ভোট চাইতে হচ্ছে? হাত তুলে ওয়াদাও করাতে হচ্ছে।

ডিজিটাল আইনের নামে নতুন কালা-কানুন
খালেদা জিয়া বলেন, ডিজিটাল আইনের নামে নতুন কালা-কানুন করা হচ্ছে। সাংবাদিকেরা সত্য কথা বলে। সেই কথাগুলো যখন মানুষ শোনে, তখন জনগণের অধিকার হরণ করতে নতুন আইন করা হচ্ছে।

নির্বাহী কমিটির সভায় তারেকের ভিডিওবার্তা
ভিডিও বক্তব্যের মাধ্যমে লন্ডন থেকে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সভায় যোগ দেন দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সভায় খালেদা জিয়ার বক্তব্যের আগে তারেক রহমানের একটি ভিডিওবার্তা প্রচার করা হয়। সেখানে তিনি সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনার পাশাপাশি দুর্নীতি মামলার রায় নিয়েও কথা বলেন।

নয় বছরে ১৩ হাজার নেতাকর্মী খুন
উদ্বোধনী পর্বে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের সাংগঠনিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। প্রতিবেদনে তিনি অভিযোগ করে বলেন, পত্র-পত্রিকা ও আমাদের কাছে থাকা তথ্যানুযায়ী- গত নয় বছরে ১২ হাজার ৮শ ৫০ জনের অধিক নেতা-কর্মী রাজনৈতিক হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছেন। মির্জা ফখরুল বলেন, ইলিয়াস আলী, চৌধুরী আলমসহ অসংখ্য নেতা-কর্মীদের গুম করা হয়েছে। দেশি-বিদেশি বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন প্রণীত প্রতিবেদনেও বাংলাদেশে বিরাজমান মানবাধিকার পরিস্থিতির উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়া সরকারের দায়ের করা হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলায় দলের জ্যেষ্ঠ নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আব্দুস সালাম পিন্টু, আমানউল্লাহ আমান, আসলাম চৌধুরীসহ অসংখ্য নেতাকর্মী কারাগারে রয়েছেন। বিএনপি মহাসচিব তাদের সবার মুক্তি দাবি করেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সারা দেশে অসংখ্য বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মীদের মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেফতার করে নির্যাতন করে এক ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা হয়েছে। বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড (ক্রসফায়ার) আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গেছে। নিরাপত্তা হেফাজতে মৃত্যুর সংখ্যাও বেড়েছে। সারাদেশে দলের ৭৮টি সাংগঠনিক জেলার মধ্যে ৪৬টিতে নির্বাচিত পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা সম্ভব হয়েছে বলে দাবি করেন বিএনপি মহাসচিব। এছাড়া কেন্দ্রীয় কয়েকটি অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের কমিটি পুনর্গঠনের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, মেয়াদোত্তীর্ণ বাকি কেন্দ্রীয় কমিটিগুলো পুনর্গঠনের কাজও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অতি শীঘ্রই আপনারা (নির্বাহী সদস্য) এ সম্পর্কে জানতে পারবেন।

শোকপ্রস্তাব উত্থাপন
উদ্বোধনী পর্বে সাংগঠনিক প্রতিবেদন উপস্থাপনের আগে দলের পক্ষ থেকে শোকপ্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন এই শোকপ্রস্তাব উপস্থাপন করেন। সভায় প্রয়াত নেতাদের পাশাপাশি শিক্ষাবিদ-শিল্পী-সাহিত্যিকসহ বিশিষ্টজনদের স্মরণ করে দেওয়া শোকপ্রস্তাবটি গৃহীত হয়।

ধড়পাকড়ের মধ্যেই নির্বাহী কমিটির সভা
ধড়পাকড়ের মধ্যেই খালেদা জিয়ার সভাপতিত্বে বেলা ১১টায় পাঁচশ থেকে সাড়ে পাঁচশ প্রতিনিধির উপস্থিতিতে কোরআন তেলায়াতের মধ্য দিয়ে নির্বাহী কমিটির সভার কার্যক্রম শুরু হয়। নির্বাহী কমিটির সদস্যরা ছাড়াও জাতীয় স্থায়ী কমিটি ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্যরাও সভায় অংশ নেন। মূল মঞ্চে বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমদ, জমিরউদ্দিন সরকার, মাহবুবুর রহমান, মির্জা আব্বাস, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বসেন। বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানীর পরিচালনায় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন-দলের জ্যেষ্ঠ নেতা শামসুজ্জামান দুদু, নিতাই রায় চৌধুরী, মোহাম্মদ শাহাজাহান, হাফিজউদ্দিন আহমেদ, ডা. জাহিদ হোসেন, বরকতউল্লাহ বুলু, শওকত মাহমুদ, মিজানুর রহমান মিনু, জয়নুল আবদিন ফারুক, আতাউর রহমান ঢালী, মাহবুবউদ্দিন খোকন, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, হারুনুর রশীদ, কেন্দ্রীয় নেতা রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, ডা. সাখাওয়াৎ হোসেন জীবন, অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, গৌতম চক্রবর্তী, অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খান, জয়ন্ত কুমার কুন্ডু, সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, দীপেন দেওয়ান, জন গোমেজ, অমলেন্দু দাস অপু, তাইফুল ইসলাম টিপু, আমিরুল ইসলাম খান আলিম, কাজী আবুল বাশার, মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, দেবাশীষ রায় মধু, রমেশ দত্ত, সুশীল বড়–য়া, আবু বকর সিদ্দিক, শেখ মোহাম্মদ শামীম, অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম, ভিপি সাইফুল ইসলাম, মো. শোকরানা, আবু সাঈদ চাঁন, অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, টিএস আইয়ুব, আবুল হোসেন আজাদ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

সভাস্থল থেকে বিএনপি নেতাকর্মী আটকের অভিযোগ
বিএনপির নির্বাহী কমিটির সভা যখন চলছিল, তখন সভাস্থল লা মেরিডিয়ান হোটেলের সামনে থেকে দলের অন্তত ২০ জন নেতা-কর্মীকে আটকের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে বিএনপি নেতাদের পিএস ও গাড়িচালক রয়েছে বলে দলটির নেতারা দাবি করেছেন। এই আটকের ঘটনার খবরে অন্যদের মধ্যেও তখন আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এতে হোটেলের বাইরে অবস্থান করা নেতা-কর্মীরা স্থান ত্যাগ করলে পুরো এলাকা ফাঁকা হয়ে যায়। এই খবর ভেতরে পৌঁছালে সেখানেও নেতাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

নির্বাহী কমিটির সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক খালেদা জিয়ার
দুপুরে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্যদের নিয়ে রুদ্ধদ্বার কর্ম অধিবেশনে বসেন দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। বেলা ১১টায় সভার উদ্বোধনী পর্বের পর দুপুর সোয়া ১টায় এই কর্ম অধিবেশন শুরু হয়। প্রথম বক্তা হিসেবে কর্ম অধিবেশনে বক্তব্য দেন দলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি শরীফুল আলম। এই অধিবেশনে জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট মামলার রায়-পরবর্তী অবস্থা এবং নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনকেন্দ্রিক আন্দোলন নিয়ে করণীয় প্রসঙ্গে দলের তৃণমূলসহ একাধিক কেন্দ্রীয় নেতার বক্তব্য শোনেন বিএনপি নেত্রী। পরে সমাপনী বক্তব্যে তৃণমূল নেতাদের সকল ভয়-ভীতি উপেক্ষা করে এবং কোনো প্রলোভনে পা না দিয়ে সংগঠিত ও ঐক্যবদ্ধ থেকে দলের জন্য কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানান খালেদা জিয়া। সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে সভা শেষ হয়।